ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর। ভূমিকা : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের উৎসসমূহ দেখানোর উদ্দেশ্যে উৎপাদনের ক্ষেত্রগুলোকে মোট ১৫ টি শ্রেণীতে বিভক্ত করা হয়েছে । এদের একেকটি শ্রেণীকে একেকটি খাত বলা হয় । বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের প্রধান খাতগুলো কৃষি , মৎস্য , শিল্প , পরিবহন ও যোগাযোগ , নির্মাণ , লোক প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা , বিদ্যুৎ , গ্যাস ও পানি সম্পদ , ব্যাংক ও বীমা পাইকারি ও খুচরা বিপণন , গৃহায়ন , কমিউনিটি , সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা , শিক্ষাখাত , স্বাস্থ্যসেবা , খনিজ ও খনন , হোটেল ও রেস্তরাঁ ।

নিয়ে এগুলো আলোচনা করা হলো :

১. কৃষি : কৃষি বাংলাদেশের জনগণের প্রধান উপজীবিকা । এদেশের ৬৫ শতাংশ মানুষ প্রত্যক্ষ কিংবা পরোক্ষভাবে কৃষির উপর নির্ভরশীল । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে ঐ বছর কৃষির অবদান ছিল ১৫.৬৫ শতাংশ ।

২. মৎস্য : ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে মৎস্য খাতের অবদান ৪.৫১ শতাংশ ।

৩. শিল্প : বাংলাদেশের শিল্প অনুন্নত । ফলে দেশের জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান তুলনামূলকভাবে কম । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ের অবদান ১৭.৮৭ শতাংশ ।

৪. পাইকারি ও খুচরা বিপণন : পাইকারি এবং খুচরা বিপণন বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি অন্যতম খাত । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী ঐ বছর আমাদের জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান ১৪.৩০ শতাংশ ।

৫. নির্মাণ : নির্মাণ বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের অপর একটি খাত । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে ঐ বছর এ খাতের অবদান ৯.১৮ শতাংশ ।

৬. পরিবহন ও যোগাযোগ : পরিবহন ও যোগাযোগ বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত । ২০০৯ ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে ঐ বছর এ খাতের অবদান ১০.৭৬ শতাংশ ।

৭. রিয়েল এস্টেট , ভাড়া ও অন্যান্য ব্যবস্থা : এটি বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের অপর একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে ঐ বছর এ খাতের অবদান ৭.১৯ শতাংশ ।

৮. স্বাস্থ্য ও সামাজিক সেবা : এটি বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত । ২০০৯-২০১০ সালের = হিসাব অনুযায়ী আমাদের জাতীয় আয়ে ঐ বছর এ খাতের অবদান ২.৪০ শতাংশ ।

৯. বিদ্যুৎ , গ্যাস ও পানি : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান খুবই কম । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী জাতীয় আয়ে ঐ বছর এ খাতের অবদান ১.৬০ শতাংশ ।

১০. খনিজ ও খনন : বাংলাদেশে জাতীয় আয়ে খনিজ ও খনন খাতের অবদান অতি নগণ্য । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী এ খাতের অবদান ১.৩০ শতাংশ ।

১১. শিক্ষা : বাংলাদেশে জাতীয় আয়ে শিক্ষাখাতের অবদান খুবই কম । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী এ খাতের অবদান মাত্র ২.৭৬ শতাংশ ।

১২. কমিউনিটি , সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবা : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত । ২০০৯ ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান ৬.৮৪ শতাংশ ।

১৩. আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান খুবই সামান্য । ২০০৯ – ২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী এ খাতের অবদান ১.৯০ শতাংশ ।

১৪. লোক প্রশাসন ও প্রতিরক্ষা : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের এটিও একটি গুরুত্বপূর্ণ খাত । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী জাতীয় আয়ে এ খাতের অবদান ৩.০২ শতাংশ ।

১৫. হোটেল ও রেস্তরাঁ : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে এ খাতে অবদান অতি নগণ্য । ২০০৯-২০১০ সালের হিসাব অনুযায়ী এ খাতের অবদান ০.৭২ শতাংশ ।

উপসংহার : জাতীয় আয়ের উক্ত ১৫ টি খাতই গুরুত্বপূর্ণ । উক্ত খাতের বাহিরে তেমন উল্লেখযোগ্য কোন খাত নেই । সুতরাং উক্ত ১৫ টি খাতই জাতীয় আয়ের উৎস ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!