ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

✍️ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( WTO ) বাণিজ্য ব্যবস্থায় প্রাপ্ত ১০ টি সুবিধা কী কী ?

[ad_1]

✍️ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( WTO ) বাণিজ্য ব্যবস্থায় প্রাপ্ত ১০ টি সুবিধা কী কী ?

উত্তর : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার বাণিজ্য ব্যবস্থায় প্রাপ্ত ১০ টি সুবিধাসমূহ হলো :

১. বাণিজ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠা ।

২. কার্যকরভাবে সমস্যার সমাধান ।

৩. নীতিমালা সবার জীবনকে সহজতর করে তুলেছে ।

৪. উন্মুক্ত বাণিজ্য জীবনধারণের ব্যয় হ্রাস করেছে ।

৫. এ বাণিজ্য ব্যবস্থা পণ্য ও পণ্যের গুণাবলি সম্পর্কে অধিকতর বেশি পছন্দের সুবিধা ও সুযোগ প্রদান করেছে ।

৬. বাণিজ্যের আয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

৭. এ বাণিজ্য ব্যবস্থা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিকে ত্বরান্বিত করছে ।

৮. মৌলিক নীতিমালা জীবনের দক্ষতা বৃদ্ধি করেছে ।

৯. রাষ্ট্রপ্রধানরা অন্য রাষ্ট্রের তোষামদি থেকে নিজেদের আত্মরক্ষা করতে পারছে ও

১০. এ বাণিজ্য ব্যবস্থা একটি উত্তম রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থা তৈরিতে উৎসাহ প্রদান করছে ।

✍️ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( WTO ) চুক্তির মূল বিষয়সমূহ কী কী ?

উত্তর : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার চুক্তির মূল বিষয়সমূহ নিম্নরূপ :

১. WTO হিসাবে চুক্তির রূপান্তর ।

৩. কৃষির উন্নয়ন ।

২. ১৯৪৭ – ৯৪ পর্যন্ত GATT হিসেবে পরিচিতি ।

৪. স্যানেটারি সুবিধা ।

৫. বস্ত্র ও পোষাক ।

৭. বাণিজ্য সংক্রান্ত পুঁজি বিনিয়োগ ।

৯. শুল্ক মূল্যায়ন ।

৬. বাণিজ্য কৌশলগত বাধা দূরীকরণ ।

৮. এন্টিডাম্পিং ( Antidumping ) ।

১০. প্রাক জাহাজীকরণ পরীক্ষা ।

১২. সাবসিডি ও তৎসংক্রান্ত বিষয়াদি ।

১৪. পরিসেবা ।

১১. আমদানি লাইসেন্স প্রক্রিয়া ।

১৩. নিরাপত্তা ।

১৫. বাণিজ্য সম্পর্কিত মেধা স্বত্ত্ব ।

১৬. বিতর্ক অবসান ।

১৮. বেসামরিক বিমান ব্যবসা ।

১৭. বাণিজ্য নীতি পর্যালোচনা ।

১৯. সরকারি ব্যবস্থাদি ।

✍️ ও.আই.সিতে বাংলাদেশের ভূমিকা সম্পর্কে লিখ ।

উত্তর ৷ ও . আই . সিতে বাংলাদেশ নিম্নলিখিত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে :

১. মুসলিম বিশ্বের সংহতি রক্ষা করা ।

২. মুসলিম বিশ্বের সদস্যদের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সৌহার্দ্যবোধ সমুন্নত রাখা ।

৩. অভিন্ন সংস্কৃত চর্চায় সহযোগিতা করা ।

৪. পারস্পরিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে সহযোগিতা করা ।

৫. অমুসলিম দেশগুলোর মধ্যে সুসম্পর্ক বৃদ্ধি করা ।

৬. পরিবর্তিত বিশ্ব ব্যবস্থার সাথে মুসলিম বিশ্বের তাল মিলিতে চলা ।

৭. ফিলিস্তিনসহ বিশ্বের মুসলিমদের স্বাধিকার আদায়ে উদ্বুদ্ধ করা ।

৮. মুসলিম দেশগুলোর অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখা ।

৯. আন্তর্জাতিক শান্তি প্রতিষ্ঠাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভূমিকা । পরিশেষে বলা যায় যে , ও.আই.সিতে বাংলাদেশও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে ।

✍️ সাপটা ও সাফটার মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তর- ভুমিকা : সাপটা ( SAPTA ) ও সাফটা ( SAFTA ) একই রকম মনে হলেও এদের মধ্যে যথেষ্ট পার্থক্য বিদ্যমান । সাপটা ও সাফটার মধ্যে পার্থক্য : নিম্নে পার্থক্যগুলো দেয়া হলো :

১. সাপটা ( SAPTA ) এর ইংরেজি কথার পূর্ণরূপ হলো ” South Asian Preferential Trading Arrangement . ” অপরদিকে , সাফটা ( SAFTA ) এর ইংরেজি কথার পূর্ণরূপ হলো , ” South Asian Free Trade Area . “

২. সাপটা ( SAPTA ) এর বাংলা অর্থ হলো , ” দক্ষিণ এশীয় অধিকতর বাছাই করা বাণিজ্য বোঝাপড়া । পক্ষান্তরে , সাফটা ( SAFTA ) এর বাংলা অর্থ হলো ” দক্ষিণ এশীয় অবাধ বাণিজ্য অঞ্চল ।

৩. সাপটার ( SAPTA ) সাফল্য ” সাফটা ( SAFTA ) সম্পর্কে বাস্তবায়িত করবে ।

৪. সাপটায় ( SAPTA ) আংশিকভাবে বাণিজ্য শুল্ককে রেহাই দেবার কথা বলা হয়েছে । পক্ষান্তরে , সাফটা ( SAFTA ) তে বাণিজ্য পণ্য পুরোপুরিভাবে শুল্ক ছাড়ের আওতায় আনা হয়েছে ।

৫. সাপটাতে বর্তমানে ২২৪ টি পণ্যদ্রব্যের ক্ষেত্রেই সুবিধাজনক শর্তের ভিত্তিতে ১০ % শুল্ক ছাড়ের কথা বলা হয়েছে । অপরদিকে , সাফটাতে সামগ্রিক শুল্কের ছাড় সমস্ত বাণিজ্যিক লেনদেনের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য হবে । উপসংহার : সবশেষে বলা যায় যে , সাপটা চুক্তির প্রসার ঘটলে সাফটার উন্নয়ন ঘটবে । সাপটার উন্নয়নের উপর নির্ভর করে সাফটার উন্নয়ন । যেমন- সার্কের ৮ টি দেশের মধ্যে অভিন্ন অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে উঠবে । এ ব্যবস্থা কার্যকর হলে ৮ দেশেই আর্থিক দিক দিয়ে লাভবান হবে । এতে সাপটা ও সাফটার উন্নয়ন বৃদ্ধি পাবে । প্রশা ২৫৭ মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে ও.আই.সি কী কী পদক্ষেপ নেয়া প্রয়োজন বলে মনে করে ? উত্তর : মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য ও.আই.সি. গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে ।

মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে ও.আই.সি পদক্ষেপ : মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে ও.আই.সি এর পদক্ষেপ নিম্নে আলোচনা করা হলো :

১. জাতিসংঘে ভূমিকা : জাতিসংঘে ও.আই.সিকে একত্রে জোড়ালোভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে । প্রত্যেক সদস্য রাষ্ট্র যেন একই দৃষ্টিভঙ্গিতে তাদের দায়িত্ব পালন করে ।

২. নিরাপত্তা পরিষদে স্থায়ী সদস্যপদ : ও . আই . সিকে চেষ্টা করতে হবে এর সদস্য রাষ্ট্রসমূহের মধ্য থেকে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদ লাভ করার ।

৩. একতাবদ্ধ : মুসলিম দেশসমূহে যে কোন বহিঃশত্রুর আক্রমণের বিরুদ্ধে একযোগে সোচ্চার হয়ে ও.আই.সি সদস্যভুক্ত দেশসমূহকে কাজ করতে হবে ।

৪. আজ্ঞবাণিজ্য ব্যবস্থা : ইসলামিক অর্থনৈতিক বাজার ব্যবস্থা ও.আই.সিভুক্ত সদস্যসমূহের মাঝে চালু করতে হবে । এতে একপ্রকার আন্তঃবাণিজ্য ব্যবস্থা গড়ে উঠবে ।

৫. আরবলীগের সাথে সম্পর্ক : মুসলিম বিশ্বের অপর একটি শক্তিশালী সংগঠন আরবলীগের সাথে ও আই.সি একত্রে কাজ করে যেতে হবে । কারণ মৌলিক উদ্দেশ্য উভয়েরই এক ।

৬. অবাধ তথ্য প্রবাহ : মুসলিম বিশ্বের উন্নয়নের ও সমৃদ্ধির জন্য আগামী শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য ও.আই.সিভুক্ত দেশগুলোর আর্থসামাজিক , রাজনৈতিক ও সামাজিক তথ্য প্রবাহের ক্ষেত্রে অভিন্ন নীতি , কর্মসূচি ও অবস্থান গ্রহণ করতে হবে ।

৭. নিরাপত্তা জোট গঠন : মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণের জন্য নিরাপত্তা জোট গঠন করা একান্ত প্রয়োজন ।

৮. অমুসলিম দেশের সাথে সম্পর্ক : অমুসলিম দেশসমূহের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা দরকার ।

১0. শিক্ষা ও প্রযুক্তি : ও . আই . সি এর উন্নয়নের জন্য শিক্ষা ও প্রযুক্তির প্রসার ঘটানো প্রয়োজন ।

উপসংহার : সুতরাং মুসলিম বিশ্বের স্বার্থে সংরক্ষণে OIC -র ভূমিকা অনস্বীকার্য ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!