ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

✍️বাংলাদেশে মৎস্য আইন সংশোধন ও প্রণীত নতুন আইন কী ?

[ad_1]

✍️বাংলাদেশে মৎস্য আইন সংশোধন ও প্রণীত নতুন আইন কী ?

উত্তর : মৎস্য আইন সংশোধন ও নতুন আইন প্রণয়ন : মৎস্য অধিদপ্তর ও অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সহযোগিতায় মৎস্য সংরক্ষণ আইন বাস্তবায়নের মাধ্যমে পোনা মাছ ও জাটকা রক্ষা কারেন্ট জালের অর্ধেক ব্যবহার রোধ ডিমওয়ালা মাছ ধরা রোধ ইত্যাদি কার্যক্রম বাস্তবায়িত হচ্ছে , মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সরকারের জাল যার জাল তার নীতির বাস্তবায়নের নিমিত্তে সরকারি জলমহাল ব্যবস্থাপনা নীতিমালা ২০০৯ প্রণয়ন করা হয়েছে ।

এছাড়া মৎস্য উপখাতের উন্নয়ন কার্যক্রম ত্বরান্বিত করা , পরিবেশ সংরক্ষণ মানসম্মত মৎস্য ও মৎস্যখাদ্য উৎপাদন রপ্তানি বৃদ্ধি ইত্যাদি উদ্যোগ সামনে নিয়ে মৎস্য খাদ্য আইন ২০১০ মৎস্য ও চিংড়ি হ্যাচারি আইন ২০১০ ইতোমধ্যেই প্রণীত হয়েছে । জাটকার আকার পুনঃনির্ধারণ করে মৎস্য সংরক্ষণ আইন সংশোধন এবং মৎস্য ও মৎস্যজাত পণ্য বিধিমালা ১৯৯৭ সংশোধন কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে । এছাড়া জাতীয় চিংড়ি নীতিমালা প্রণয়নের কাজও চলছে ।

✍️প্রশাচ বাংলাদেশে খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের প্রধান প্রধান কলাকৌশলগুলো কী কী ?

উত্তর : উৎপাদনের ক্ষেত্রে বর্তমানের ধারাকে নতুন জ্ঞান ও প্রযুক্তি দিয়ে ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার দার উদ্ঘাটন করতে হবে । চাষাবাদ পদ্ধতিতে জেনেটিক পুনর্বিন্যাসে পূর্বে অপ্রচলিত ও নতুন প্রযুক্তিগত পদ্ধতি উদ্ভাবন করতে হবে । রোগ এবং ফসলের ক্ষতিকারক পোকা ও অন্যান্য কীটপতঙ্গ ধ্বংস করা । মৎস্য চাষ ব্যবস্থাপনার উন্নয়ন করা ।

★ ★★ বৃষ্টি নির্ভর কৃষির ক্ষেত্রে অধিক জমিকে আবাদের উপযোগী করে তোলা । * সেচ ব্যবস্থাধীন ক্ষেত্রে প্রতি ইউনিটে পানি সরবরাহের প্রবৃদ্ধি আনয়ন করতে হবে ।

✍️সরকার কর্তৃক কৃষি খাতে বাজেটের উপর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর : কৃষি খাতে বাজেট : দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি , দারিদ্র্য নিরসন ও জনগণের খাদ্য নিরাপত্তার নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে ২০১০-১১ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের অনুকূলে সংশোধিত বাজেটে মোট ৭৭৪৫.৪৬ কোটি টাকা ( অনুন্নয়ন খাতে ৬৬৯৭.১১ কোটি টাকা এবং উন্নয়ন খাতে ১০৪৮ ৩৫ কোটি টাকা ) বরাদ্দ রাখা হয় । দেশজ কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধির বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে কৃষকদের সহায়তা প্রদানের জন্য সার ও অন্যান্য কৃষি কার্যক্রমের ভর্তুকি বাবদ ৫০০০,০০ কোটি টাকা বরাদ্দ রয়েছে । ২০১০-১১ ভর্তুকি বাবদ বরাদ্দকৃত অর্থ হতে ১৫ মে , ২০১১ পর্যন্ত ৪৮৯৩.৫১ কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে । তাছাড়া কৃষি পুনর্বাসন সহায়তা বাবদ থেকে বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫৫.০০ কোটি টাকা । কৃষির উন্নয়নের জন্য সরকার স্বাভাবিক বরাদ্দের অতিরিক্ত হিসাবে কৃষিজাত সামগ্রী রপ্তানির ক্ষেত্রে ৩০ শতাংশ নগদ সহায়তা এবং কৃষিতে বিদ্যুৎ বিলে ২০ শতাংশ রিবেট এর সুবিধা রেখেছে , ডাল , তৈলবীজ এবং মসলার উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য কৃষি ঋণের সুদের হার ৮ শতাংশ থেকে হ্রাস করে ২ শতাংশ করা হয়েছে ।

✍️বার্ষিক উন্নয়ন কমসূচি ( ADP ) – এর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর : বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি ( এ ডি পি ) : চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন উন্নয়ন কর্মসূচিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন ফসল ও সেচ উপখাতে সর্বমোট ৬৪ টি উন্নয়ন প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত আছে । তন্মধ্যে জেডিসিএফভুক্ত ৮ টি সহ বিনিয়োগ প্রকল্প মোট ৬১ টি এবং কারিগরি সহায়তা প্রকল্প ৩ টি । উক্ত উন্নয়ন প্রকল্পের অনুকূলে সর্বমোট ১০৪৮.০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে । তন্মধ্যে স্থানীয় সম্পদের পরিমান ৯১৬.০০ কোটি – টাকা ( মোটের ৮৭.৪০ শতাংশ ) এবং প্রকল্প সাহায্য ১৩২.০০ কোটি টাকা ( মোটের ১২.৬০ শতাংশ ) । বর্তমানে অর্থবছরের মার্চ , ২০১১ পর্যন্ত এসব প্রকল্পের ব্যয় হয়েছে মোট ৫৩৬.২৭ কোটি টাকা , যা মোট বরাদ্দের ৫১ শতাংশ ।

উল্লেখ্য , ২০০৯-১০ অর্থ বছরের সংশোধিত বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মোট ৭৬ টি ( কম্পোনেন্টসহ ) প্রকল্পের অনুকূলে মোট ৯৬৭.৭৭ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছিল । রাজস্ব বাজেটের আওতায় উন্নয়ন কর্মসূচি চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে কৃষি মন্ত্রণালয়ের জন্য অনুন্নত বাজেটের আওতায় ৯৬ টি কর্মসূচির জন্য মোট ৩০০.৬৩ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে । বরাদ্দকৃত অর্থের মধ্যে মার্চ , ২০১১ পর্যন্ত ব্যয় হয়েছে ৮৪.১৯ কোটি টাকা , যা বরাদ্দকৃত অর্থের ৩৯ শতাংশ , উল্লেখ্য , ২০০৯-১০ অর্থবছরের রাজস্ব বাজেটের অর্থায়নে কৃষি মন্ত্রণালয়ের মোট ৬৬ টি কর্মসূচি বাস্তবায়িত হয় । উক্ত ৬৬ টি কর্মসূচির জন্য ২০০৯-১০ অর্থবছরে সংশোধিত রাজস্ব ৰাজেটে মোট ৩২৩.২১ কোটি টাকা বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছিল ।

✍️ বাংলাদেশের সরকার কর্তৃক কৃষি খাতে কৃষি ঋণ ব্যবস্থার উপর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর : বাংলাদেশের কৃষি ভরণপোষণ পর্যায়ে পরিচালিত হচ্ছে বিধায় প্রয়োজনীয় উপকরণ হিসাবে কৃষি ঋণ একটি ভিন্ন মাত্রার গুরুত্ব বহন করে । দেশের খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার তথা সার্বিক আর্থ – সামাজিক উন্নয়নে কৃষি পাত এবং পল্লি অঞ্চলের ভূমিকা সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে কৃষি ও পল্লি ঋণ – এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ । এ প্রেক্ষিতে ব্যাংক ও অর্থলগ্নীকারী প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে । প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষি ঋণ কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে সম্প্রতি বেসরকারি ও বিদেশি ব্যাংকসহ বাংলাদেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংককে কৃষি ঋণ কার্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার পাশাপাশি কৃষি ঋণ বিতরণ সহজতর করে ২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থবছরে বর্ধিত কলেবরে কৃষি / পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রণয়ন করা হয়েছে । ২০০৯-১০ অর্থ বছরে ১১৫১২.৩০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রায় বিপরীতে ১১১১.৬৮৮ কোটি টাকা বিতরণ করা হয়েছিল ।

২০১০-১১ অর্থবছরে বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক , রাজশাহী কৃষি উন্নয়ন ব্যাংক , চারটি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন ব্যাংক , বিআরডিবি , বাংলাদেশে সমবায় ব্যাংক লিঃ এবং বেসরকারি ও বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংকসমূহের মাধ্যমে মোট ১২৬১৭.৪০ কোটি টাকা কৃষি ঋণ বিতরণ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় । যার মধ্যে চলতি অর্থবছরে মার্চ , ২০১১ পর্যন্ত বিতরণ করা হয়েছে ৯১৫৪.৭০ কোটি টাকা যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতকরা ৭২.৫৬ শতাংশ ।

✍️ কৃষির উপখাতসমূহ কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশে কৃষিখাতের উপখাত চারটি । যথা :

১. শস্য উপখাত ,

২. বনজ সম্পদ খাত ;

৩. পশু সম্পদ উপখাত এবং

৪. মৎস্য সম্পদ উপখাত ।

১. শস্য উপখাত : কৃষিতে বিভিন্ন প্রকার শস্য উৎপাদনের খাতকে কৃষির শস্য উপখাত বলা হয় । এটাই কৃষির বৃহত্তম উপখাত । ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে জি.ডি.পি.তে কৃষিখাতের মোট অবদান ছিল ২০.২৯ % । তন্মধ্যে শস্য উপখাতের অবদান ছিল ১১.৪২ % । অর্থাৎ কৃষিখাতের প্রায় অর্ধেক শস্য উপখাতে উৎপাদিত হয় ।

২. বনজ সম্পদ উপখাত : বাংলাদেশে বনজ সম্পদকে কৃষির একটি উপখাত বিবেচনা করা হয় । ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে জি.ডি.পি.তে বনজ সম্পদ উপখাতের অবদান ছিল ১.৭৩ % । অর্থাৎ কৃষিখাতের মোট উৎপাদনের ৮.৫২ % উৎপাদিত হয় বনজ সম্পদ উপখাতে ।

৩. পশু সম্পদ উপখাত : গবাদি পশু , হাঁস – মুরগি ইত্যাদিকে কৃষির একটি উপখাত বিবেচনা করা হয় । ২০০৯ ২০১০ অর্থবছরে জি.ডি.পি.তে পশু সম্পদ উপখাতের অবদান ছিল ২.৬৫ % । অর্থাৎ কৃষিখাতের মোট উৎপাদনের ১৩.০৬ % উৎপাদিত হয় পশু সম্পদ উপখাতে ।

৪. মৎস্য সম্পদ উপখাত : বাংলাদেশে মৎস্য উৎপাদন খাতকে কৃষিখাতের একটি উপখাত বিবেচনা করা হয় । ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে জি.ডি.পি.তে মৎস্য সম্পদ উপখাতের অবদান ছিল ৪.৪৯ % । অর্থাৎ কৃষিখাতে মোট উৎপাদনের ২২.১২ % উৎপাদিত হয় উপখাতে ( সারণি ) সারণি : খাত ২০০৮-০৯ উৎপাত ২০০৯-১০ ২০০০-০৬ ১. কৃষি ও বনজ ক . শস্য ও শাক সবজি ১২.২৮ ১১.৪৩ ১১.৪২ খ . প্রাণী সম্পদ ২.৯২ 2.73 গ . বনজ সম্পদ ১.৭৯ ১.৭৫ ১.৭৩

[উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা ২০১১]

✍️ বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের উপর একটি সংক্ষিপ্ত টীকা লিখ ।

উত্তর : অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ : গত ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারিভাবে মোট খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল ১৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন ( চাল ১৫ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ০.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন । ) লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চাল ও গম সংগৃহীত হয়েছিল যথাক্রমে ৭.৫৭ এবং ০.৪৮ লক্ষ মেট্রিক টন । চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেটে অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে ১৬ লক্ষ মেট্রিক টন ( চাল ১৫ লক্ষ ) মেট্রিক টন এবং গম ১ লক্ষ মেট্রিক টন ) । জুলাই ২০১০ থেকে অক্টোবর ২০১০ সাল পর্যন্ত বোরো ফসল থেকে ২.৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে । খাদ্য পরিকল্পনা ও মনিটরিং কমিটির সভার সিদ্ধান্তানুসারে সরকার আমন মৌসুমে অভ্যন্তরীণভাবে ধান / চাল সংগ্রহ না করার সিদ্ধান্ত নেয় । ফলে , অভ্যন্তরীণভাবে চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে চলতি অর্থবছরে সংগৃহীত ২.৯৫ লক্ষ মেট্রিক টন ছাড়াও আরো ৬ লক্ষ মেট্রিক টন আসন্ন বরো ফসল থেকে সংগ্রহণ করা হবে এবং লক্ষ্যমাত্রার বাকি ৬.০৫ লক্ষ মেট্রিক টন আমদানির মাধ্যমে পূরণ করার কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে ।

✍️ সরকারি খাতে কৃষি ক্ষেত্রে খাদ্যশস্য আমদানি এবং বিতরণের উপর একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর : সরকারি খাতে খাদ্যশস্য আমদানি ২০১০-১১ অর্থবছরে নিজস্ব সম্পদে ১২.৮৬ লক্ষ মেট্রিক টন চাল ও ৯.১২ লক্ষ মেট্রিক টন গম আমদানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ১০.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন চাল ৫.৩১ লক্ষ মেট্রিক টন । সরকারি আমদানি ৫.২৮ লক্ষ মেট্রিক টন ও খাদ্য সাহায্য ০.০৩ লক্ষ মেট্রিক টন ) গম ৫.২৪ লক্ষ মেট্রিক টন সরকারি আমদানি ৩.৭৮ লক্ষ মেট্রিক টন ও খাদ্য সাহায্য ১.৪৬ লক্ষ মেট্রিক টন ) ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারি খাতে আমদানির পরিমাণ ছিল মোট ৫.৫৬ লক্ষ মেট্রিক টন ( চাল ০.৫৫ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ৫.০১ লক্ষ মেট্রিক টন ) ।

সরকারি খাদ্যশস্য বিতরণ : সরকার পাবলিক ফুড ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম ( পিএফডিএস ) বিভিন্ন নির্ধারিত আয়ের সরকারি কর্মচারী ও নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য খাদ্য সহায়তা দিয়ে থাকে । এর আওতায় আর্থিক খাতে ( ওএমএস , ফেয়ার প্রাইজ কার্ড , ৪ র্থ শ্রেণী কর্মচারী , মুক্তিযোদ্ধা , গার্মেন্টস শ্রমিক ও অন্যান্য ) এবং সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনী বা অনার্থিক খাতে ( কাজের বিনিময়ে খাদ্য ( কাবিক্ষা ) , টিআর , ভিজিএফ , ভিজিডি , জিআর ও অন্যান্য ) খাদ্যশস্য বিতরণের সংস্থান রাখা হয় । চলতি ২০১০-১১ অর্থবছরে বাজেটে সরকারিভাবে ২৭.২৯ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণের সংস্থান রাখা হয়েছে । তন্মধ্যে ৫.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন ( চাল ৫.০০ লক্ষ মেট্রিক টন এবং গম ০.৫০ লক্ষ মেট্রিক টন ) খাদ্যশস্য ও এমএস / নায্য মূল্য কার্ড / পোশাক শিল্প ইত্যাদি মূল্য নিয়ন্ত্রণমূলক খাতে বিতরণের জন্য নির্ধারিত আছে । চলতি অর্থবছরে ১৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আর্থিক খাতে মোট ৫.৩৭ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে এবং অনার্থিক খাতে ২.৯৬ লক্ষ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য বিতরণ করা হয়েছে । মোট বিতরণের পরিমাণ ৮.৩৩ লক্ষ মেট্রিক টন ।

✍️খাদ্যশস্য ও অর্থকরী ফসলের মধ্যে পার্থক্য কী ?

উত্তর : খাদ্যশস্য এবং অর্থকরী ফসলের মধ্যে পার্থক্য : বাংলাদেশে উৎপাদিত বিভিন্ন কৃষিজাত শস্যকে প্রধানত দু ভাগে ভাগ করা যায় । যথা : খাদ্য শস্য : কৃষি থেকে উৎপাদিত শস্যের মধ্যে যেসব শস্য মানুষের খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করা হয় সেসব শস্যকে খাদ্যশস্য বলা হয় । এসব শস্য বাজারে বিক্রি করে এবং এ খাদ্যশস্য সাধারণত অভ্যন্তরীণ ভোগের চাহিদা মিটাতে ব্যবহার করা হয় এবং এগুলো বিদেশে রপ্তানি করা হয় না । অবশ্য রপ্তানি করার উদ্দেশ্য আমাদের দেশে খাদ্য শস্য উৎপাদন করা হয় না । অভ্যন্তরীণ চাহিদা মেটানোর পর যদি কিছু উদ্বৃত্ত থাকে তাহলে তা বিদেশে রপ্তানি করা হয় ।

তবে এক্ষেত্রে অর্থের বাসনা বেশি একটা কাজ করে না । বাংলাদেশে উৎপাদিত খাদ্যশস্যেগুলোর মধ্যে চাল , গম , ডাল , ভূট্টা , আলু , তৈলবীজ , ময়দা ও ফলমূল ইত্যাদি প্রধান । অর্থকরী ফসল : যেসব শস্য সাধারণত মুনাফা অর্জনের পক্ষে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে উৎপাদন করা হয় সেগুলোকে অর্থকরী ফসল বলা হয় । এসব শস্য বাজারে বিক্রি করে উৎপাদনকারিগণ অর্থ উপার্জন করে । তাছাড়া এসব শস্য বিদেশে রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয় । এসব শস্যকে বাণিজ্যিক ফসলও বলা হয় । বাংলাদেশে পাট , চা , ইক্ষু , তামাক , রেশম , রবার প্রভৃতি প্রধান অর্থকরী ফসল ।

উল্লেখ্য যে , কোন কোন ফসল ব্যবহারের তারতম্য অনুযায়ী খাদ্যশস্য বা অর্থকরী ফসল হিসেবে গণ্য হতে পারে । যেমন- ইক্ষু , চা ইত্যাদি ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!