ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

লেনদেন ভারসাম্যে প্রতিকূলতা দূরীকরণের উপায় বর্ণনা কর ।

প্রশ্নঃ লেনদেন ভারসাম্যে প্রতিকূলতা দূরীকরণের উপায় বর্ণনা কর ।

উত্তর ভূমিকা : বর্তমান প্রযুক্তিগত বিশ্বে সভ্যতার ক্রমবিকাশের সাথে সাথে আন্তর্জাতিক লেনদেনের গুরুত্ব ক্রমান্বয়ে বৃদ্ধি পাচ্ছে । আন্তর্জাতিক লেনদেনের ক্ষেত্রে একটি দেশ বিশ্বের অন্যান্য দেশের সাথে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান পণ্যসামগ্রী ও সেবাকর্ম আমদানি ও রপ্তানি করে । যখন রপ্তানি অপেক্ষা আমদানি বেশি হয় তখন লেনদেন ভারসাম্যহীন দেখা যায় । বাংলাদেশে লেনদেন ভারসাম্য দীর্ঘকাল যাবৎ একরকম প্রতিকূল অবস্থার সম্মুখীন ।

লেনদেন ভারসান্যে প্রতিকূলতা দূরীকরণের উপায় : নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো ।

১ . নিয়ন্ত্রণ : মুদ্রাস্ফীতি বাড়লে দ্রব্যের দাম বৃদ্ধি পায় । তাই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হলে উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পাবে , রপ্তানি বাড়বে এবং লেনদেনে ভারসাম্যহীনতা দূর হবে ।

২. সুদের হাঙ্গো পরিমিত হ্রাস : সুদের হার হ্রাস করলে উৎপাদন ব্যয় পূর্বের তুলনায় কমে যায় । বিদেশি বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগ করতে উৎসাহী হয় ও ফলে উৎপাদনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায় । ফলে রপ্তানি বৃদ্ধির সম্ভাবনাময় সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং লেনদেন ভারসাম্য ত্বরান্বিত হবে ।

৩. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস : আমাদের রপ্তানীকৃত পণ্যের দাম হ্রাস করে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে চাহিদা বাড়ানো সম্ভব । এর ফলে রপ্তানি বৃদ্ধির সাথে সাথে লেনদেন ভারসাম্যের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে ।

৪. ৰাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন : বিশ্বের বিভিন্ন দেশের সাথে বাণিজ্য চুক্তির মাধ্যমে বিশ্ব বাজারে প্রব্যের বিশাল বাজার সৃষ্টি করে এবং সেই অনুপাতে রপ্তানি বৃদ্ধি পেলে লেনদেন ভারসাম্য হ্রাস পাবে ।

৫. চোরাচালান প্রতিরোধ: লেনদেন ভারসাম্যের প্রতিকূলতা দূরীকরণের অন্যতম উপায় হচ্ছে কঠোর হে চোরাচালান প্রতিরোধ বা দমন করা ।

৬. সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণ : বিশ্বের বৃহৎ প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে সহজ শর্তে ঋণ গ্রহণ করে এর উপযুক্ত ব্যবহার নিশ্চিত করার মাধ্যমে উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি করে লেনদেন ভারসাম্যর প্রতিকূল অবস্থার উন্নয়ন সাধন করা সম্ভব ।

৭. বিলাসজাত দূন্যের আমদানি নিষিদ্ধ : বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে বিভিন্ন ধরনের বিলাসজাত পণ্য আমদানি করা হয়ে থাকে । এসব দ্রব্যের আমদানি নিষিদ্ধ আরোপের মাধ্যমে আমদানিতে ব্যাঘাত সৃষ্টি করতে পারলে বৈদেশিক মুদ্রার অযথা অপচয় রোধ করা যাবে । ৮. ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের মানোন্নয়ন বাংলাদেশ হতে উৎপাদিত ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের বিশ্ব বাজারে যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে । এ শিল্পের কারিগরদের দক্ষ কারিগরে পরিণত করার মাধ্যমে কুটিরশিল্পের উন্নয়ন ঘটলে ভবিষ্যৎ রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে এবং লেনদেন ভারসাম্য সৃষ্টি হবে ।

৯. রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি : উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির মাধ্যমে যদি রপ্তানি বৃদ্ধি করা সম্ভব হয় তাহলে লেনদেন বাণিজ্যের ভারসাম্য সৃষ্টি হবে ।

১০. রপ্তানি হ্রাস : বাংলাদেশে রপ্তানি শুল্ক হ্রাসের মাধ্যমে লেনদেন ভারসাম্যের ব্যবধানকে অনেকটা কমিয়ে আনা সম্ভব ।

১১. শিথিল ঋণদান পদ্ধতি : শিথিল ও সহজ শর্তে ঋণদান করলে রপ্তানিকারিগণ রপ্তানিতে উৎসাহিত হবে এবং তারা অধিক উৎপাদনে মনোযোগী হবে । এর ফলে রপ্তানি বৃদ্ধি পাবে এবং লেনদেন ভারসাম্যের ব্যবধান হ্রাস পাবে ।

১২. খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন : বাংলাদেশে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণ খাদ্য ঘাটতি মোকাবিলার জন্য প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা ব্যয় হয় । যদি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করা যায় , সেক্ষেত্রে আমদানি ব্যয় হ্রাস পাবে । ফলে লেনদেন ভারসাম্যহীনতা দূর হবে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে , আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার জন্য উপর্যুক্ত ব্যবস্থা ছাড়াও তৈরি পোশাক , শিল্পখাত , হিমায়িত খাদ্য , চিংড়ি , নিটওয়্যার , কৃষি প্রক্রিয়াজাত পণ্য , হস্তশিল্প ও পাটজাত দ্রব্য প্রভৃতি সম্ভাবনাময় খাত সংস্কারের মাধ্যমে দ্রুত ও পরিকল্পিতভাবে উন্নয়ন সাধনের দ্বারা রপ্তানি বৃদ্ধি করতে হবে । সেই সাথে অপ্রয়োজনীয় ও বিলাসজাত দ্রব্যের আমদানি কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করতে হবে । এভাবে আমদানি ও রপ্তানির হ্রাসবৃদ্ধির মাধ্যমে ভবিষ্যতে লেনদেন ভারসাম্য অর্জন করা সম্ভব হবে ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!