ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃতি ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি এখনো কোন মারাত্মক পর্যায়ের দিকে ধাবিত হয় নি । সাধারণত কোন মুদ্রাস্ফীতির হার দুই অঙ্কের হলে কিছুটা উদ্বেগের কারণ হয় । বাংলাদেশের বর্তমান মুদ্রাস্ফীতি শতাংশের উপরে । বাংলাদেশে যে ধরনের মুদ্রাস্ফীতি পরিলক্ষিত হয় তা ব্যয় ধাক্কা মূল্যস্ফীতি ও চাহিদা টান মুদ্রাস্ফীতি বলে পরিচিত । সঠিক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি সন্তোষজনক পর্যায়ে রাখা উচিত । তবে বাংলাদেশে বর্তমানে যে ধরনের মুদ্রাস্ফীতি আছে তা উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে উদ্বেগের কারণ নয় ।

বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃতি : কোন কারণে সমাজে আয় বৃদ্ধি পেলে ব্যয় বৃদ্ধি পায় । ফলে দ্রব্যের চাহিদা বৃদ্ধি পায় । এভাবে মোট চাহিদা মোট যোগানের অতিরিক্ত হয়ে গেলে দামস্তরের যে বৃদ্ধি ঘটে তাকে চাহিদা বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে । পক্ষান্তরে , উৎপাদনের উপকরণের দাম বৃদ্ধির ফলে দাম স্তরের যে বৃদ্ধি ঘটে তাকে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধিজনিত মুদ্রাস্ফীতি বলে ।

জাতীয় পর্যায়ের ভোক্তার মূল্যসূচক ও মুদ্রাস্ফীতি : বাংলাদেশে মুদ্রাস্ফীতির হার ধারাবাহিকভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে । নিম্নে সারণির মাধ্যমে মুদ্রাস্ফীতির প্রকৃতির হার দেখানো হলো :

২০০৭-০৮ = ৯.৯৩ মুদ্রাস্ফীতির হার

২০০৮-০৯ = ৬.৬৬ মুদ্রাস্ফীতির হার

২০০৯-১০ = ৭.৩১ মুদ্রাস্ফীতির হার

২০১০-১১ = ৮.২৭ মুদ্রাস্ফীতির হার

উৎস : অর্থনৈতিক সমীক্ষা – ২০১১-১২

উপরের সারণিতে দেখা যাচ্ছে যে , ২০১১-১২ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতির পরিমাণ সর্বাধিক । উক্ত সময়ে একদিকে বেসরকারি খাতে ঋণ ও সরকারি কর্মচারীদের বেতন বৃদ্ধির ফলে জনগণের আয় ও চাহিদা বৃদ্ধি পায় । অন্যদিকে , বন্যার কারণে ফসলের উৎপাদন হ্রাস এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির কারণে উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি পায় । ২০১১-১২ অর্থবছরে মুদ্রাস্ফীতির হার বৃদ্ধি পেয়ে শতকরা ২১.৬৬ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে । দেশে বিনিয়োগ , অর্থনৈতিক তৎপরতা ও খাদ্যশস্যের মূল্য হ্রাসের কারণে এমনটি ঘটেছে । বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক কর্মতৎপরতা হ্রাসের কালে সৃষ্ট এ ধরনের স্থবিরতা আদৌ বাঞ্ছনীয় নয় । বিনিয়োগ ও উন্নয়নের গতি বৃদ্ধি পেলে বাংলাদেশের মূল্যস্তর বেড়ে যেতে পারে ।

বাংলাদেশে ব্যয় ধাক্কা মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টির অন্যতম কারণ হলো জ্বালানি ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধি । চাহিদা টান মুদ্রাস্ফীতির মূল কারণ হলো টাকার অবমূল্যায়ন , ব্যাংক ঋণ বৃদ্ধি , সরকারি কর্মকর্তা কর্মচারীর বেতন বৃদ্ধি ইত্যাদি । তবে বাংলাদেশে বর্তমানে যে মুদ্রাস্ফীতি বিরাজমান রয়েছে তা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে খুব মারাত্মক কিছু নয় । তবে মুদ্রাস্ফীতির হার যাতে ১০ – এ উন্নীত হতে না পারে সে ব্যাপারে সতর্ক থাকা উচিত । কারণ মুদ্রাস্ফীতির শতকরা হার ১০ বা ততোধিক হলে অর্থনীতির জন্য উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়ায় ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে , বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি পরিমাণ ক্রমবর্ধমান । যা দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শুভ লক্ষণ নয় ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!