ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্ৰশ্নঃ বাংলাদেশে বেসরকারি সঞ্চয় বৃদ্ধির উপায়গুলো বর্ণনা কর ।

[ad_1]

প্ৰশ্নঃ বাংলাদেশে বেসরকারি সঞ্চয় বৃদ্ধির উপায়গুলো বর্ণনা কর ।

উত্তর। ভূমিকা : বেসরকারি সঞ্চয় বৃদ্ধির দ্বারাই কেবল বৈদেশিক সাহায্যের উপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে স্বনির্ভরতা অর্জন সম্ভব । নিম্নে এজন্য কতকগুলো পদক্ষেপ নেয়ার জন্য সুপারিশ করা হলো :

১. মেয়াদি আমানত বৃদ্ধি করা : বাংলাদেশের মোট বেসরকারি সঞ্চয়ের ৩০ ভাগই মেয়াদি আমানত থেকে আসে । দেশে মেয়াদি আমানত সৃষ্টির জন্য যথেষ্ট আর্থিক প্রতিষ্ঠান আজও গড়ে উঠে নি । এছাড়া যেসব স্থানে আর্থিক প্রতিষ্ঠান আছে সেখানে মেয়াদি আমানতের প্রতি আস্থাশীল হওয়ার জন্য জনগণকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে । বিভিন্ন প্রকার ঋণপত্র , শেয়ার , ডিবেঞ্চার , ডাকঘর সঞ্চয় হিসাব , প্রতিরক্ষা সঞ্চয়পত্র , Provident fund ও বিভিন্ন বীমা সংস্থার কার্যক্রমকে বিস্তৃত করে পর্যাপ্ত মেয়াদি ও সঞ্চয়ী আমানত সংগ্রহ দ্বারা বেসরকারি সঞ্চয় বৃদ্ধি করা সম্ভব ।

২. গ্রামীণ সঞ্চয় সংগ্রহ : গ্রামীণ মানুষের সঞ্চয় অনুৎপাদনশীল ও নিষ্ক্রিয় । তাই বাণিজ্যিক ব্যাংক , কৃষি ব্যাংক , ডাকঘর ও সমবায় ব্যাংক প্রভৃতি প্রতিষ্ঠানসমূহের মাধ্যমে যথেষ্ট সঞ্চয় সংগ্রহ করা প্রয়োজন । প্রয়োজনে প্রতিষ্ঠানসমূহের শাখা – প্রশাখা বৃদ্ধি করতে হবে । এজন্য ভ্রাম্যমান ব্যাংকিং ব্যবস্থা দ্বারা সঞ্চয় সংগ্রহ করা যেতে পারে ।

৩. সঞ্চয় বৃদ্ধিতে উৎসাহ দান : দেশের জনগণের ব্যক্তিগত সঞ্চয় বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজন যথেষ্ট উৎসাহ প্রদান । সঞ্চয়ের সুফল এবং ভবিষ্যৎ জীবন সম্পর্কে সজাগ করার জন্য বিভিন্ন বিজ্ঞাপন , বেতার ও টেলিভিশন সম্প্রচার ব্যবহার করা প্রয়োজন । বিনিয়োগের সুবিধা বৃদ্ধি করা এবং মুদ্রাস্ফীতির সাথে সামঞ্জস্য রেখে উচ্চ সুদের হার প্রদান করা প্রয়োজন ।

৪. শিক্ষার উন্নয়ন : শিক্ষিত জনশক্তি সচেতন । শিক্ষিতরা তাদের ভবিষ্যৎ আয় ও জীবনযাত্রা সম্পর্কে পূর্বপরিকল্পনা গ্রহণ করে । তাই শিক্ষাব্যবস্থা উন্নয়ন দ্বারা সঞ্চয় বৃদ্ধি সম্ভব ।

৫. মূলধন বাজার সৃষ্টি : ব্যাংকিং ব্যবস্থা ছাড়াও সঞ্চয় বৃদ্ধির জন্য একটি মূলধন বাজার সৃষ্টি আবশ্যক । এজন্য আকর্ষণীয় মুনাফাসহ সরকারি সিকিউরিটি ও সুবিধা প্রদান করা যেতে পারে । এছাড়া মিউচুয়াল ফান্ড , বিনিয়োগ ট্রাস্ট সার্টিফিকেট বিক্রয় এবং বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ারকে শুধুমাত্র ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ছাড়াও দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে ক্রয়বিক্রয়ের ব্যবস্থা করলে যথেষ্ট বেসরকারি সঞ্চয় সংগ্রহ করা যেতে পারে ।

৬. দেশীয় বীমা কোম্পানি : বাংলাদেশের বীমা ব্যবস্থা আজও অপরিচিত । বিভিন্ন ধরনের বীমা যেমন- শস্য বীমা , স্বাস্থ্য বীমা , এক্সপোর্ট , ক্রেডিট গ্যারান্টি স্কীম , জনতা বীমা , গবাদিপশু বীমা , মটর বীমা , শিক্ষা বীমা , বিবাহ বীমা ও পেনশন স্কীম ইত্যাদি গ্রহণ করা সম্ভব ; কিন্তু যথোপযুক্ত সম্প্রচারের অভাবে জনগণ এ ব্যবস্থাগুলো সম্পর্কে অবহিত নয় ।

উপসংহার : এসব ব্যবস্থার সুফল জনগণকে অবহিত করতে হবে যাতে সামর্থ্যবান ব্যক্তিগণ বীমা গ্রহণ করে সঞ্চয় বৃদ্ধিতে অবদান রাখতে পারে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!