ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

প্রশ্নঃ সরকারি ঋণ কী ? বাংলাদেশে সরকারি ঋণের প্রয়োজনীয়তা কী ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ সরকারি ঋণ কী ? বাংলাদেশে সরকারি ঋণের প্রয়োজনীয়তা কী ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশের বর্তমান অবস্থায় সরকারি ঋণের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্ব অস্বীকার করার উপায় নেই । বর্তমান অবস্থায় সরকারের রাজস্ব আয়ের দ্বারা উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যয় সংকুলন সম্ভব হচ্ছে না । ফলে সরকারকে বাধ্য হয়ে দেশ ও বিদেশ থেকে ঋণ সংগ্রহ করতে হচ্ছে । সরকারি ঋণ : দেশের অভ্যন্তরে জনগণ , বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যাংকের নিকট থেকে অথবা বিদেশি নাগরিক , প্রতিষ্ঠান বা সরকারের নিকট থেকে যখন একটি সরকার ঋণ গ্রহণ করে তখন ঐ ঋণকে সরকারি ঋণ বলা হয় । সরকারি ঋণ সরকারের রাজস্ব বহির্ভূত আয়ের একটি বিশেষ উৎস । যখন সরকারের বাজেটের মোট রাজস্ব আয় থেকে ব্যয় বেশি হয় তখন ঘাটতি পূরণের জন্য সরকারের সম্মুখে একটি পন্থা হচ্ছে সরকারি ঋণ ।

বাংলাদেশ সরকারের ঋণের প্রয়োজনীয়তা : বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশে নিম্নোক্ত কারণে সরকারি ঋণ গ্রহণ করা সমর্থন করা যায় ।

১. জরুরি অবস্থার মোকাবিলা : প্রাকৃতিক দুর্যোগ , মহামারি ইত্যাদি কারণে যখন জরুরি অবস্থার সৃষ্টি হয় তখন রাতারাতি করারোপ করাও যায় না এবং রাজস্ব আদায়ের অনুরূপ পরিবেশও থাকে না । এমতাবস্থায় জরুরি অবস্থা মোকাবিলা করার জন্য সরকারি ঋণ গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত হয় ।

২. বাণিজ্য চক্র নিয়ন্ত্রণ : মন্দার সময় অর্থনীতিতে চাহিদার অভাব হয় । ঐ সময় সরকার ঋণ গ্রহণ করে সরকারি ব্যয় বাড়ালে বাজারে চাহিদার সঞ্চার হয় এবং মন্দাভাব অনেকটা কাটে । আবার যখন অর্থনীতিতে তেজিভাব দেখা দেয় তখন বাজারে চাহিদার আধিক্য হয় । ঐ সময় সরকারি ঋণের মাধ্যমে জনগণের অতিরিক্ত ক্রয়ক্ষমতা উঠিয়ে নিলে মুদ্রাস্ফীতি অনেকটা প্রশমিত হয় । অতএব বাণিজ্য চক্র নিয়ন্ত্রণের উদ্দেশ্যে সরকারি ঋণ সমর্থন করা যায় ।

৩. সামরিক বাজেট ঘাটতি পূরণ : অনেক সময় সরকারের অনুমিত আয় বাস্তবায়িত হয় না । ফলে এমন সময় বাজেট ঘাটতি দেখা দেয় যখন নতুন করারোপ সম্ভব নয় । ঐ সময় সাময়িক সংকট কাটিয়ে উঠার উদ্দেশ্যে সরকারি ঋণ গ্রহণ করা সমর্থন করা যায় ।

৪. অর্থনৈতিক উন্নয়ন : অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য যে পরিমাণ সঞ্চয় ও বিনিয়োগ প্রয়োজন তা বাংলাদেশে আয়ের স্বল্পতার কারণে স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৃষ্টি হচ্ছে না । কিন্তু উন্নয়ন ত্বরান্বিত করার উদ্দেশ্যে আর্থসামাজিক অবকাঠামা নির্মাণে ও ভারী শিল্প স্থাপনে সরকারি খাতে বিপুল পরিমাণ বিনিয়োগ প্রয়োজন । এ বিনিয়োগের জন্য সরকারের রাজস্ব উদ্বৃত্ত পর্যাপ্ত নয় বিধায় দেশের ভিতর থেকে বা বিদেশে থেকে সরকারি ঋণ গ্রহণ করা যুক্তিযুক্ত ।

উপসংহার : উপরে বর্ণিত বিভিন্ন উদ্দেশ্যে সরকারি ঋণ গ্রহণ করা হয়ে থাকে । তবে সরকারি ঋণের সুদ যদি বেশি হয় এবং অতিরিক্ত বোঝা সৃষ্টি করে তবে অধিক সরকারি ঋণ গ্রহণ করা বাঞ্ছনীয় নয় ।

[ad_2]



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!