ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ মোট জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক অবদান আলোচনা কর ৷

[ad_1]

প্রশ্নঃ মোট জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক অবদান আলোচনা কর ৷

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে বিভিন্ন খাতের অবদান বিভিন্ন । তাদের তুলনামূলক আলোচনা থেকে তা জানা সম্ভব । বাংলাদেশ একটি কৃষিপ্রধান দেশ । সুতরাং সংগত কারণেই কৃষি আমাদের অভ্যন্তরীণ উৎপাদনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উৎস । নিম্নের সারণিতে দেখা যাচ্ছে যে , ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে দেশজ উৎপাদনে কৃষির অবদান ছিল শতকরা ২১.৮৪ ভাগ । কিন্তু বর্তমানে আমাদের মোট দেশজ উৎপাদনে কৃষির অবদান আস্তে আস্তে হ্রাস পাচ্ছে ।

২০০৯-২০১০ অর্থবছরে মোট অভ্যন্তরীণ উৎপাদনে কৃষির অবদান ছিল শতকরা ২০.১৬ ভাগ । শিল্প আমাদের দেশজ উৎপাদনের দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ উৎস ।

২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে আমাদের দেশজ উৎপাদনে শিল্পের অবদান ছিল শতকরা ১৭.০৮ ভাগ ।

সুতরাং ২০০৯ ২০১০ অর্থবছরের হিসাব অনুযায়ী আমাদের জিডিপিতে শিল্পের অবদান হলো শতকরা ১৭.৮৭ ভাগ । সুতরাং দেখা যাচ্ছে , শিল্পক্ষেত্রে আমাদের অগ্রগতি খুবই মন্থর । এ থেকেই আমাদের অর্থনৈতিক অনুন্নতির পরিচয় পাওয়া যায় । বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হলো পাইকারি ও খুচরা বিপণন ।

২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে মোট দেশজ উৎপাদনে এ খাতের অবদান ছিল শতকরা ১৪.০৮ ; ২০০৯-২০১০ অর্থবছরে এর অবদান শতকরা ১৪.৩০ ভাগে দাঁড়িয়েছে । বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের ২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে কমিউনিটি , সামাজিক ও ব্যক্তিগত সেবাখাতের অবদান ছিল শতকরা ৭.২৫ ভাগ যা ২০০৯-২০১০ এ দাঁড়িয়েছে ৬.৮৪ শতকরা ।

২০০৫-২০০৬ অর্থবছরে আমাদের পরিবহন ও যোগাযোগ খাতের অবদান ছিল শতকরা ১০.০৭ ভাগ ।

২০০৯-১০ অর্থবছরে এ হার দাঁড়িয়েছে ১০.৭৬ শতাংশে । বাংলাদেশের দেশজ উৎপাদনের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক আলোচনা করলে দেখা যায় যে , আমাদের জাতীয় উৎপাদনের সিংহভাগ কৃষি থেকে পাওয়া যায় । বাংলাদেশের অর্থনীতি কৃষিনির্ভর হওয়ায় আমাদের প্রবৃদ্ধিও আশানুরূপভাবে বৃদ্ধি পাচ্ছে না । তবে আশার কথা হচ্ছে , খুব ধীরগতিতে হলেও আমাদের জিডিপিতে অবদান বাড়ছে । শিল্পখাতের উন্নয়ন এ ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পেয়ে অর্থনৈতিক উন্নয়নের চাকা সচল হবে । নিম্নের সারণিতে বাংলাদেশের জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের অবদান এবং এদের প্রবৃদ্ধির হার দেখানো হয় । এ থেকেই আমাদের জাতীয় আয়ের বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক গুরুত্ব অনুধাবন করা যাবে ।

সারণি : বাংলাদেশের জাতীয় আয়ে বিভিন্ন খাতের তুলনামূলক অবদান ( শতকরা হার )

উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১১

খনিজ ও খনন , বিদ্যুৎ , গ্যাস ও পানি , হোটেল ও রেস্তরাঁ , আর্থিক প্রাতিষ্ঠানিক সেবা ।

উপসংহার : বিভিন্ন খাতের অবদানে ভিন্নতা তাদের গুরুত্বের আপেক্ষিকতা জানা যায় । কোন খাত অধিক শক্তিশালী এবং কোন খাত অধিক দুর্বল তা বিভিন্ন খাতের অবদানের মাধ্যমেই জানা সম্ভব ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!