ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাজেট হলো অর্থনৈতিক নীতির হাতিয়ার ব্যাখ্যা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাজেট হলো অর্থনৈতিক নীতির হাতিয়ার ব্যাখ্যা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : বর্তমান সময়ে বাজেটকে জাতীয় অর্থনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে বিবেচনা করা হয় । বাজেটের মাধ্যমে দেশের সামগ্রিক অর্থব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় ।

বাজেট হলো অর্থনৈতিক নীতির হাতিয়ার : নিম্নের বিশ্লেষণ থেকে এটি প্রমাণ করা যাবে :

১. দারিদ্র্য বিমোচন : আজকাল দারিদ্র্য বিমোচন নীতি বাস্তবায়ন হয় বাজেট নীতির সাহায্যে । সরকার বেকার ভাতা , দুঃস্থ ভাতা , মাতৃ ভাতা , বৃদ্ধ ভাতা , শিক্ষা বৃত্তি , কাজের বিনিময়ে খাদ্য ইত্যাদির মাধ্যমে দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারে ।

২. স্বয় ও বিনিয়োগ : বাংলাদেশের মতো এমন উন্নয়নশীল দেশে সঞ্চয় ও বিনিয়োগ একদমই কম । বেশি পরিমাণ সঞ্চয় ও বিনিয়োগ ছাড়া অর্থনৈতিক উন্নয়ন কখনো সম্ভব নয় । জাতীয় সঞ্চয় বিনিয়োগ বাড়াতে কর নীতি ও ব্যয় নীতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

৩. আয় বৈষম্য হ্রাস : রাজস্বনীতির অন্যতম লক্ষ্য হলো আয় বৈষম্য হ্রাস । সরকার প্রগতিশীল কর , বিলাসবহুল দ্রব্যে উচ্চ কর , দরিদ্রদের পণ্যে ভর্তুকি , দরিদ্রের জন্য বিভিন্ন ধরনের সেবা প্রদান করে আয় বৈষম্য কমাতে পারে । যা বাজেটের মাধ্যমেই সম্ভব ।

৪. বাজেট হলো আয় কটনকারী হাতিয়ার : আর্থিক দায়িত্ব পালনের জন্য সরকারের প্রচুর পরিমাণ অর্থের প্রয়োজন হয়ে থাকে । প্রতিটি দেশই কল্যাণকর রাষ্ট্রের দিকে ধাবিত হচ্ছে । এ ধরনের কল্যাণ রাষ্ট্রে প্রচুর সম্পদের প্রয়োজন । বাজেট প্রণয়নের মাধ্যমে সরকার এর জন্য রাজস্ব সংগ্রহ করতে পারে ।

৫. মানব সম্পদ গঠন : যে কোন দেশের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো সেই দেশের মানব সম্পদ । অদক্ষ জনবল দিয়ে দেশের কোনপ্রকার অগ্রগতি সম্ভব হয় না বলে জনশক্তিকে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করাসহ তাদের সকল সমস্যা সমাধানের বিষয় বাজেটে উল্লেখ থাকতে হবে ।

৬. অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে উৎসাহিতকরণ : কৃষি ও শিল্পখাতে উন্নয়নের জন্য সরকার বাজেটকে গুরুত্ব দিয়ে থাকে । কৃষিখাতে এবং শিল্পখাতে কর রেয়াত , কর অবকাশ , ভর্তুকি প্রদান ইত্যাদি সুবিধা প্রদান করতে হবে এতে করে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডগুলো আরো বেশি গতি পাবে ।

৭. সম্পদ স্থানান্তর : একমাত্র বাজেটই পারে সম্পদকে সঠিকভাবে পরিচালিত করতে সরকার যদি দামি বা বিলাসবহুল দ্রব্যের উপর কর বাড়িয়ে দেয় তাহলে বিনিয়োগকারীরা বিলাসবহুল দ্রব্যে বিনিয়োগ কমিয়ে দেবে এবং প্রয়োজনীয় খাতে বি নয়োগ করবে । এভাবে অকেজো সম্পদের যথাযথ ব্যবহার করা সম্ভব ।

৮. আয় ও বিনিয়োগ : বাংলাদেশের মতো অনুন্নত বা উন্নয়নশীল দেশের মানুষের মাথাপিছু আয় কম এবং ব্যাপক মাত্রায় বেকার । সরকার ক্ষুদ্র শিল্প উন্নয়নে সহায়তা দিতে পারে এবং উৎসাহিত করে তুলতে পারে । এর মাধ্যমে ছোটখাটো শিল্পে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পেতে পারে এবং মূলধন বাড়ার কারণে যে কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয় তা বেকারত্ব দূরীকরণে সাহায্য করে ।

৯. ভারসাম্য উন্নয়ন : বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল বা অনুন্নত দেশে আঞ্চলিক বৈষম্য প্রকট থাকে । অতি বেশি মুনাফা করার জন্য বড় বড় শিল্পকারখানাগুলো রাজধানীর আশেপাশে শিল্পকারখানা স্থাপন করে যা পণ্য উৎপাদন শুধুমাত্র শহরবাসীর জন্য হয়ে থাকে । বাজেটের মাধ্যমে এটি হ্রাস করে গ্রামেও শিল্প স্থাপন করা সম্ভব ।

১০. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাজেট নিয়ন্ত্রণ : মুদ্রাস্ফীতির সময়ে অর্থনীতি অতিরিক্ত ক্রয়ক্ষমতার সম্মুখীন হয় । এ অবস্থায় সরকার যদি উদ্বৃত্ত বাজেট নীতি প্রণয়ন করে বাস্তবায়ন করে তাহলে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ হবে ।

১১. আর্থসামাজিক অবকাঠামো : বাংলাদেশের অবকাঠামোগত অবস্থা উন্নত নয় । যথাযথ টেলিযোগাযোগ , পরিবহন , পানীয়জল , বিদ্যুৎ , গ্যাস , পানি ইত্যাদি শিল্পের বিকাশ না হলে দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় । এছাড়া রয়েছে শিক্ষা এবং গবেষণা খাত । সরকারি বাজেটের মাধ্যমে এসব খাতে ব্যয়ের পরিমাণ বাড়াতে হবে ।

১২. ঘাটতি বাজেটের মাধ্যমে বেকারত্ব দূরীকরণ : অর্থনৈতিক নীতির হাতিয়ার হিসেবে সরকার ঘাটতি বাজেটের অর্থসংস্থান করে সামাজিক বেকারত্ব ঘোচাতে পারে । এ ধরনের বাজেট নীতির মাধ্যম দেশে চাহিদা , দামস্তর , মুনাফা , নিয়োগ , আয় ইত্যাদি বৃদ্ধি পেয়ে থাকে ।

উপসংহার : এসব আলোচনার মাধ্যমে বলা যায় , দেশের অর্থনৈতিক অবস্থার উন্নয়নের জন্য প্রধান হাতিয়ার হলো বাজেট ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!