ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎসগুলো বর্ণনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎসগুলো বর্ণনা কর ।

উত্তর : বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয়ের উৎসসমূহ : সরকার তার বাজেটের ব্যয় নির্বাহ করার জন্য বিভিন্ন উৎস থেকে যে তহবিল সংগ্রহ করে তাকে সরকারের মোট প্রাপ্তি বলা হয় ।

বাংলাদেশ সরকারের মোট প্রাপ্তি দুই ভাগে বিভক্ত , যথা :

ক . সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তি এবং খ , সরকারের রাজস্ব বহির্ভূত প্রাপ্তি ।

ক . সরকারের রাজস্ব প্রাপ্তি : দেশের শাসনকর্তা হিসেবে সরকার রাজস্বরূপে যে আয় উপার্জন করে তা দুই প্রকার । যথা : ১. কর রাজস্ব ; ও ২. কর বহির্ভূত রাজস্ব ।

১. কর রাজস্ব : কোন প্রকার প্রত্যক্ষ প্রতিদানের আশা না করে বাধ্যতামূলকভাবে একজন নাগরিক বা একটি প্রতিষ্ঠান সরকারকে যে মূল্য প্রদান করে তাকে কর বলা হয় । বাংলাদেশ সরকারের আয়ের মূল উৎস হচ্ছে কর রাজস্ব । সরকারের মোট রাজস্বের প্রায় ৮০ শতাংশই কর রাজস্ব হিসেবে অর্জিত হয় । আর মোট রাজস্বের বাকি ২০ শতাংশ কর বহির্ভূত রাজস্ব হিসেবে অর্জিত হয় । বাংলাদেশ সরকারের প্রধান কর রাজস্বের উৎসগুলো নিম্নে বর্ণনা কর হলো

২. আয় ও মুনাফা কর : বাংলাদেশে প্রত্যক্ষ কর হিসেবে আয়কর ও মুনাফা করই সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ । ব্যক্তিগত আয়ের উপর আয়কর আরোপ করা হয় । আর কোম্পানির মুনাফার উপর মুনাফা কর আরোপ করা হয় । ২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থবছরে আয় ও মুনাফার উপর কর বাবদ আয় হয় যথাক্রমে ১৬,৫৬০ কোটি ও ২২,১০৫ কোটি টাকা ।

খ . মূল্য সংযোজন কর : মূল্য সংযোজন কর হচ্ছে এক ধরনের পরোক্ষ কর । এটি উৎপাদনকারী বিক্রেতার প্রাপ্ত মোট মূল্য এবং কাঁচামালের মূল্যের পার্থক্যের উপর আরোপ করা হয় । ২০০৯-১০ অর্থবছরে ও ২০১০-১১ অর্থবছরে মূল্য সংযোজন কর থেকে আয় হয় যথাক্রমে ২২ , ৭৯৫ ও ২৮ , ২৭৪ কোটি টাকা । বর্তমানে মূল্য সংযোজন কর থেকে বাংলাদেশ সরকারের সর্বাধিক আয় হয় ।

গ . সম্পত্তি কর ও সম্পদ হস্তান্তর কর : সম্পত্তির মূল্য বৃদ্ধি এবং সম্পদ হস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ কর আরোপ করা হয় । আমদানি শুল্ক : আমদানির উপরে আরোপিত কর থেকে বাংলাদেশ সরকার প্রচুর টাকার কর রাজস্ব অর্জন করে থাকে । ২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থবছরে আমদানি শুল্ক বাবদ আয় হয় যথাক্রমে ১০,৪৩০ ও ১০ , ৮৮৮ কোটি টাকা ।

ঘ . আবগারি শুল্ক : দেশের অভ্যন্তরে উৎপাদিত দ্রব্যের উপর আরোপিত করকে আবগারি শুল্ক বলা হয় । ২০১০-১১ অর্থবছরে আবগারি শুল্ক থেকে আয় হয় ২৭৫ কোটি টাকা ।

চ . রপ্তানি শুল্ক : বর্তমানে রপ্তানিকারকদের উপর আরোপিত কর বাবদ সরকারের কিছু আয় হচ্ছে । ২০১০-১১ অর্থবছরে রপ্তানি শুল্ক থেকে সরকারের আয় হয় ২৭ কোটি টাকা ।

ছ . সম্পূরক শুল্ক ; ভ্যাট , আবগারি শুল্ক , আমদানি শুল্ক ইত্যাদি আরোপের পরও অতিরিক্ত আরোপিত সম্পূরক কর বলা হয় । ২০০৯-১০ ও ২০১০-১১ অর্থবছরে সম্পূরক শুল্ক বাবদ আয় হয় যথাক্রমে ১০,৪৮৫ ও ১৩,৫৫৫ কোটি টাকা ।

জ . মাদক শুল্ক : মাদক দ্রব্যের উপর আরোপিত এ করকে মাদক শুল্ক বলা হয় । বাংলাদেশ সরকারের আয়ের অন্যতম উৎস হলো মাদক শুল্ক । ২০১০-১১ অর্থবছরে মাদক শুল্ক বাবদ আয় হয় ৬০ কোটি টাকা ।

ঝ. ভূমি রাজস্ব : ভূমির ভোগ দখলের কারণে সরকারকে প্রদেয় করকে ভূমি রাজস্ব বলে । এটি প্রাচীন কাল থেকে ব্যবহৃত একটি কর । বর্তমানে ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করার কারণে এ খাতে সরকারের আয় কিছুটা হ্রাস পেয়েছে । ভূমি রাজস্ব বাবদ ২০০৯-১০ অর্থবছরে ৩৯২ কোটি টাকা ও ২০১০-১১ অর্থবছরে ৫২৫ কোটি টাকা আয় হয় ।

ঞ . যানবাহন কর : বিভিন্ন যানবাহনের নিবন্ধন বাবদ আরোপিত করকে যানবাহন কর বলা হয় । ২০১০-১১ অর্থবছরে যানবাহন কর বাবদ আয় হয় ৯০৫ কোটি টাকা ।

ট . নন – জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয় : যে কোন সম্পত্তি সংক্রান্ত চুক্তি নিবন্ধন করার ক্ষেত্রে নন – জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প ক্রয়ের মাধ্যমে কর দিতে হয় । ২০১০-১১ অর্থবছরে নন – জুডিসিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রয় বাবদ আয় হয় ১,৯৬২ কোটি টাকা ।

ঠ . অন্যান্য কর ও খ . কর বহির্ভূত রাজস্ব : কর নয় এমন কিছু রাজস্ব সরকার অর্জন করে থাকে । এ কর বহির্ভূত রাজস্ব আবার দুই প্রকারের । যথা : ১. প্রশাসনিক রাজস্ব ও ২. বাণিজ্যিক রাজস্ব । : ১. প্রশাসনিক রাজস্ব প্রশাসন কার্য পরিচালনার উপজাত হিসেবে গৃহীত রাজস্বকে সার্বিকভাবে প্রশাসনিক রাজস্ব বলা হয় । এর মধ্যে আছে প্রশাসনিক ফি , জরিমানা , দপ্ত , বাজেয়াপ্তকরণ , টোল ও লেভী ইত্যাদি । ২০১০-১১ অর্থবছরে প্রশাসিনক রাজস্ব বাবদ আয় হয় ৬,৫৫৫ কোটি টাকা ।

২. বাণিজ্যিক রাজস্ব : সরকারি খাতে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা বিক্রয় করে সরকারের যে আয় হয় তাকে বাণিজ্যিক , রাজস্ব বলা হয় । যেমন- রাষ্ট্রীয় শিল্প বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মুনাফা ও লভ্যাংশ সুদ , রেল ভাড়া , ডাক মাশুল , তার ও টেলিফোন চার্জ , শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ছাত্রদের বেতন ইত্যাদি । সরকারের বাণিজ্যিক রাজস্বের মধ্যে সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে প্রাপ্ত আয় । ২০১০-১১ অর্থবছরে কর বহির্ভূত রাজস্ব খাতে বাণিজ্যিক রাজস্ব বাবদ আয় হয় , ৯,৫৮১ কোটি টাকা । উৎস : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১১ ।

উপসংহার : বাংলাদেশ সরকারের রাজস্ব আয় ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে । এটা আমাদের দেশের জন্য উন্নয়নের সহায়ক ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!