ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সরকারি ঋণের ফলাফল বর্ণনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে সরকারি ঋণের ফলাফল বর্ণনা কর ।

উত্তর ভূমিকা : যে কোন প্রকার ঋণ মূলত একদিকে সম্পদ বাড়িয়ে দেয় এবং অন্যদিকে দায় বৃদ্ধি করে থাকে । তাই প্রতিটি ঋণের কিছু না কিছু প্রভাব আছে । সরকার যদি ঋণ গ্রহণ করে তাহলে সেটারও একটা প্রভাব থাকে । সরকারি ঋণের প্রভাব নিয়ে সরকারি ঋণের প্রভাবসমূহ আলোচনা করা হলো :

১. তারল্যের উপর প্রভাব : তারল্যতা বা মুনাফাযোগ্যতা উভয়ই রয়েছে সরকারি ঋণের । এটি ঋণদাতার জন্য এমন একটি বিনিয়োগ যেখানে ঝুঁকি একদম কম । সরকার যদি ঋণপত্রের মাধ্যমে ঋণ গ্রহণ করে , তাহলে ঋণদাতা তার অর্থ যে কোন সময় ফেরত পেতে পারে । বাণিজ্যিক ব্যাংক সরকারি ঋণপত্র ক্রয় করে মুনাফা অর্জন করে থাকে । তাই সরকারি ঋণপত্রের তারল্যের উপর প্রভাব রয়েছে ।

২. সম্পদ কটনের উপর প্রভাব : সরকারি ঋণের সম্পদ বণ্টনের প্রভাব তেমন নেই । তবে সরকার ঋণ গ্রহণ করে বিশেষ খাতে ঋণ বা সুযোগ সুবিধা বৃদ্ধি করলে তা সম্পদ বণ্টনের ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলতে পারে ।

৩. ভোগের উপর প্রভাব : সরকার ঋণ গ্রহণ করলে জনগণের ভোগের তেমন পরিবর্তন হয় না যদি সেটা দেশের বাইরে থেকে নেয় । আবার যদি সেটা দেশের জনগণের কাছে ঋণপত্র বিক্রির মাধ্যম স্বেচ্ছাকৃতভাবে সংগ্রহ করে তাহলেও তেমন পরিবর্তন ঘটে না ভোগের ক্ষেত্রে । আবার অন্যক্ষেত্রে যেমন যুদ্ধ বা অন্য কোন কারণে জনগণের নিকট যদি জোরপূর্বক ঋণপত্র বিক্রি করে তাহলে জনগণের ভোগের পরিমাণ হ্রাস পায় । গৃহীত ঋণ যদি সরকার দেশের উৎপাদন খাতে ব্যয় করে তাহলে জনগণের ভোগ বৃদ্ধি পেয়ে থাকে ।

৪. উৎপাদনের উপর প্রভাব : বহুমাত্রিক লক্ষ্যকে সামনে রেখে সরকার ঋণ গ্রহণ করে থাকে । ঋণের টাকা যদি অনুৎপাদনশীল খাতে খরচ করে তাহলে দেশের উৎপাদন হ্রাস পাবে মূলধনের অভাবে । আবার যদি উৎপাদনশীল খাতে খরচ করে তাহলে উৎপাদন এবং আয় দুটিই বৃদ্ধি পাবে ।

৫. আয়কটনের উপর প্রভাব : আয়বণ্টনের উপর সরকারি ঋণের ব্যাপক প্রভাব আছে । ঋণের টাকার আয়বণ্টন নির্ভর করে ঋণের টাকা যথাযথ ব্যবহারের উপর । এটি যদি মধ্যবিত্ত বা নিম্নবিত্ত মানুষের পিছনে ব্যয় করা হয় তাহলে আয়ের বৈষম্য কমবে । আবার যদি সেটা উচ্চবিত্ত বা শিল্পপতিদের পেছনে ব্যয় করা হয় তাহলে আয় বৈষম্য বাড়বে ।

৬. বিনিয়োগের উপর প্রভাব : যে কোন কাজের পিছনে যদি সরকারের অনুপ্রেরণা বা অংশগ্রহণ থাকে তাহলে সেই কাজটিতে সকলেই উৎসাহিত বা অনুপ্রাণিত হয়ে থাকে । সরকার তার ঋণকৃত অর্থ যদি দেশের বেসরকারি খাতে উৎপাদিত দ্রব্য ও সেবা ক্রয়ে ব্যবহার করে তাহলে বেসরকারি বিনিয়োগকারিগণ এ খাতে আরো বেশি বিনিয়োগ করতে উৎসাহিত হবে ।

৭. জাতীয় আয়ের উপর প্রভাব : জনগণ তার বাড়তি আয় থেকেই বন্ড ক্রয় করে থাকে । সরকারি বন্ড কিনলে দেশের বিনিয়োগের ঘাটতি পড়বে না এবং সরকার তার বাজেট বাড়িয়ে কর্মসংস্থানের পাশাপাশি জাতীয় আয় বৃদ্ধি পাবে । আবার সরকার যদি তার গৃহীত ঋণের উপর অধিক হারে সুদ প্রদান করে তাহলে সকলেই সরকারি ঋণপত্র কিনতে আগ্রহী হবে এবং এর কারণে সরাসরি বিনিয়োগ হ্রাস পাবে । অপরদিকে , সরকারি খাতে দুর্নীতি হবার সম্ভাবনা আছে ।

৮. বেসরকারি খাতে প্রভাব: অনেক ক্ষেত্রে সরকার ঋণের টাকা বাজেটের পিছনে ব্যয় করে এবং বেসরকারি খাতে চাহিদা বেড়ে যায় । এটি জনগণের অলস টাকাকে সচল করে দেয় । করের মাধ্যমে ভোক্তাদের ভোগ কমে যায় । কিন্তু ঋণের মাধ্যমে কমে না । বরং বাজার চাহিদা বেড়ে যায় ।

উপসংহার : উপরের আলোচনা থেকে বলা যায় , ঋণের টাকা জনকল্যাণমূলক খাতে ব্যয় করলে জনকল্যাণ নিশ্চিত হয় , অপরদিকে অকেজো খাতে ব্যয় করলে লোকসান হয় ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!