ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য তুমি কী কী সুপারিশ করবে ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য তুমি কী কী সুপারিশ করবে ?

উত্তর : বাংলাদেশের রাজস্ব আয় বৃদ্ধির জন্য সুপারিশসমূহ নিম্নরূপ :

১. অবৈধ অর্থ উপার্জন যে কোন মূল্যে বন্ধ করতে হবে ।

২. বাংলাদেশে কৃষি বলতে শুধু শস্য উৎপাদনকে বুঝানো হয় । বাস্তবে কৃষি শস্য উৎপাদন , মৎস্য চাষ , পশুপালন , ফলমূল চাষ এবং বনজ সম্পদকে অঙ্গীভূত করে এসব উপখাতে অল্প পুঁজিতে বেশি রুজি করা সম্ভব । সরকার কঠোর করনীতির মাধ্যমে সংগৃহীত রাজস্ব যদি শিক্ষিত ও কৃষি বেকারদের কর্ম নিয়োগের জন্য বিনিয়োগ করে তাহলে কৃষি বেকারত্ব ও শিক্ষিত বেকারত্ব বহুল পরিমাণে হ্রাস করা সম্ভব ।

৩. VAT অর্থনীতির প্রতিটি স্তরে দ্রব্যের প্রকৃতি অনুসারে বিভিন্ন হারে আরোপ করা প্রয়োজন ।

৪. রাজস্বনীতিতে কর ব্যবস্থা শক্তিশালী করা প্রয়োজন । কৃষিতে কর কাঠামো সঠিকভাবে নির্ধারণ করতে হবে । ভূমি কর প্রগতিশীল হারে আরোপ করতে হবে । ২৫ বিঘা জমির কর মওকুফ নীতি পরিহার করা উচিত । কৃষিতে সেচযোগ্য সকল জমিতে উচ্চ হারে সেচ কর আরোপ করে সংগৃহীত অর্থ দ্বারা কৃষকদেরকে স্বল্প মূল্যে সার , তেল বিতরণ করে প্রচুর রাজস্ব অর্জন করা সম্ভব ।

৫. আয়কর কাঠামো প্রগতিশীল করা প্রয়োজন ।

৬. দেশে যেসব শিল্পকারখানা সরকারি মালিকানায় রয়েছে এবং প্রতি বছর লোকসানের বোঝা সরকার বহন করছে , এসব শিল্পের মৌলিক সংস্কার করা প্রয়োজন । লোকসানের কারণ খুঁজে বের করা এবং অসৎ দুর্নীতিপরায়ণ কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের শাস্তির ব্যবস্থা করে শিল্পের মুনাফা বৃদ্ধি করা যেতে পারে । শুধু তাই নয় , যেসব শিল্পে আদৌ মুনাফার সম্ভাবনা নেই সেসব শিল্প ব্যক্তিমালিকানায় বিক্রি করে সরকার ভর্তুকির বোঝা থেকে পরিত্রাণ পেতে পারে । এসব শিল্পখাতে যে ভর্তুকির বোঝা ছিল তা থেকে জাতি পরিত্রাণ পেলে নতুন বিনিয়োগের ভাণ্ডার সৃষ্টি হতে পারে , নিয়োগ বৃদ্ধি করবে পুরোনো শিল্পসমূহে নতুন নিয়োগের পথ সৃষ্টি হতে পারে ।

৭. প্রতি বছর সরকার বিলাসবহুল পণ্যের উপর কর বৃদ্ধি অব্যাহত রেখে যদি সংগৃহীত রাজস্বসমূহ শিল্পখাতে বিনিয়োগ করে তাহলে নতুন নিয়োগ বৃদ্ধির মাধ্যমে অর্থনীতি বেকারত্ব লাঘব করা সম্ভব ।

৮. দেশের বেকারত্ব হ্রাস করার জন্য সরকারি উন্নয়ন ব্যয় শ্রম বহুল নিয়োগ পদ্ধতিকে উৎসাহিত করতে পারে । সরকারি উন্নয়ন ব্যয়ের মাধ্যমে প্রতিটি থানায় একটি করে শিল্প নগরী ও কৃষি উন্নয়ন কেন্দ্র স্থাপন করা যেতে পারে । যার মাধ্যমে নতুন শিল্পোদ্যোক্তা যেমন পাওয়া যাবে , তেমনি অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে বেকারত্ব লাঘব করা যাবে ।

৯. বাংলাদেশের বেকারত্ব হ্রাস করার জন্য ঘাটতি ব্যয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে । সরকার প্রতি বছর বেকারদের কর্মসংস্থানের লক্ষ্যে নিরপদ সীমায় ঘাটতি ব্যয়ের মাধ্যমে নতুন প্রকল্প এবং শিল্প গড়ে তুলতে পারেন । যা বেকারত্ব লাঘবে ভূমিকা রাখবে ।

১০ , কোরিয়া , তাইওয়ান , থাইল্যান্ড , হংকং এসব দেশসমূহ রপ্তানিভিত্তিক শিল্পায়ন দ্বারা যথেষ্ট প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে . এবং বেকারত্ব হ্রাস করেছে । এসব দেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির জন্য সরকারি করনীতি , ভর্তুকি নীতি , ঋণনীতি সবই ভূমিকা রেখেছে । তাই শিল্পের কাঁচামাল এবং উৎপাদিত পণ্য বিক্রয়ের জন্য রাজস্বনীতিকে সহায়ক শক্তি হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে ।

উপসংহার : উপরের আলোচনা থেকে বাংলাদেশের বেকারত্ব দূরীকরণে রাজস্বনীতির বিভিন্ন হাতিয়ারসমূহ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে এ ব্যাপারে কোন সন্দেহ নেই , এটি বলা যায় ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!