ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায়গুলো আলোচনা কর ।

উত্তর- ভূমিকা : মুদ্রাস্ফীতি বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান সমস্যা । দেশের উন্নয়নের স্বার্থে এদেশের মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার জন্য পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে ।

মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায় : নিম্নে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের উপায় আলোচনা করা হলো :

১. আৰ্থিক ব্যবস্থা : মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অন্যতম প্রধান উপায় হলো আর্থিক ব্যবস্থা । অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করা আর্থিক ব্যবস্থার অন্যতম হাতিয়ার । অর্থের যোগান নিয়ন্ত্রণ করার জন্য যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ এদেশে করা হয় তা নিম্নরূপ :

ক . ব্যাংক হাস্ত বৃদ্ধি : দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক , ব্যাংক হার বাড়িয়ে দেয় ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলো সুদের হার বাড়িয়ে দেয় । এর ফলে ঋণের পরিমাণ কমে যায় এবং অর্থের যোগান হ্রাস পায় ।

খ . নগদ জমার অনুপাত : বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে তাদের রিজার্ভের একটি অংশ কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা রাখতে হয় । দেশে মুদ্রাস্ফীতি দেখা দিলে কেন্দ্রীয় ব্যাংক রিজার্ভ অনুপাত বাড়িয়ে দেয় । ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকের ঋণদান ক্ষমতা হ্রসা পায় এবং মুদ্রাস্ফীতিও হ্রাস পায় ।

গ . খোলাবাজারি কারবার : কেন্দ্রীয় ব্যাংক অনেক সময় খোলা বাজারে সরকারি ঋণপত্র বিক্রয় করে ব্যাংক সৃষ্ট অর্থের পরিমাণ কমাতে চেষ্টা করে । এরূপভাবে ঋণপত্র বিক্রয় করলে ক্রেতাগণ তাদের নিজ নিজ বাণিজ্যিক ব্যাংকের উপর চেক কেটে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পাওনা মিটিয়ে থাকে । এর ফলে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর ঋণদান ক্ষমতা কমে যায় । এভাবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক খোলা বাজারে ঋণপত্র বিক্রয় করে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করে ।

২. রাজস্ব সংক্রান্ত ব্যবস্থা : সরকারের রাজস্ব আয় ও ব্যয় সংক্রান্ত ব্যবস্থাকে রাজস্ব সংক্রান্ত ব্যবস্থা বলা হয় । এ নীতির মাধ্যমে সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকে তা নিম্নরূপ :

ক . সরকারি ব্যয় হ্রাস : সরকারি ব্যয় দেশের মোট ব্যয়ের পরিমাণের একটা বড় অংশ । কাজেই মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ করতে হলে সরকারি ব্যয় কমানো উচিত ।

খ . অতিরিক্ত কর ধার্য : কর ধার্য করলে জনগণের ব্যয়যোগ্য আয় কমে যায় । ফলে মোট ব্যয়ের পরিমাণ কমে যায় এবং মুদ্রাস্ফীতিও হ্রাস পায় । তবে প্রত্যক্ষ কর বাড়ানো উচিত ।

গ . সরকার কর্তৃক ঋণ গ্রহণ : মুদ্রাস্ফীতি নিরোধের জন্য সরকার জনসাধারণের নিকট হতে অধিক পরিমাণ ঋণগ্রহণ করে থাকে । এতে জনসাধারণের উদ্বৃত্ত আয় সরকারের হস্তগত হওয়ায় তাদের ক্রয় ক্ষমতা হ্রাস পায় ।

ঘ . সঞ্চয়ে উৎসাহ প্রদান : সরকার সুদের হার বাড়িয়ে জনগণকে সঞ্চয়ে উৎসাহিত করতে পারে । এর ফলে ব্যয়ের পরিমাণ কমে যাবে এবং মুদ্রাস্ফীতি হ্রাস পাবে ।

৩. প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাসমূহ : মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বাংলাদেশে আর্থিক ও রাজস্ব নীতি ছাড়াও প্রত্যক্ষ উপায় গ্রহণ করা হয়ে থাকে । নিম্নে প্রত্যক্ষ ব্যবস্থাসমূহ উল্লেখ করা হলো :

ক . সর্বোচ্চ দাম নির্ধারণ : মুদ্রাস্ফীতি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় তখন সরকার দ্রব্যসামগ্রীর সর্বোচ্চ দাম বোধে দিয়ে দামস্তর একটি নির্দিষ্ট পর্যায়ে সীমাবদ্ধ রাখতে পারে ।

খ . ন্যায্য মূল্যের বিক্রয় কেন্দ্র স্থাপন : মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণকল্পে বাংলাদেশে ন্যায্য মূল্যে দ্রব্যসামগ্রী বিক্রয় করার জন্য কেন্দ্র স্থাপন বা ভ্রাম্যমাণ কেন্দ্রের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে । এর ফলে দামস্তর হ্রাস পায় এবং মুদ্রাস্ফীতিও নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হয় ।

গ . মজুরি নিয়ন্ত্রণ : মজুরি বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্তর বৃদ্ধি পায় । এ কারণে আইন করে বা আপেশের মাধ্যমে মজুরি বৃদ্ধি বন্ধ রাখা হয় ।

ঘ . মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং ব্যবস্থা : অত্যাবশ্যক দ্রব্যাদির মূল্য নিয়ন্ত্রণ ও রেশনিং ব্যবস্থা চালু করে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমানো যেতে পারে । ” } ও . মুদ্রা অবৈধকরণ : বাংলাদেশ সরকার মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য অনেক সময় পুরাতন মুদ্রা অবৈধ ঘোষণা করে নতুন মুদ্রার প্রচলন করে । কোন কোন সময় বেশি মূল্যের নোটকে অচল করে দেয়া হয় ।

চ . গচ্ছিত অর্থ আটক : মুদ্রাস্ফীতির সময় ধনী ব্যক্তিরা যেন বেশি অর্থ ব্যয় করতে না পারে সেজন্য অনেক সময় সরকার তাদের ব্যাংকে গচ্ছিত অর্থের সম্পূর্ণ বা কিছু অংশ সাময়িকভাবে আটক করে রাখে । এর ফলে এ অংশ ব্যয় করা সম্ভব হয় না । ফলে মুদ্রাস্ফীতির চাপ কিছুটা কমে ।

উপসংহার : মুদ্রাস্ফীতি একটি দেশের জন্য কল্যাণকর বা অকল্যাণকরও হতে পারে যখন মুদ্রাস্ফীতির হার বেশি হয়ে যায় । বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে মুদ্রাস্ফীতি একটি জটিল ও গুরুতর সমস্যা । তাই সরকারকে মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের জন্য উপযুক্ত উপায়গুলোকে ব্যবহার করতে হবে । তাহলেই মূল্যস্তর জনগণের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে থাকবে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!