ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের অন্তরায়সমূহ কী কী ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের অন্তরায়সমূহ কী কী ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশে যে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরিত হয় তা প্রয়োজনের তুলনায় নিতান্তই অপর্যাপ্ত । পরিসংখ্যান ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী ২০০৯-১০ অর্থবছরে অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় ছিল জিডিপি – এর মাত্র ২১.১০ % । প্রবাসী বাঙালিদের রেমিটেন্সসহ জাতীয় সঞ্চয় ছিল জিডিপি – এর ৩০.০২ % । কিন্তু বিনিয়োগ ছিল ২৪.৪১ % । অতএব বিনিয়োগ ব্যয়ের সবটুকু অভ্যন্তরীণ সম্পদ দিয়ে অর্থায়ন সম্ভব হয় নি । অধিকন্তু উল্লেখ্য যে মাথাপিছু আয় দ্রুত বৃদ্ধির জন্য বাংলাদেশের বিনিয়োগ অনেক হওয়া উচিত , যা অর্জনের জন্য বর্তমান অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় নিতান্তই অপর্যাপ্ত ।

অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের অন্তরায় : অভ্যন্তরীণ সম্পদ সংগ্রহের এ অপর্যাপ্ততার কারণসমূহ নিম্নরূপ :

ক . সরকারি খাতে সম্পদ আহরণের অন্তরায় :

১. কর কাঠামোর অস্থিতিস্থাপকতা : বাংলাদেশে জাতীয় আয় বাড়লে যথেষ্ট পরিমাণে সরকারের কর রাজস্ব বাড়ে না । আশির দশকে কর স্থিতিস্থাপকতা ছিল .৯১ । অর্থাৎ জাতীয় আয় যত শতাংশ বাড়ে তার চেয়ে কম শতাংশ কর রাজস্ব বাড়ে । কর কাঠামোর এ দুর্বলতা অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণের সীমাবদ্ধতার অন্যতম কারণ ।

২. রাজস্ব ব্যয়ের আধিক্য : বাংলাদেশ সরকারের বিশাল রাজস্ব ব্যয়ের কারণে বাজেটে রাজস্ব উদ্বৃত্ত কম হয় । বাজেটের প্রায় ৭ % প্রতিরক্ষা খাতে ব্যয় হয় । এভাবে অন্যান্য কিছু খাতে যে ব্যয় হয় তা প্রয়োজনাতিরিক্ত বলে বিভিন্ন সেমিনারে মতামত ব্যক্ত হয়েছে । এভাবে সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অপব্যয় রাজস্ব উদ্বৃত্তের স্বল্পতার জন্য দায়ী ।

৩. নিম্ন কর / জিডিপি অনুপাত : বর্তমানে বাংলাদেশ সরকারের কর রাজস্ব দেশের জিডিপি – এর প্রায় ১২ % । এ কর / জিডিপি হার অন্যান্য দেশের তুলনায় অতি নিম্ন । উল্লেখ্য যে ২০১০-১১ সময় কালে স্বল্পোন্নত দেশসমূহের গড় কর অনুপাত ছিল প্রায় ১১.৮ % । অতএব বাংলাদেশে কর কাঠামার দুর্বলতার কারণে কর আকারে অভ্যন্তরীণ সম্পদের আহরণ কম হয় ।

৪. সরকারি খাতে উৎপাদন ও সেবা প্রতিষ্ঠানের লোকসান : সরকারি খাতে যে , মিল কারখানা বা পরিবহন ও যাতায়াত সংস্থা আছে সেগুলো স্থায়ীভাবে লোকসান দিচ্ছে । ফলে সরকারি খাতে উদ্বৃত্ত হ্রাস পাচ্ছে ।

৫. প্রত্যক্ষ কর রাজস্বের স্বল্পতা : বাংলাদেশের কর কাঠামোতে পরোক্ষ করের প্রাধান্য একটি দুর্বলতা । প্রত্যক্ষ কর যথাযথভাবে আদায় করা যায় না বলে বাংলাদেশে সরকারি খাতে অভ্যন্তরীণ সম্পদ আহরণ কম হয় ।

খ . বেসরকারি খাতে সম্পদ আহরণের অন্তরায় :

১. স্টক এক্সচেঞ্জের দুর্বলতা : উন্নত স্টক এক্সচেঞ্জ থাকলে সাধারণ মানুষ তাদের উদ্বৃত্ত অর্থ সহজে বিনিয়োগ করতে পারে । কিন্তু বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের ঘন ঘন উত্থানপতন ও অসৎ ম্যানিপুলেশনের কারণে বিনিয়োগকারীরা প্রতারিত হয় । ফলে বেসরকারি সম্পদ আহরণের অন্তরায় সৃষ্টি হয় ।

২. স্বল্প মাথাপিছু আয় : ব্যক্তি খাতে উদ্বৃত্ত সম্পদ সৃষ্টির প্রধান অন্তরায় স্বল্প মাথাপিছু আয় । আয়ের স্বল্পতার কারণে পরিবারসমূহ উল্লেখযোগ্য পরিমাণে সঞ্চয় করতে ব্যর্থ হয় ।

৩. ব্যাংক ব্যবস্থার দুর্বলতা : বাংলাদেশে পরিবারসমূহ যে স্বল্প পরিমাণ অর্থ সঞ্চয় করে তা অনেক ক্ষেত্রে মূলধন গঠনের জন্য আহরিত হয় না । বাংলাদেশে ব্যাংক ব্যবস্থা এখনো যথেষ্ট বিস্তৃত ও দক্ষ নয় বলে সম্পদ আহরণের এ অন্তরায় সৃষ্টি হয় ।

উপসংহার : উপরে বর্ণিত কারণে বাংলাদেশে সরকারি ও বেসরকারি খাতে উন্নয়নের জন্য সম্পদ আহরণ অপর্যাপ্ত হয় । বস্তুত সম্পদের স্বল্পতার প্রধান কারণ অনুন্নত অর্থনীতি ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!