ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃবাংলাদেশে সরকারি ঋণের যৌক্তিকতা কী ?

[ad_1]

প্রশ্নঃবাংলাদেশে সরকারি ঋণের যৌক্তিকতা কী ? আলোচনা কর ।

উত্তর ৷৷ ভূমিকা : অর্থসংকট মোকাবিলায় সরকারকে আদৌ ঋণ গ্রহণ করা উচিত কি না তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে । আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ সহ ক্লাসিক্যাল , কেইন্সীয় সরকারের ঋণ গ্রহণের যৌক্তিকতা নিয়ে বক্তব্য রাখেন ।

সরকারি ঋণের যৌক্তিকতা :

নিম্নে সেগুলো আলোচনা করা হলো :

১. কেইলীয়দের চিন্তাধারা : ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবাদী অর্থনীতির সাফল্য সম্বন্ধে নিজেই সন্দিহান ছিলেন কেইন্স । তিনি মনে করেন পূর্ণ নিয়োগে পৌঁছার জন্য সরকারি হস্তক্ষেপ একান্ত প্রয়োজন । তিনি অপূর্ণ নিয়োগের ধারণা ব্যবহার করেন । কেইন্সীয় অর্থনীতিদেরা বিশ্বাস করেন ঋণ দ্বারা সরকারের বাজেট ঘাটতি পূরণ করা হয় । প্রকৃতপক্ষে উন্নয়নশীল দেশে সরকারের বাজেটর দুটি অংশ থাকে । একটি হলো রাজস্ব বাজেট , অন্যটি হলো উন্নয়ন বাজেট । রাজস্ব বাজেট চলতি কল্যাণ গুরুত্ব প্রদান করে কিন্তু উন্নয়ন বাজেটে ভবিষ্যৎ আয় , উৎপাদন , নিয়োগ ও কল্যাণ গুরুত্ব পায় । সরকার যেহেতু ঋণ গ্রহণ করে উন্নয়ন ব্যয় নির্বাহ করে তাই সরকারি ঋণ সার্বিক বাজেটে ভারসাম্য সৃষ্টি করে । যে জন্য সরকারি ঋণ অর্থনীতির উপর তেমন ক্ষতিকর প্রভাব ফেলবে না । অর্থাৎ সরকারি ঋণ গ্রহণের যৌক্তিকতা আছে ।

২. ক্লাসিক্যালদের মতামত : সরকারি ঋণের বিপক্ষে বক্তব্য রাখেন ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদগণ । তাদের মতে ব্যক্তিতান্ত্রিক অর্থনীতিতে সম্পদ দক্ষভাবে ব্যবহার হয় । পূর্ণ নিয়োগ আপনা আপনি অর্জিত হয় বলে সরকারের তেমন ভূমিকা থাকে না । ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদদের মধ্যে Adam Smith , Hume সরকারি ঋণের বিরুদ্ধে জোরালো বক্তব্য রাখেন । তাদের বক্তব্য অনুসারে সরকারি ঋণ পরিশোধ এবং সুদ পরিশোধের জন্য সমপরিমাণ কর আরোপ করলে জনগণের উপর বিরূপ প্রতিক্রিয়া পড়বে । সরকারি ঋণ সমাজে এক শ্রেণীকে অন্য শ্রেণীর উপর নির্ভরশীল করে এবং আয় বৈষম্য সৃষ্টি করে । এছাড়া সরকারি ব্যয় অপচয়মূলক । সরকার জনগণের কাছ থেকে ঋণ গ্রহণ করে বিলাসবহুল কাজে ব্যয় করবে । যা কল্যাণ বাড়াবে না । ক্লাসিক্যাল অর্থনীতিবিদদের অনেকেই করকে ঋণের চেয়ে বেশি পছন্দ করেন তার কারণগুলো নিয়ে আলোচনা করা হলো :

ক . সরকারি ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করতে ভবিষ্যতে আরো বেশি করভার বহন করতে হয় , যা যুক্তিসংগত নয় ।

খ . অর্থনীতিতে মুদ্রাস্ফীতি সৃষ্টি হতে পারে সরকারি ঋণের ফলে । এটি মনে রাখার বিষয় যে সরকারি ঋণ সবসময়ই ক্ষতিকর একথা ঠিক নয় । সরকার যদি গৃহীত ঋণের অর্থ উৎপাদনশীল খাতে ব্যয় করে তাহলে ভবিষ্যতে ঋণের টাকা পরিশোধে অত্যধিক করের সাহায্য নাও লাগতে পারে ।

৩. আধুনিক অর্থনীতিবিদদের চিন্তাধারা : সরকারি ঋণের আওতা প্রসারিত হয় দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় । আধুনিক অর্থনীতিবিদগণ মনে করেন মন্দা বা বেকারত্ব অবস্থায় সরকারি ঋণ গ্রহণের যৌক্তিকতা রয়েছে । মুদ্রাস্ফীতির সময় সরকারি ঋণ মুদ্রাস্ফীতি দমনে ভূমিকা রাখতে পারে । তবে সরকারি ঋণ জটিল প্রকৃতির এবং পরিচালনা করা কষ্টকর ।

উপসংহার : উপরের আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি , উৎপাদনের উদ্দেশ্য নিয়ে সরকারি ঋণ নেয়া গ্রহণযোগ্য।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!