ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার বিবর্তন উল্লেখ কর।

অথবা, স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদের বিবর্তনের ধারাবাহিকতা তুলে ধর।
অথবা, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার বিবর্তন সম্পর্কে লিখ।
অথবা, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার বিবর্তন বর্ণনা কর।
অথবা, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্বায়ত্তশাসিত সরকারের ক্রমবিবর্তন তুলে ধর।
অথবা, পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার বিবর্তন সম্পর্কে যা জান লিখ।
ভূমিকা :
বাংলাদেশে স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার একটি উল্লেখযোগ্য দিক হলো পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকার জন্য বিশেষ ব্যবস্থা। বাংলাদেশের পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত রাঙ্গামাটি, খাগড়াছড়ি ও বান্দরবান এই তিনটি পার্বত্য জেলায় স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থা একটি স্বতন্ত্ররূপ ধারণ করেছে।
পার্বত্য চট্টগ্রামের স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সরকার ব্যবস্থার বিবর্তন : স্বাধীনতার পূর্বে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আমলে পার্বত্য চট্টগ্রাম এলাকা একটি স্বতন্ত্র এলাকা হিসেবে ঘোষিত হয় ১৮৬০ সালে। ১৯০০ সালে পার্বত্য চট্টগ্রাম সংক্রান্ত বিধানে এই অঞ্চলকে বহির্ভূত এলাকা (Excluded Area) হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ১৯৪৭
সালে ভারত বিভক্ত হলে পার্বত্য এলাকার অধিবাসীবৃন্দ পূর্ব পাকিস্তানের অন্তর্ভুক্ত হয় বটে, কিন্তু জনসমষ্টির অধিকাংশ অমুসলিম বলে পাকিস্তানের আদর্শের সাথে ঐকমত্য পোষণে অসম্মতি প্রকাশ করে। ১৯৫৬ সালের পাকিস্তান সংবিধান পার্বত্য এলাকার বিশেষ মর্যাদার (বহির্ভূত এলাকা হিসেবে) অবসানে এই অঞ্চলে তীব্র অসন্তোষ দেখা দেয়। বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান পার্বত্য এলাকার স্বায়ত্তশাসনসহ অন্যান্য দাবি প্রত্যাখ্যান করেন। জিয়া সরকারের আমলেও এ দাবিসমূহ প্রত্যাখ্যান করা হলে এ অঞ্চলে শান্তি বাহিনীর নেতৃত্বে পার্বত্য অধিবাসীদের সশস্ত্র আন্দোলন শুরু হয়। পার্বত্য এলাকায় উপজাতীদের দাবির প্রেক্ষিতে ১৯৮৯ সালে তৎকালীন প্রেসিডেন্ট এরশাদ পার্বত্য চট্টগ্রামে স্থানীয় সরকার নামে ‘সীমিত শাসনব্যবস্থা প্রবর্তনের উদ্দেশ্যে জাতীয় সংসদে আইন পাস করেন। উক্ত আইনের ৩টি পার্বত্য জেলার জন্য ৩টি স্থানীয় সরকার পরিষদ গঠিত হয়। আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এসে ১৯৯৮ সালে পার্বত্য জেলা পরিষদ’ নামকরণ করে কিছু পরিবর্তন আনে। পরিষদগুলো হলো :
ক. রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ;
খ. খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদ;
গ. বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদ।
এর ফলে সীমিত আকারে তাদের কিছু স্বায়ত্তশাসন দেয়া হয়। ফলে দীর্ঘদিনের উপজাতীয় ও বাঙালিদের মধ্যেকার দ্বন্দ্ব ও বৈরিতা কিছুটা হলেও উপশম হয়। ১৯৯৭ সালের ২ ডিসেম্বর আওয়ামী লীগ সরকারের সাথে উপজাতীয়দের এক ঐতিহাসিক চুক্তি হয়। সেই চুক্তির শর্ত অনুযায়ী তিন পার্বত্য জেলা নিয়ে ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ’ নামে একটি পরিষদ গঠন করা হয়। ১৯৯৮ সালে জাতীয় সংসদ কর্তৃক গৃহীত চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ আইনে আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয় ।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, পার্বত্যবাসীদের দীর্ঘ বঞ্চনার কিংবা অভিলাষের ফলশ্রুতিতে এবং স্থানীয় স্বায়ত্তশাসন প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্যে পার্বত্য চট্টগ্রাম আঞ্চলিক পরিষদ গঠিত হয়েছে। এই পরিষদ পার্বত্য জেলা পরিষদসমূহের অধীনে সকল উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের সার্বিক তত্ত্বাবধান ও সমন্বয়সাধন করে থাকে।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!