ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

চলক কত প্রকার ও কী কী

প্ৰশ্ন৷১৯৷ চলক কত প্রকার ও কী কী?
অথবা, চলকের প্রকারভেদ লিখ।
অথবা, চলকের শ্রেণিবিভাগ লিখ।
অথবা, চলকের ধরন সমূহ লিখ।
উত্তর৷ ভূমিকা :
সামাজিক গবেষণায় চলক একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রত্যয়। এটি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতির সবচেয়ে ক্ষুদ্র এবং তাৎপর্যপূর্ণ উপাদান। মূলত চলক হলো পরিবর্তনশীল রাশি । অর্থাৎ যা পরিবর্তিত তাই চলক । কোনো গবেষণার কাজে চলকগুলোকে বিভিন্ন দৃষ্টিভঙ্গিতে বিচারবিশ্লেষণ করা হয় ।

চলকের প্রকারভেদ : কোনো গবেষণার কাজে চলকগুলোকে বিভিন্ন আঙ্গিকে বিবেচনা করা হয় । মূলত ব্যবহারিক দিকের উপর লক্ষ্য রেখেই চলককে নিম্নোক্তভাবে শ্রেণিবিভাজন করা যায়।
ক. প্রকৃতিগত দিক থেকে চলক দু’প্রকার। যথা :
i. গুণগত চলক :
যে সমস্ত চলক গুণবাচক বৈশিষ্ট্যের প্রতিনিধিত্ব করে এবং যা সরাসরি সংখ্যাতাত্ত্বিকভাবে উপস্থাপিত করা যায় না তাই গুণবাচক চলক। যেমন- সংস্কৃতি, মেধা, ধর্ম, আবেগ, মনোভাব, বুদ্ধি ইত্যাদি ।

ii. সংখ্যাবাচক চলক: তথ্যের যেসব বৈশিষ্ট্য সংখ্যায় পরিমাপ করা যায় তাদেরকে সংখ্যাবাচক চলক বলে। যেমন- ওজন, বয়স, উচ্চতা, আয়-ব্যয় ইত্যাদি ।
খ. গতিপথ (Trend) অনুযায়ী চলক দু’প্রকার। যথা :

i. বিচ্ছিন্ন চলক : যে সকল চলককে কেবল পূর্ণসংখ্যায় প্রকাশ করা যায়, আংশিকভাবে নয় তাদেরকে বিচ্ছিন্ন চলক বলে। অন্য কথায় যেসব চলক ভেঙে পরিমাপ বা প্রকাশ করা যায় না তাদেরকে বিচ্ছিন্ন চলক বলে । যেমন-পরিবারের লোকসংখ্যা, বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষ সংখ্যা ইত্যাদি ।


ii. অবিচ্ছিন্ন চলক : যে চলক একটি পরিসীমার মধ্যে যে কোনো সংখ্যামানের হতে পারে তাকে অবিচ্ছিন্ন চলক বলে । অর্থাৎ বিচ্ছিন্ন চলককে পূর্ণসংখ্যায় এবং ভগ্নাংশে দুভাবেই প্রকাশ করা যায়। যেমন- আয়, উৎপাদন, বয়স, ওজন ইত্যাদি।


গ. পদ্ধতি (Method) অনুযায়ী চলক প্রধানত তিন প্রকার । যথা :
i. স্বাধীন চলক : যে চলক অন্য কোনো চলকের সাহায্য ছাড়া ঘটনার উপর প্রভাব সৃষ্টি করতে পারে তাকে স্বাধীন চলক বলে । অর্থাৎ একটি কার্যকরণ সম্পর্কের ব্যাখ্যায় যে চলক বা চলকগুলো নির্ধারকের ভূমিকা পালন করে সেই চলক বা চলকগুলোকে স্বাধীন চলক বলে। স্বাধীন চলক অন্যকোন চলকের উপর নির্ভরশীল নয়। উদাহরণস্বরূপ বলা যায় কোনো শিক্ষার্থীর প্রতিদিনের পড়াশুনার সময় একটি স্বাধীন চলক।


ii. নির্ভরশীল চলক : স্বাধীন চলকের উপস্থিতি ও পরিবর্তনের ফলে যে চলকের উপস্থিতি ও পরিবর্তন নির্ভর করে তাকে নির্ভরশীল চলক বলে। যেমন- একজন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় কত নম্বর পাবে তা নির্ভর করে সেই পরীক্ষার্থীর প্রতিদিন কত ঘণ্টা পড়াশুনা করছে তার উপর । কারণ হচ্ছে- স্বাধীন চলক ।
ফলাফল হচ্ছে- অধীন চলক । এ জন্যই Kidder and Judd বলেন, “Independent variables are causes and dependent variables are the effects.”


iii. মধ্যবর্তীয় বা নিয়ন্ত্রিত চলক : যে সকল চলক স্বাধীন ও নির্ভরশীল চলকের মধ্যে সংযোগ স্থাপন করে সে সকল চলককে বলা হয় মধ্যবর্তী চলক । এসব চলকের প্রভাব নিয়ন্ত্রণে রাখেন বলে এদেরকে নিয়ন্ত্রিত চলক বলা হয় । গবেষণার ভাষায় নিয়ন্ত্রিত চলককে অন্তর্বর্তী চলকও বলা হয় ।


উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার পরিপ্রেক্ষিতে বলা যায় যে, পরিবর্তনশীল রাশি হলো চলক। বিশেষকরে সামাজিক গবেষণার ক্ষেত্রে গবেষক যে সকল উপাদান পর্যবেক্ষণ, নিয়ন্ত্রণ ও ব্যবহার করতে চান সেগুলোই চলক হিসেবে পরিগণিত ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!