ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

কেস স্টাডি পদ্ধতির সুবিধাগুলো আলোচনা কর ।

অথবা, কেস স্টাডি পদ্ধতির সবল দিকগুলো লিখ।
অথবা, ঘটনা অনুধ্যান পদ্ধতির সুবিধা ব্যাখ্যা কর।
অথবা, ঘটনা অনুধ্যান পদ্ধতির সবল দিকসমূহ লিখ।
অথবা, কেস স্টাডি পদ্ধতির সুবিধাগুলো উল্লেখ কর।
উত্তরা ভূমিকা :
আধুনিক সমাজে গবেষণা পদ্ধতি হিসেবে ঘটনা অনুধ্যান বা কেস স্টাডি একটি অতি জনপ্রিয় পদ্ধতি । কেস স্টাডিতে একটি নির্দিষ্ট একক নিয়ে গবেষণা করা হয় বলে গবেষকের পুরো দৃষ্টি তার নিবদ্ধ থাকে। কের স্টাডির অন্যতম সুবিধা হলো এর মাধ্যমে অনেক নতুন ও অজানা তথ্য জানা যায়। তবে এ পদ্ধতিতে সুবিধার পাশাপাশ কিছু অসুবিধা বা সীমাবদ্ধতাও রয়েছে ।
কেস স্টাডি পদ্ধতির সুবিধা : প্রতিটি পদ্ধতির ন্যায় এ পদ্ধতিয়ও কিছু সুবিধা রয়েছে। নিম্নে এর । সুবিধাসমূহ উল্লেখ করা হলো :
১. সামাজিক একক : এ পদ্ধতিটি ব্যক্তি, গোষ্ঠী, প্রতিষ্ঠান ও গ্রাম পর্যায়ে সামাজিক একক হিসেবে গবেষণায় ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে পারে।
২. নমনীয়তা : এটি একটি নমনীয় পদ্ধতি। এখানে বিভিন্ন কৌশল যেমন- সাক্ষাৎকার, প্রশ্নমালা, পর্যবেক্ষণ, দলিল, ডায়েরি, চিঠিপত্র ইত্যাদি প্রয়োগ করে তথ্য সংগ্রহ করা যায়।
৩. পূর্বানুমান গঠন : কেস স্টাডি পদ্ধতি পূর্বানুমান গঠনে সাহায্য করে। প্রত্যেক গবেষক প্রশ্নমালা ও পূর্বানুমান চূড়ান্ত করার পূর্বে প্রধান সমস্যাকেন্দ্রিক অনেক ঘটনার সঠিক বিশ্লেষণ করে দেখার চেষ্টা করবে।
৪. ব্যয় কম : এ পদ্ধতিতে গবেষণা পরিচালনা করতে খরচ কম লাগে। কেননা এখানে সমগ্রকের অধ্যয়ন না করে। দু’একটি ঘটনাকে অধ্যয়ন করা হয়।
৫. নমুনায়ন অপ্রয়োজন : নমুনায়ন অনেক সমস্যার সৃষ্টি করে। নমুনা সংগ্রহ করতে গিয়ে ব্যক্তিগত বদ্ধমূল ধারণা বা পক্ষপাত দোষে দুষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই এ পদ্ধতিতে এ ধরনের নমুনা সংগ্রহের কোন প্রয়োজন পড়ে না ।
৬. ঐতিহাসিক ব্যাখ্যা : কোন ঘটনার বর্তমানকে জানতে হলে ঐতিহাসিক ঘটনার প্রেক্ষাপটে জানতে হয়। এ পদ্ধতির মাধ্যমে কোন সমস্যার অতীত অবস্থা পর্যালোচনা করে বর্তমান সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায় ।
৭. তুলনামূলক পদ্ধতি : এটি তুলনামূলক পদ্ধতিতে সাহায্য করে। অর্থাৎ সমাজস্থ দুটি ঘটনার মধ্যে তুলনা করে একটি সার্বিক চিত্র তুলে ধরতে পারে।
৮. তত্ত্ব যাচাই : এ পদ্ধতির মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করা যায় এবং সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে তত্ত্বকে যাচাই করা সম্ভব হয় ।
৪. ব্যক্তিনিষ্ঠ বিষয়ের অধ্যয়ন : এ পদ্ধতির সাহায্যে কোন সামাজিক এককের ব্যক্তিনিষ্ঠ বিষয়, যেমন- ব্যক্তিত্ব, আবেগ, মানসিকতা ইত্যাদি সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায় ।
১০. জ্ঞান বৃদ্ধি : এ পদ্ধতিতে গবেষণার ফলে গবেষকের কোন বিষয় সম্পর্কে অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যৎ সম্পর্কে একটি স্বচ্ছ ধারণা জন্মে । তাছাড়া এ পদ্ধতি পরবর্তী গবেষণার ক্ষেত্র প্রস্তুত করে ।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, কেস স্টাডির মাধ্যমে গবেষণা করলে বিভিন্ন সুবিধা পাওয়া যায়। আর এ পদ্ধতির মাধ্যমে গবেষক অন্যান্য পদ্ধতির তুলনায় অধিকতর গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন । প্রয়োজনীয় অর্থ, সময়, দক্ষতা ও উপযুক্ত গবেষক নিয়োগের দ্বারা এ পদ্ধতিতে ফলপ্রসূ গবেষণা সম্ভব ।

প্রিয় ভাই ও বোনেরা আমাদের এই প্রশ্ন উত্তর গুলো কালেক্ট করতে অনেক পরিশ্রম করতে হয়েছে। যদি আমাদের পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অর্থ প্রদান করে আমাদের সহযোগিতা করতে চান আমাদের হোয়াটস্যাপ নাম্বারে আমাদের সাথে যোগাযোগ করুন। যাতে করে আমরা আরো দ্রুততার সাথে আপনাকে সাহায্য করতে পারি আমাদের সাথে থাকার জন্য ধন্যবাদ। Whatsaap Number 01979786079

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!