ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

উদারপন্থি নারীবাদ কী?

অথবা, স্বাধীন নারীবাদ বলতে কী বুঝ?
অথবা, উদারপন্থি নারীবাদ বলতে কী বুঝ?
অথবা, উদারপন্থি নারীবাদ কাকে বলে?
অথবা, উদারনৈতিক নারীবাদের সংজ্ঞা দাও।
অথবা, স্বাধীন নারীবাদ সম্পর্কে তোমার মতামত সংক্ষেপে ব্যাখ্যা কর।
উত্তর৷ ভূমিকা :
নারীবাদী আলোচনায় উদারনৈতিক নারীবাদ একটি গুরুত্বপূর্ণ মাত্রা। স্বাধীন চিন্তা-চেতনা, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্যবোধ ও উদারনৈতিক চিন্তাধারার মাধ্যমে এ তাত্ত্বিক পণ্ডিতরা নারী জাগরণ ও আন্দোলনকে প্রস্ফুটিত করেন।
উদারনৈতিক নারীবাদ : Naomi Wolf একটি গবেষণার আলোকে উদারনৈতিক নারীবাদের স্বরূপ ও প্রকৃতি আবিষ্কার করার চেষ্টা করেন। তিনি উদারনৈতিক নারীবাদী ধারণাকে ব্যাখ্যা করার নিরিখে ‘Power Feminism’ প্রত্যয়টি ব্যবহার করেন। এ শিবিররা পুরুষের মতো নারীর সমানাধিকার ও সমান সুযোগের দাবি করে। তবে কোনো আমূল পরিবর্তন না করে সমান দাবির প্রতি সমর্থন দেয়। উদারনৈতিক নারীবাদীদের দৃষ্টিতে নারীর স্বাধীনতা হলো সামাজিক ভূমিকা স্বকীয়তার আলোকে মেনে নেয়া এবং পুরুষের সাথে প্রতিদ্বন্ধিতা করার পাশাপাশি সমানাধিকারের প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা। আর রাষ্ট্র তথা সরকারের কাজ হলো নারীর সমানাধিকার অর্জনে নারীদেরকে প্রাতিষ্ঠানিক সুযোগ সুবিধা দিতে সহায়তা করা, যেখানে জেন্ডার বিভিন্নতার তত্ত্বের সমাপ্তি হয়েছে, সেখানেই জেন্ডার অসাম্য তত্ত্বের সূচনা হয়েছে। এটিই Liberal Feminism এর ব্যাখ্যা। লিঙ্গভিত্তিক শ্রমবিভাজনকে চিহ্নিত করার সাথে সাথেই সমাজের বিভিন্ন Public and Private ক্ষেত্রে বিভাজন তৈরি হয়েছে। ঘরে বাইরে ছাড়াও বাইরের জগতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে যে অসম অধিকার ও কৃত্রিম বাধা প্রদান করা হচ্ছে সমাজে নারীর অবস্থান পর্যবেক্ষণ করেই তা বুঝা যায়। এই চিন্তাধারায় মূলত Focus করা হয় পাবলিক ক্ষেত্র, আইন, রাজনৈতিক
ও প্রাতিষ্ঠানিক সংগ্রামের উপর, যাতে করে একজন নারী ঘরের বাইরে ও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে তার অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে পারে। এই তত্ত্ব মূলত অন্য ব্যক্তির স্বাধীনতায় বাধাপ্রাপ্ত হওয়া নিয়ে উদ্বিগ্ন। রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রচলিত প্রথা বা অন্ধ বিশ্বাস থেকে ব্যক্তিকে মুক্ত করার কথা বলে। Betty Friedan বিশ্লেষণ করে দেখেন যে, নারী পুরুষের মাঝে যে ঐতিহ্যবাহী শ্রমবিভাজন বিদ্যমান। তাই নারীর অধস্তন মর্যাদার জন্য দায়ী। এক্ষেত্রে তিনি মধ্যবিত্ত শ্রেণির একজন গৃহিণীর Steriel life এর দিকে মনোযোগ দেন। তিনি বলেন, বিশ শতকের মধ্যভাগেও অনেক নারীর ধারণা ছিল, মা ও স্ত্রী হওয়ার মাঝেই প্রকৃত আত্মপূর্ণতা নিহিত।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, নারী মূলত পুরুষ দ্বারাই দমন, নিপীড়ন, নির্যাতন ও শোষণের স্বীকার হয়। সমাজে নারীরাই সকল প্রকার Difference, Inequality, Oppression এর স্বীকার হয়। উদারনৈতিক নারীবাদ সমাজেনারীর Inferior Status এর কারণ কি এবং এই অবস্থা থেকে নারী কিভাবে মুক্তি পেতে পারে যা জানা সম্ভব।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!