ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

OIC ভুক্ত দেশসমূহের অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো আলোচনা কর ।

[ad_1]

✍️ OIC ভুক্ত দেশসমূহের অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : OIC ভুক্ত দেশসমূহের অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে ১৯৯১ সালে একটি ফ্রেমওয়ার্ক এগ্রিমেন্ট সম্পন্ন হয় । ইতোমধ্যে ২৬ টি সদস্য দেশ এ ফ্রেমওয়ার্ক চুক্তিতে স্বাক্ষর এবং ২০০৪ সালে অনুসমর্থন করেছে । ইতোমধ্যে PTS – OIC এর আওতায় গঠিত ট্রেড নেগোসিয়েশন কমিটি ( টিএনসি ) প্রথম দফা বাণিজ্য আলোচনা সম্পন্ন করেছে । প্রথম দফা আলোচনায় সদস্য দেশসমূহ Protocol on the preferential tariff scheme for the TPS – OIC ( PRETAS ) চূড়ান্ত করেছে । বাংলাদেশসহ ১১ টি দেশ প্রটোকল স্বাক্ষর করেছে ।

অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তি : প্রটোকল অনুযায়ী শুল্ক হ্রাস বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ :

ক . চুক্তিভুক্ত প্রতিটি দেশ মোট ট্যারিফ লাইনের ৭ শতাংশ পণ্য শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়ার আওতায় আনবে । তবে কোন দেশের মোট ট্যারিফ লাইনের ৯০ শতাংশ অথবা তদূর্ধ্ব পণ্যের বেস রেট যদি ০ শতাংশ এবং ১০ শতাংশের মধ্যে থাকে তাহলে তারা মোট ট্যারিফ লাইনের ১ শতাংশ পণ্য শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়ার আওতায় আনবে ।

খ . সদস্য দেশসমূহের শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়া নিম্নরূপ : ১. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ২৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে সে সব পণ্যের শুল্ক হার ২৫ শতাংশ । ২. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ১৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সে সব পণ্যের শুল্ক হার ৫ শতাংশ এবং ৩. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ১০ শতাংশের ঊর্ধ্বে থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সে সব পণ্যের শুল্ক হার ১০ শতাংশে কমিয়ে আনতে হবে ।

গ . স্বল্পোন্নত দেশসমূহ ছয় বছরের মধ্যে এবং উন্নয়নশীল দেশসমূহ চার বছরের মধ্যে এ শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে ।

ঘ . এখানে সেচ্ছায় ফাস্ট ট্র্যাক প্রক্রিয়ায় শুল্ক কমানোর ব্যবস্থাও রয়েছে ।

ঙ . ১. শুল্ক হ্রাসের আওতায় পণ্যের ক্ষেত্রে কোন নতুন শুল্ক আরোপ করা যাবে না ।

২. প্যারা ট্যারিফ ও নন – ট্যারিফ বাধাসমূহ দূরীকরণ / কমানোর ব্যবস্থা করা হবে ।

চ . PRETAS কার্যকর হওয়ার তারিখ থেকে এ শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়া প্রবর্তন করা হবে । ১ জানুয়ারি ২০০৯ তারিখ থেকে শুল্ক হ্রাস কর্মসূচি কার্যকর হবে বলে আশা করা হলেও এখনো তা হয় নি I

উপসংহার : OIC ভুক্ত দেশসমূহে অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তিগুলো বাস্তবায়নের ফলে অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়েছে ।

✍️ বাংলাদেশে বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ( WTO ) প্রভাব আলোচনা কর ।

উত্তর। ভূমিকা : বাংলাদেশের উপর বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার ইতিবাচক প্রভাবের চেয়ে নেতিবাচক প্রভাবই বেশি । WTO এর প্রভাব নিয়ে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :

১. স্থানীয় শিল্প হুমকির সম্মুখীন : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী বিশ্ব বাণিজ্য উন্মুক্ত রূপ লাভ করেছে । বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ পুঁজির স্বল্পতা রয়েছে । বাণিজ্য উন্মুক্ত হওয়ায় উন্নত বিশ্বের পুঁজি অবাধে বাংলাদেশে প্রবেশ করছে । বিদেশি বিশাল পুঁজির সাথে দেশের ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প কারখানাগুলোর প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারবে না ।

২. কৃষিতে প্রভাব : WTO এর নীতিমালা অনুযায়ী কৃষি উপকরণে সরকারি ভর্তুকি হ্রাস করতে হবে । ফলে সার , বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতির মূল্য বৃদ্ধি পাবে । এতে করে আমাদের কৃষি ধ্বংসের মুখোমুখি অবস্থায় দাঁড়াবে ।

৩. ঔষধ শিল্পে প্রভাব : WTO ‘ র মেধাস্বত্ব আইন অনুযায়ী বাংলাদেশ নিজস্ব প্যাটেন্ট আইন অনুযায়ী অনেক ঔষধ আর উৎপাদন করতে পারে না । এতে করে ঔষধের মূল্য বৃদ্ধিসহ মানুষের চিকিৎসা সুবিধা ব্যাহত হবে ।

৪. বিদেশি পণ্যের বাজারে পরিণত হচ্ছে : WTO এর জন্য বাজার উন্মুক্তকরণ হওয়ায় আমাদের বাজারে অবাধে বিদেশি পণ্য প্রবেশ করছে । এর ফলে আমদানি ব্যয় বৃদ্ধি পাচ্ছে ও বাণিজ্য ভারসাম্য দিন দিন প্রকট হচ্ছে ।

৫. নারীর অভিগম্যতা বৃদ্ধি : বাণিজ্য উন্মুক্ত হওয়ায় দেশে বিদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধিসহ বেশকিছু শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । এতে করে কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পেয়েছে । এসব কর্মসংস্থানের একটা বড় অংশ এখন নারীরা নিয়োজিত হচ্ছে ।

৬. বিনোদন শিল্প প্রতিযোগিতার সম্মুখীন : বাজার উন্মুক্ত হওয়ায় বাংলাদেশ বিদেশি বিনোদন পণ্য যেমন সিনেমা গানের সিডি ক্যাসেট অবাধে প্রবেশ করছে । উন্নত বিশ্বের এসব বিনোদন পণ্যের সাথে আমাদের সিনেমা গান প্রতিযোগিতায় পেরে উঠছে না । তাই আমাদের বিনোদন শিল্প ধ্বংসের সম্মুখীন ।

৭. পোশাক শিল্প প্রতিযোগিতার সম্মুখীন : ২০০৫ সাল থেকে WTO এর নীতি কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের জন্য MEN ও কোটা সুবিধা হয়ে গেছে । এছাড়া বাংলাদেশের পোশাক শিল্পের পর্যাপ্ত Back ward Linkage Industry নেই । তাই দেশের পোশাক শিল্প ব্যাপক প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়েছে ।

৮. বেকারত্ব ও দারিদ্র্য বৃদ্ধি : বিদেশি পণ্যসামগ্রী অবাধে প্রবেশ করায় এ দেশগুলোর শিল্প কারখানা একের পর এক বন্ধ হয়ে যাবে । ফলে এসব দেশে দারিদ্র্য ও বেকারত্ব ভয়াবহভাবে বৃদ্ধি পাবে ।

৯. উদার বাণিজ্য নীতির নামে বৈষম্য বাণিজ্য নীতির : অবাধ বাণিজ্য এবং অবাধ বাজার সকলের জন্যই উপকারী এমন কথা সবসময় ঘোষণা করে বেড়ায় WTO কিন্তু এ ধারণা সত্য নয় । WTO এর উদার বাণিজ্য নীতির কারণে দরিদ্র দেশগুলোর শিল্পোন্নত দেশগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে পারছে না । একদিকে উন্নত দেশগুলোর সস্তা পণ্য অবাধে দরিদ্র দেশগুলোতে বেশি আমদানিতে মার খাচ্ছে । দরিদ্র দেশগুলো তাদের পণ্য উন্নত দেশগুলো বাজারে দিতে পারছে না । কারণ সেখান আছে শুল্ক ও শুল্কজনিত নানা বাধা । আবার শিল্পোন্নত দেশগুলোর উন্নয়নশীল দেশগুলোকে শিল্পজাত দ্রব্যের উপর শুল্ক শতকরা ১০ শতাংশ এর নিচে রাখার জন্য বাধ্য করছে । এভাবে শক্তিশালী অর্থনীতির সাথে দুর্বল অর্থনীতির মধ্যকার প্রতিযোগিতায় দুর্বল পক্ষ অবধারিতভাবে পরাভূত হচ্ছে । এ অসম প্রতিযোগিতার ফলে ০ এর দশকে ধনী দেশগুলোর সাথে দরিদ্র দেশগুলোর জীবন মান ও সমৃদ্ধির ব্যবধান আরো বাড়ছে । এমনকি UNCTAD এর Trade and development report এ বলা হয়েছে উন্নয়নশীল দেশগুলোর প্রবৃদ্ধির হার ৭০ এর দশকের চেয়েও কম হয়েছে ৯০ এর দশকে । যেখানে WTO ‘ র কাজ হচ্ছে দেশে দেশে বাণিজ্য সংঘাত মিটানো সেখানে তাদের প্রণয়নকৃত নীতির ফলে এ সংঘাত উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে ।

উপসংহার : OIC র ইতিবাচক প্রভাব যেমন বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য তেমনি নেতিবাচক প্রভাবও উল্লেখযোগ্য ।

✍️ SAFTA চুক্তি বাংলাদেশের অর্থনীতির উন্নতির জন্য কতটুকু সার্থক বলে তুমি মনে কর ।

উত্তর। ভূমিকা : SAFTA চুক্তি অনুসারে বাণিজ্যিকভাবে বাংলাদেশ লাভবান হওয়ার কথা ছিল বাস্তবে তা কতটুকু হয়েছে নিম্নের আলোচনা থেকে জানা যাবে । সাফটা চুক্তিকে অনুকূলে নিয়ে বাংলাদেশ ভারত ও পাকিস্তান তার রপ্তানির পরিমাণ বাড়িয়ে এ দুটি দেশের সাথে তার যে বাণিজ্য ঘাটতি রয়েছে , তা কমানোর উদ্যোগ নিতে পারে । বাংলাদেশ ভারত বাণিজ্যিক সম্পর্ক বাংলাদেশের মাথাব্যথার অন্যতম কারণ । এ বাণিজ্য সম্পর্ক ভারতের অনুকূলে ।

বাংলাদেশ ভারতে যা রপ্তানি করে , আমদানি করে তার থেকে এগার গুণ বেশি । এটি সরকারিভাবে বৈধ আমদানি রপ্তানি হিসেবে । এ বাইরে চোরাই পথে প্রচুর ভারতীয় পণ্য আসে । চোরাই পথের পণ্যের হিসাব যদি ধরা হয় , তাহলে ঘাটতির পরিমাণ আরো সাতগুণ বাড়বে প্রতিবছর । চোরাই পথে দুই থেকে আড়ায় হাজার কোটি টাকার পণ্য ভারত থেকে বাংলাদেশে আসে । বাংলাদেশ এ ঘাটতির জন্য ভারতকে দায়ী করেছে । স্বাধীনতার পর থেকে এরশাদ সরকারের পতনের পূর্বে পর্যন্ত বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে তিনটি ধি – পাক্ষিক বাণিজ্য চুক্তি হয় ।

চুক্তি মোতাবেক বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির পরিমাণ বৃদ্ধি ও আমদানি শুল্ক রেয়াত কোনটাই ভারত রক্ষা করে নি । উপরন্তু ভারত কর্তৃক বরাবরই বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানির ক্ষেত্রে বর্ধিত হারে আমদানি শুল্ক আরোপ করা হয়েছে । এতে এদেশের পণ্য আমদানিতে ভারতীয় আমদানিকারকরা শুধু নিরুৎসাহিতই হচ্ছে না । এর ফলে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণও বাড়ছে ।

পাকিস্তানের সাথেও বাংলাদেশের একই সমস্যা । পাকিস্তানের সাথে বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ এখন একশ কোটি টাকারও বেশি । আর এ ঘাটতি দুটি দেশের সাথে আর্থিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে অন্যতম অন্তরায় । বাংলাদেশ যে পরিমাণ পণ্য পাকিস্তানে রপ্তানি করে , আমদানি করে তার দ্বিগুণ । গত দেশের মধ্যে বাণিজ্য ঘাটতির এ প্রবণতা চলছে । এ ধরনের পরিস্থিতিতে সাফটা বাংলাদেশের জন্য সম্ভাবনার দ্বার খুলে দিতে পারে । বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরেই ভারতের বাজারে অবাধ প্রবেশের দাবি করে আসছে । ভারতে যেহেতু বাংলাদেশি পণ্যের একটি বিরাট বাজার রয়েছে ।

সেহেতু এ ধরনের সুযোগ বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ব্যাপক সুযোগ বয়ে আনবে বলে ধারণা করা হয় । কিন্তু এ ক্ষেত্রে লক্ষ্য রাখতে হবে যে বাংলাদেশ কিন্তু ইতোমধ্যে ভারতের একটি বাজারে পরিণত হয়ে রয়েছে । সে ক্ষেত্রে বাণিজ্যিক ভারসাম্য আনতে বাংলাদেশকে কঠোর হয়ে প্রতিযোগিতার মুখোমুখি হতে হবে । তবে বিশেষজ্ঞ মহলের অভিমত হলো বাংলাদেশ যদি সুনির্দিষ্ট কৌশল অবলম্বনের মাধ্যমে সাফটা সুযোগ সুবিধা দিতে পারে তবে তা বাংলাদেশের অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক ভূমিকা বয়ে আনবে । সার্বিক বিশ্লেষণে দেখা যায় সাফটা সফলভাবে কার্যকরী হলে বাংলাদেশের নিম্নলিখিত সুবিধাগুলো পেতে পারে ।

১. ভারত ও পাকিস্তানের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনের ভারসাম্য হ্রাস পাবে ।

২. বাংলাদেশের পণ্যসামগ্রী রপ্তানি বাজার বৃদ্ধি পাবে ।

৩. নেপাল , ভুটান ও মালদ্বীপে বাংলাদেশের পণ্যের বিশাল বাজার গড়ে তোলা সম্ভব হবে ।

৪. সামগ্রী রপ্তানি বাজার বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে ও

৫. বাণিজ্যিক সম্পর্ক বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে সদস্য রাষ্ট্রগুলোর সাথে রাজনৈতিক সম্পর্কও বৃদ্ধি পাবে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে আমরা বলতে পারি SAFTA প্রতিষ্ঠিত হওয়ার ২৭ বছর অতিবাহিত হলেও বাংলাদেশ তেমন কোন লাভ পায় নি ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!