মধ্যযুগে বাংলার ইতিহাসের উৎস হিসেবে বিদেশি পর্যটকদের বিবরণীর গুরুত্ব আলোচনা কর ।
উত্তর : ভূমিকা : ইতিহাস লেখার অন্যান্য উৎসের মত বিদেশি পর্যটকদের বর্ণনাও গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস। প্রাচীনকাল হতেই ভারতীয় উপমহাদেশে নানা দেশ থেকে পর্যটক আসতো। সেই […]
উত্তর : ভূমিকা : ইতিহাস লেখার অন্যান্য উৎসের মত বিদেশি পর্যটকদের বর্ণনাও গুরুত্বপূর্ণ একটি উৎস। প্রাচীনকাল হতেই ভারতীয় উপমহাদেশে নানা দেশ থেকে পর্যটক আসতো। সেই […]
উত্তর : ভূমিকা : মধ্যযুগীয় বাংলার ইতিহাস পুনর্গঠনে উপাদানসমূহ খুবই সীমিত। সুলতানি আমলের লিখিত উৎস নাই বললেও চলে । মুঘল আমলে লেখা কিছু গ্রন্থ আছে। […]
উত্তর : ভূমিকা : সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে (১৬০৫-১৬২৭ খ্রিঃ) সুবেদার ইসলাম খাঁর রণকৌশলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। প্রকৃত প্রস্তাবে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত […]
উত্তর : ভূমিকা : সম্রাট জাহাঙ্গীরের শাসনামলে (১৬০৫-১৬২৭ খ্রিঃ) সুবেদার ইসলাম খাঁর রণকৌশলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত হয়। প্রকৃত প্রস্তাবে সম্রাট আকবরের শাসনামলে বাংলা মুঘল সাম্রাজ্যভুক্ত […]
উত্তর : ভূমিকা : তৎকালীন বাংলায় রাজদরবার কেন্দ্রিক : সাহিত্যচর্চা ছিল ভালো। তবে সেটা মুঘল আমলে। আর যেসব ইতিহাস লেখা হত তা ছিল দিল্লি কেন্দ্রিক। […]
উত্তর : ভূমিকা : মুঘল যুগের সরকারি পৃষ্ঠপোষকতায় যে সকল ঐতিহাসিক ইতিহাস রচনা করেছেন তাদের মধ্যে আবুলফজল ছিলেন অগ্রগণ্য। সরকারি ও বেসরকারি তথ্যাবলির সাহায্যে তথ্যসমৃদ্ধ […]
উত্তর : ভূমিকা : ‘কিরান-উস-সাদাইন’ মধ্যযুগের একটি অতিমূল্যবান গ্রন্থ বিশেষ। বাংলার ইতিহাস রচনার জন্য এ গ্রন্থটিবিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কিরাণ-উস-সাদাইন গ্রন্থটির বাংলার রচনায় অন্য যে কোনো গ্রন্থ […]
উত্তর : ভূমিকা : ‘কিরান-উস-সাদাইন’ মধ্যযুগের একটি অতিমূল্যবান গ্রন্থ বিশেষ। বাংলার ইতিহাস রচনার জন্য এ গ্রন্থটিবিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ। কিরাণ-উস-সাদাইন গ্রন্থটির বাংলার রচনায় অন্য যে কোনো গ্রন্থ […]
উত্তর : ভূমিকা : ঐতিহাসিক শামস-ই-আফীফ রচিত তারিখ-ই-ফিরোজশাহীতে বাংলা সম্পর্কে হালকায় তথ্য দেওয়া আছে, সমসাময়িক বাংলার সম্পূর্ণ বই বা পূর্ণাঙ্গ কোনো তথ্য সরাসরি পাওয়া যায় […]
উত্তর : ভূমিকা : সুলতানি আমলে রাজদরবারে খুব বেশি সাহিত্য চর্চা হতো না। এজন্য সুলতানি আমলের বেশি ইতিহাসের উৎস খুঁজে পাওয়া যায় না। মুঘল আমলে […]
Copyright © 2026 | WordPress Theme by MH Themes