ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

সাপটা ( SAPTA ) ও সাফটা ( SAFTA ) কী ? সাফটা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি কী সম্ভব ? SAFTA চুক্তির মূল বিষয়বস্তু কী ?

[ad_1]

✍️ সাপটা ( SAPTA ) ও সাফটা ( SAFTA ) কী ? সাফটা বাস্তবায়ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক মুক্তি কী সম্ভব ? SAFTA চুক্তির মূল বিষয়বস্তু কী ?

উত্তর। ভূমিকা : সাপটা ও সাফটা এ দুটি বিষয় সার্কভুক্ত দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ।

সাপটা ( SAPTA ) : সাপটা হচ্ছে সার্কভুক্ত আটটি দেশের মধ্যে বাণিজ্য সম্প্রসারণ সংক্রান্ত একপ্রকার সমঝোতা চুক্তি । এটি ১৯৯৩ সালের এপ্রিল মাসে ঢাকায় সার্কের সপ্তম শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিন অর্থাৎ ১১ এপ্রিল সার্কভুক্ত দেশগুলোর পররাষ্ট্র মন্ত্রিগণ এ চুক্তি স্বাক্ষর করেন । এ চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হওয়ার পূর্বে সচিব ও মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকগুলোতে সাপটা চুক্তির বিষয়ে মাতানৈক্য দেখা দেয় । ফলে বিষয়টি শীর্ষ পর্যায়ে পেশ করা হলে সেখানে সাপটা চুক্তি স্বাক্ষরের ব্যাপারে বিস্তারিত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মতৈক্য প্রতিষ্ঠিত হয় ।

“ ঢাকা ঘোষণায় ” সাপটাকে কাঠামোগতভাবে গ্রহণ করা হয় । এছাড়া এ বিষয়ে বিস্তারিত ব্যবস্থা নেয়ার জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রীদের পরবর্তী বৈঠকের উপর দায়িত্ব দেয়া হয় । গত ১৯৯৫ সালের ২০-২১ এপ্রিলের আইজিজি বা Inter Government Group এর সভায় শুল্ক রেয়াত বিনিময় চূড়ান্ত করা হয় এবং ৮ ডিসেম্বর ( ১৯৯৫ ) থেকে সাপটা কার্যকর হয়েছে ।

সাফটা ( SAFTA ) : সাপটা ( SAPTA ) এর সম্প্রসারিত প্রতিফলনই হচ্ছে সাফটা ( SAFTA ) । সাপটা কার্যকর হওয়ার পর থেকে এর সফলতার উপর নির্ভর করে সাফটার বাস্তবায়ন । দশম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে সাফটা গঠনের বিষয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করা হয় । উল্লেখ্য ১৯৯৭ সালে মালদ্বীপে অনুষ্ঠিত নবম সার্ক শীর্ষ সম্মেলনে ২০০২ সালের মধ্যে সাপটাকে সাফটায় রূপান্তর অর্থাৎ সার্ক যুক্ত বাণিজ্য এলাকা হিসেবে গড়ে তোলার কথা বলা হয়েছিল । পরবর্তীতে ২০০৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে সাফটা কার্যকরী করার সিদ্ধান্ত হয় । এ অঙ্গীকারের অর্থ হলো পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে সার্কের ৮ টি দেশ বিশ্বের অন্যান সমৃদ্ধশালী আঞ্চলিক জোট যেমন- আসিয়ান , ইউরোপীয় কমন মার্কেট , পুঁজি বিনিয়োগ ও কাঁচামাল আদান – প্রদান ইত্যাদি অর্থনৈতিক সহযোগিতার মাধ্যমে উন্নয়ন করবে ।

সাফটা চুক্তির বাস্তবায়নে যেসব ক্ষেত্রে এ অঞ্চলের স্বল্পোন্নত দেশের লাভবান হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে সেগুলো হলো :

১. বাণিজ্য ঘাটতি দূরীকরণ হবে ।

২. আন্তঃসহযোগিতা বৃদ্ধি ও বৈরি সম্পর্কের অবসান ঘটবে ।

৩. বিশ্ব বাজারে বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে ।

৪. বহুমুখী বাণিজ্য বৃদ্ধি পাবে ।

৫. দারিদ্র্য বিমোচন ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে ।

৬. পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হবে ।

৭. টেকসই উন্নয়ন ও প্রযুক্তি হস্তান্তর বৃদ্ধি পাবে ।

৮. ‘ ট্রেড ব্লক ’ গড়ে উঠবে ।

SAFTA চুক্তির মূল বিষয়বস্তু : ২০০৬ সালে কার্যকর হওয়া সাফটা চুক্তির মূল লক্ষ্য সার্কের ৮ টি দেশের মধ্যে মুক্ত বাণিজ্য অঞ্চল প্রতিষ্ঠা করা । চুক্তিটিতে মোট দফা রয়েছে ২৫ টি । চুক্তি অনুযায়ী সার্কভুক্ত দেশগুলোর পণ্যের শুল্ক শূন্য থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে । সাফটা চুক্তিতে সদস্য রাষ্ট্রগুলোকে দুটি ভাগে ভাগ করে দেখানো হয়েছে । ভারত , পাকিস্তান , শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তানকে উন্নয়নশীল এবং বাংলাদেশ , নেপাল , ভুটান ও মালদ্বীপকে স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে । এ বিভক্তি করা হয়েছে জাতিসংঘ প্রদত্ত উন্নয়নশীল ও স্বল্পোন্নত দেশের সংজ্ঞা অনুসারে । চুক্তি অনুযাযী উন্নয়নশীল দেশগুলো চুক্তি কার্যকর হওয়ার ২ বছরের মধ্যে তাদের আমদানির শুল্ক হার ২০ শতাংশে নামিয়ে আনবে ।

চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রাক্কালে এ দেশগুলোর শুল্ক হার যদি ২০ শতাংশের কম থাকে তাহলে ২ বছরের জন্য প্রতিবছর মার্জিন অব প্রেফারেন্স ভিত্তিতে প্রকৃত শুল্ক হারের ১০ শতাংশ কমাতে হবে । অন্যদিকে , স্বল্পোন্নত দেশগুলোকে চুক্তি কার্যকর হওয়ার ২ বছরের মধ্যে তাদের শুল্ক হার ৩০ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে । চুক্তি কার্যকর হওয়ার প্রাক্কালে শুল্ক হার ৩০ শতাংশের কম থাকলে ২ বছরের জন্য প্রতিবছর শুল্ক হার ৫ শতাংশে কমাতে হবে ।

২০০৮ সালের চুক্তির প্রথম ধাপ শেষ হবে । দ্বিতীয় ধাপ অর্থাৎ ২০০৯ সাল থেকে পরবর্তী ৫ বছরের মধ্যে ভারত ও পাকিস্তান চুক্তি অনুযায়ী তাদের শুল্ক হার ৫ শতাংশে নামিয়ে আনবে । শ্রীলঙ্কার জন্য সময় দেয়া হয়েছে ৬ বছর । অন্যদিকে , বাংলাদেশসহ স্বল্পোন্নত দেশকে ২০১৭ সালের মধ্যে অর্থাৎ চুক্তির দ্বিতীয় ধাপ শুরুর পরবর্তী ৮ বছরের মধ্যে শুল্ক হার শূন্য থেকে ৫ শতাংশে নামিয়ে আনতে হবে ।

✍️ বাংলাদেশের বাণিজ্য নীতি তথা আমদানি ও রপ্তানিনীতি আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশে ক্রমশ উদার বাণিজ্য নীতি গ্রহণ করা হচ্ছে । ১৯৮০ এর দশকে এক বছর মেয়াদি এবং নব্বই এর দশকের প্রথমার্ধে দু’বছর মেয়াদি আমদানি ও রপ্তানিনীতি প্রণয়ন করা হয় । ১৯৯৭ সাল থেকে ৫ বছর মেয়াদি বাণিজ্য নীতি প্রণয়ন ও কার্যকর করা হয়েছে । বর্তমানে বাংলাদেশের উপর বিশ্ব মন্দা অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলা করার জন্য সরকার নতুন আমদানি ও রপ্তানিনীতি গ্রহণ করেছে । নিম্নে এগুলো আলোচনা করা হলো :

ক . বাংলাদেশের আমদানিনীতি : রপ্তানি সহায়ক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের জন্য কাঁচামাল আমদানি পদ্ধতি সহজ করার মাধ্যমে দেশীয় রপ্তানিকে সুদৃঢ় ভিত্তি প্রদানের উদ্দেশ্যে সরকার সংগতিপূর্ণভাবে তিন বছর মেয়াদি ( ২০০৯-১২ ) আমদানিনীতি প্রণয়ন করেছে ।

আমদানিনীতিতে গৃহীত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপগুলো নিম্নরূপ :

১. বিশ্ব বাণিজ্য ( WTO ) এর আওতায় বিশ্বায়ন ও মুক্ত বাজার অর্থনীতির ক্রমবিকাশের ধারায় যে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে তার আলোকে আমদানিনীতিকে আরো সহজ করা ।

২. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারকল্পে অবাধ প্রযুক্তি আমদানির সুবিধা প্রদান ।

৩. গুণগত মান ও স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা ।

৪. পণ্যের আমদানির উপর ক্রমান্বয়ে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে শিল্পের উপাদান অধিকতর সহজলভ্য করা এবং প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি । আমদানিনীতি অধ্যাদেশ , ২০০৯-২০১২ প্রণয়নের মাধ্যমে আমদানিনীতিতে বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে ।

নিম্নে এগুলো আলোচনা করা হলো :

১. নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী , পোশাক শিল্পের কাঁচামাল ও মূলধনী যন্ত্রপাতি ঋণপত্র প্রতিষ্ঠা ছাড়াই আমদানির সুযোগ রাখা হয়েছে ।

২. খুচরা মোড়কে দুগ্ধজাত শিশুখাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে ২.৫ কেজি পর্যন্ত টিনের পাত্রে আমদানির সুবিধা প্রদান করা হয়েছে ।

৩. ননীযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য মোড়কে ২.৫ কেজি পর্যন্ত টিন / ব্যাগ ইনবক্স পাত্রে আমদানির সুবিধা প্রদান করা হয়েছে ।

৪. বৃহৎ বায়ুবদ্ধ মোড়কে ননীযুক্ত দুগ্ধজাত খাদ্য ও শিশুখাদ্য আমদানির সুবিধা প্রদান করা হয়েছে ।

৫. সংরক্ষিত খাদ্য আমদানির ক্ষেত্রে Preservative এর মাত্রা উল্লেখের শর্ত সংযোজন করা হয়েছে ।

৬. রপ্তানিকারক / উৎপাদক কর্তৃক বিনামূল্যে নমুনা আমদানির সর্বোচ্চ সীমা ৫ হাজার মার্কিন ডলার হতে ১০ হাজার মার্কিন ডলারে উন্নীত করা হয়েছে ।

৭. শিল্প / বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ক্রুড সয়াবিন ও ঝুড পামওয়েল আমদানির সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে ।

৮. শর্তসাপেক্ষে হাঁস – মুরগি ও পাখির ডিম আমদানি করার বিধান রাখা হয়েছে ।

৯. বিষাক্ত বর্জ্যযুক্ত জ্ঞাপ ভেসেল আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে ।

১০. শর্তসাপেক্ষে ধান বীজ আমদানির সুবিধা করা হয়েছে ।

১১. টিসিবির জন্য শিল্প ও বাণিজ্যিক আমদানির সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে ।

উপসংহার : বাংলাদেশের বর্তমান আমদানি ও রপ্তানি নীতি বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ইতিবাচক প্রভাব পড়বে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!