অথবা, সহসম্বন্ধ সহগের গুণসমূহ লিখ।
অথবা, সহসম্বন্ধ সহগের গুণাবলি তুলে ধর।
অথবা, সহসম্বন্ধ সহগের গুণাবলি উল্লেখ কর।
উত্তর ভূমিকা :
সামাজিক পরিসংখ্যানের একাধিক চলকের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক নির্ণয়ে সহসম্বন্ধ একটি বহুল ব্যবহৃত ও আলোচিত পরিসাংখ্যিক পদ্ধতি। দুটি চলক পরস্পরের মধ্যে কিভাবে এবং কি পরিমাণে সম্বন্ধযুক্ত সেটা সহসম্বন্ধ নির্দেশ করে।
সহসম্বন্ধ সহগের গুণাবলি : সহসম্বন্ধ সহগের গুণাবলি নিয়ে আলোচনা করা হলো :
পরিবর্তকের মাত্রা এবং মূলবিন্দু স্বাধীনভাবে পরিবর্তন করা যায় । এর মান ১ থেকে +১ এর মধ্যেই সীমাবদ্ধ। কোনো দফার মান খুব বেশি বড় হলেও এটি কোনো সমস্যার সৃষ্টি করে না।
এটি দুটি নির্ভরণ সহগের জ্যামিতিক গড়ের সমান অর্থাৎ,
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, দুটি পরিবর্তনশীল চলকের মধ্যকার সম্পর্কই সহসম্বন্ধ। আর এ সম্পর্কের মাত্রা বুঝানোর জন্য সহসম্বন্ধ সহগ ব্যবহৃত হয়। সামাজিক সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য এটিই উত্তম পদ্ধতি, এর নানাবিধ সুবিধাবলির কারণে এটি সামাজিক পরিসংখ্যানে ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয় ।

admin

By admin

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!