ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

শিল্প জাতীয়করণের বিপক্ষে যুক্তি দেখাও ৷

[ad_1]

✍️শিল্প জাতীয়করণের বিপক্ষে যুক্তি দেখাও ৷

উত্তর ৷ ভূমিকা : বিভিন্ন অর্থনীতিবিদ ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানী শিল্প জাতীয়করণের বিপক্ষে মতামত দিয়েছে ।

শিল্প জাতীয়করণের বিপক্ষে যুক্তি : নিম্নে তা আলোচনা করা হলো :

কর্মসূচি ১. পুঁজি বিনিয়োগে অচল অবস্থা : শিল্প জাতীয়করণের ফলে শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগ হ্রাস পায় । শিল্প জাতীয়করণের অনেক সময় দেশে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অচল অবস্থা সৃষ্টি হয় । জাতীয়করণের ফলে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগ কমে যায় ।

২. দক্ষ ব্যবস্থাপনার অভাব : রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প পরিচালনার জন্য যে দক্ষ প্রশাসন কাঠামোর প্রয়োজন তা আমাদের দেশে নেই । এ কারণে আমাদের দেশের শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলো উৎপাদন বাড়াতে পারছে না ।

৩. উৎসাহ ও উদ্দীপনার অভাব : অধিক মুনাফা লাভের আশায় ব্যক্তিমালিকানা শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠে । ফলে ব্যক্তি লাভের আশায় আরো পরিশ্রমী ও উৎসাহী হয়ে উঠে । যার কারণে অধিক উৎপাদন সম্ভব হয় । অপরপক্ষে , সরকারি মালিকানায় পরিচালিত শিল্প কারখানা মুনাফা প্রবৃত্তি দ্বারা পরিচালিত নয় বলে অধিক উৎসাহ ও উদ্দীপনা দেখা দেয় ।

৪. ব্যক্তিস্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ : শিল্পকে জাতীয়করণের বিপক্ষে অন্য একটি যুক্তি হলো এটা মানুষের ব্যক্তি স্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করে । এছাড়া ব্যক্তিস্বাধীনতার উপর হস্তক্ষেপ করলে গণতন্ত্র ও জাতীয়করণের পাশাপাশি টিকে থাকতে পারে না ।

৫. শ্রমিক অসন্তোষ : শ্রমিক অসন্তোষ শিল্প জাতীয়করণের বিপক্ষে অন্যতম যুক্তি । শিল্পকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হলে শ্রমিকের অংশীদারিত্বের অভাব দেখা দেয় । ফলে শ্রমিকগণ তাদের দাবিদাওয়া আদায়ের সংগ্রাম করে থাকে । এভাবে শ্রমিকের মধ্যে অসন্তোষ দেখা দেয় ।

৬. রাজনৈতিক চাপ ও প্রভাব : সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো রাজনৈতিক দলগুলোর চাপ ও প্রভাব থেকে মুক্ত হতে পারে না । যখন যে দল ক্ষমতায় আসে তখন সে দল দলীয় স্বার্থ বজায় রাখার জন্য ব্যক্তির যোগ্যতা বিচার না করেই কর্মচারী নিয়োগ করে থাকে । ফলে স্বাধীন ও নিরপেক্ষ এ প্রতিষ্ঠানসমূহ কাজ চালিয়ে যেতে পারে না । তাই শিল্পকে জাতীয়করণের সমর্থন যুক্তিযুক্ত নয় ।

৭. প্রতিযোগিতার অভাব : শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোকে জাতীয়করণ করা হলে প্রতিযোগিতার অভাব দেখা দেয় । কারণ ব্যক্তিমালিকানার উদ্দেশ্য হলো মুনাফা লাভ । ফলে তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায় । কিন্তু রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে কোন প্রতিযোগিতা হয় না ।

৮. ব্যক্তিকে প্রাধান্য না দিয়ে সমষ্টিকে প্রাধান্য দেয়া : শিল্পকে জাতীয়করণের মাধ্যমে ব্যক্তিকে প্রাধান্য না দিয়ে সমষ্টিকে প্রাধান্য দেয়া হয় । তাই কেউ অধিক উদ্যোগী ও উৎসাহী হয়ে নতুন অধিকারের কোন প্রচেষ্টা চালায় না ।

৯. স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় : শিল্প জাতীয়করণের একটি নেতিবাচক দিক হলো স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠা । জাতীয়করণ কর্মসূচি কার্যকর হলে স্বৈরশাসন প্রতিষ্ঠিত হয় । স্বৈরশাসনে জনগণের স্বার্থ বিচার করা হয় না । ফলে জনগণের সুষ্ঠু বিকাশ সম্ভব হয় না । বরং জনগণের উন্নতি ব্যাহত হয় ।

১০. চরিত্রবান ও উদারমনা ব্যক্তির অভাব : মানুষ সবসময় তার নিজের ভাগ্য ফিরাতে চায় । দেশের উন্নতির জন্য চরিত্রবান ও উদারমনা লোকের সংখ্যা খুবই কম । শিল্পে জাতীয়করণ করা হলে দেশের এ ধরনের লোকের সংখ্যা দেখাই যায় না ।

১১. অর্থনৈতিক উন্নয়ন সমম্ভব হয় না : শিল্পে জাতীয়করণের মাধ্যমে যে অর্থনৈতিক উন্নয়ন আশা করা হয় তা আদৌ বাস্তবায়িত হয় না । কারণ এতে বৈদেশিক পুঁজি বিনিয়োগের সুযোগ থাকে না ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে শিল্প জাতীয়করণের প্রয়োজনীয়তা আছে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!