ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

মূলধন বাজার কী ? বাংলাদেশে মূলধন বাজারের গুরুত্ব আলোচনা কর ।

[ad_1]

👉 মূলধন বাজার কী ? বাংলাদেশে মূলধন বাজারের গুরুত্ব আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : মূলধন বাজার শব্দটি আধুনিক অর্থনীতিতে একটি বিশেষ পরিচিত শব্দ । প্রত্যেক দেশের অর্থনীতি সেদেশের মূলধন বাজার দ্বারা পরিচালিত হয় । দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার ক্ষেত্রে মূলধন বাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে । অনুন্নত এবং উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক ক্রিয়াকর্ম তথা অর্থনৈতিক উন্নয়ন দ্রুতগতি লাভ করতে না পারার অন্যতম বিশেষ কারণ হলো উন্নত পুঁজি বাজারের অনুপস্থিতি ।

মূলধন বা পুঁজি বাজার: মূলধন বাজার হচ্ছে বস্তুত অর্থনীতি বাজারের একটি উপাদান । অর্থনীতিতে বাজার বলতে যেমন কোন নির্দিষ্ট স্থানকে বুঝায় না , তেমনি মূলধন বাজারও কোন নির্দিষ্ট স্থান নয় । অর্থনীতিতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের লেনদেন যে বাজারে সম্পন্ন হয় সেই বাজারকে মূলধন বাজার নামে অভিহিত করা হয় । বিভিন্ন অর্থনীতিবিদগণ বিভিন্নভাবে মূলধন বাজারের স্বরূপ বর্ণনা করার জন্য এর সংজ্ঞা প্রদান করেছেন । “ মূলধন বাজার বলতে দীর্ঘমেয়াদি ঋণপত্রের মাধ্যমে পুঁজি বিনিয়োগের সাথে সম্পর্কিত আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সমষ্টি ।

” ডাডলি জি লাকেটের ভাষায় , “ The capital market encompasses any transaction involving long term debt ….. ” আবার এশিয়া ও দূরপ্রাচ্যের জন্য নিয়োজিত অর্থনৈতিক কমিশন তাদের অভ্যন্তরীণ সঞ্চয় সংগ্রহের রিপোর্টে লিখেছেন যে , “ মূলধন বাজার দীর্ঘমেয়াদি অর্থায়নের সাথে সম্পর্কিত । ” প্রকৃতপক্ষে মূলধন বাজার হলো সেসব প্রতিষ্ঠান ও ব্যবস্থাদির সমন্বয় , যার মাধ্যমে মধ্যমেয়াদি তহবিল এবং দীর্ঘমেয়াদি তহবিল সংগৃহীত হয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী তা ব্যক্তি , ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান ও সরকারকে যোগান দেয়া হয় । সুতরাং ঋণগ্রহীতা ও ঋণদাতার মধ্যে দীর্ঘমেয়াদের জন্য যে বাজারে ঋণের বা মূলধনের আদানপ্রদান হয় তাই মূলধন বাজার মূলধন বাজারকে সাধারণত দুই ভাগে ভাগ করা হয় । যথা :

১. প্রাথমিক মূলধন বাজার ( Primary capital market ) এবং

২. দ্বিতীয় পর্যায়ে মূলধন বাজার ( Secondary capital market ) । ইস্যু করপোরেশন কর্তৃক ইস্যুকৃত নতুন সিকিউরিটির ক্রয়বিক্রয়ের কাজ প্রাথমিক মূলধন বাজারে সম্পন্ন হয় । প্রাথমিকভাবে ক্রীত সিকিউরিটি দ্বিতীয় বারের মতো দ্বিতীয় পর্যায়ের মূলধন বাজারে ক্রয়বিক্রয় হয় । প্রাথমিক মূলধন বাজারের উদাহরণ হচ্ছে ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংকিং হাউজ এবং সিকিউরিটির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের মূলধন বাজার হিসেবে স্টক মার্কেট করপোরেশন কাজ করে থাকে । সাধারণত দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন কার্যক্রমে মূলধন বাজার ঋণ সরবরাহ করে থাকে । মূলধন বাজারে যেসব প্রতিষ্ঠান বা সংস্থা দীর্ঘমেয়াদি ঋণের যোগান দেয় সেগুলো হচ্ছে – অর্থ করপোরেশন , ইস্যু হাউস , গৃহনির্মাণ ঋণদান সংস্থা , বীমা কোম্পানি , কৃষি ব্যাংক , শিল্প ব্যাংক , স্টক এক্সচেঞ্জ ইত্যাদি । উপর্যুক্ত আলোচনা হতে বলা যায় যে , সংকীর্ণ অর্থে মুদ্রা বা প্রায় মুদ্রা ব্যতীত অপরাপর আর্থিক সম্পদের বাজারকে মূলধন বাজার বলা হয় । এরূপ বাজারে বিভিন্ন ধরনের দীর্ঘমেয়াদি বা ঋণপত্রসমূহ ক্রয় বা বিক্রয় হয় । বিস্তৃত অর্থে মূলধন বাজার একাধিক পৃথক অথচ পারস্পরিকভাবে সংযুক্ত বাজারের সমন্বিত রূপকে বুঝায় । যেমন- স্টক এক্সচেঞ্জ , সরকারি ঋণপত্রের বাজার ইত্যাদির সমন্বয়ে বৃহৎ অর্থে মূলধন বাজার গঠিত বলা যায় ।

বাংলাদেশে মূলধন বাজারের গুরুত্ব বা ভূমিকা : বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এক সুসংগঠিত মূলধন বাজারের গুরুত্ব নিম্নলিখিত কারণে অপরিসীম ।

১. দেশের অভ্যন্তরীণ সঞ্চয়ের অধিকতর কার্যকরী সঞ্চালন মূলধন বাজার নিশ্চিত করতে পারে ।

২. যেখানে বহুসংখ্যক আর্থিক মধ্যস্থতকারিগণ জড়িত থাকে , সেখানে শিল্পোদ্যোক্তাদের জন্য খুব সহজেই সুসংগঠিত মূলধন বাজার তহবিল সংগ্রহ করতে সহায়তা করতে পারে ।

৩. মূলধন বাজার দেশের আর্থিক সম্পদসমূহ উৎপাদনশীল বিনিয়োগের পথে যুক্তিসংগতভাবে এবং সমতা অনুযায়ী ব্যবহৃত হতে সাহায্য করতে পারে ।

৪. মূলধন বাজার দেশের শিল্প মালিকানার ভিত্তি সম্প্রসারণের ব্যাপারটি নিশ্চিত করতে পারে ।

৫. দেশের শিল্প বিনিয়োগের জন্য দীর্ঘমেয়াদি আর্থিক পরিকল্পনা মূলধন বাজারকে সহায়তা করতে পারে ।

৬. দেশে মুদ্রাস্ফীতি রোধ করতে মূলধন বাজার সহায়তা করতে পারে ।

৭. অর্থনৈতিক উদ্ভূত অসম্পূর্ণতার হাত থেকে অর্থনীতিকে মুক্ত করতে মূলধন বাজার ‘ মার্কেট ফোর্সগুলোর মাধ্যমে সহায়তা করতে পারে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনার প্রেক্ষিতে বলা যায় যে , বাংলাদেশে বিনিয়োগকারীদের নিজস্ব মূলধন স্বল্প । তাই মূলধন বাজারের মাধ্যমে বিনিয়োগকারী বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বিভিন্ন ধরনের ঋণপত্র ইস্যু এবং বিক্রয় করে তাদের মূলধন চাহিদার বেশিরভাগ মিটাতে সক্ষম হতে পারে । এক্ষেত্রে বাংলাদেশে অর্থনৈতিক উন্নয়নে মূলধন বাজার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে ।

[ad_2]



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!