ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক বাজার উন্নয়ন Monetary Management and Financial Market Development

[ad_1]

মুদ্রা ব্যবস্থাপনা এবং আর্থিক বাজার উন্নয়ন Monetary Management and Financial Market Development

ক – বিভাগ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

১. মুদ্রা কী ?

উত্তর : সরকার কর্তৃক স্বীকৃত যে বস্তু বিনিময়ের মাধ্যম এবং অপরাপর লেনদেনের উপায় হিসেবে সর্বজনগ্রাহ্য , মূল্যের পরিমাপক , স্থগিত লেনদেনের মানদণ্ড , মূল্যের সংরক্ষক এবং সঞ্চয়ের বাহন হিসেবে কাজ করে তাকেই মুদ্রা বলা হয় ।

২. সংকীর্ণ মুদ্রা ( M1 ) কী ?

উত্তর : দেশে প্রচলিত মুদ্রা তথা জনগণের হাতের নগদ মুদ্রা বা ব্যাংক বহির্ভূত মুদ্রা এবং তফশিলি বাণিজ্যিক ব্যাংকের চাহিদা আমানতের সমষ্টিকে সংকীর্ণ মুদ্রা বলা হয় । সংকীর্ণ মুদ্রাকে ( M1 ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

৩. বিস্তৃত বা ব্যাপক মুদ্রা ( M2 ) কী ?

উত্তর : সংকীর্ণ মুদ্রা এবং ব্যাংকের মেয়াদি আমানতের সমষ্টিকে বিস্তৃত বা ব্যাপক মুদ্রা বলা হয় । বিস্তৃত মুদ্রাকে ( M2 ) দ্বারা প্রকাশ করা হয় ।

৪.M1- কে সূত্রবদ্ধ কর ।

উত্তর : M1 = CU + DD .

এখানে , M = সংকীর্ণ মুদ্রা , CU = জনগণের হাতের নগদ মুদ্রা এবং DD = বাণিজ্যিক ব্যাংকের চাহিদা আমানত ।

৫. M2- কে সূত্রবদ্ধ কর ।

উত্তর : M2 = M + TD . এখানে , M2 = বিস্তৃত বা ব্যাপক মুদ্রা , M = সংকীর্ণ মুদ্রা এবং TD = ব্যাংকের মেয়াদি আমানত ।

৬. শক্তিশালী মুদ্রা কী ?

উত্তর : জনগণের হাতের মুদ্রা বা কারেন্সী এবং কেন্দ্রীয় ব্যাংকে রক্ষিত অপরাপর ব্যাংকের রিজার্ভের সমষ্টিকে শক্তিশালী মুদ্রা বলা হয় ।

৭. মুদ্রা গুণক কী ?

উত্তর : শক্তিশালী মুদ্রার পরিবর্তনের ফলে মুদ্রার যোগানের পরিবর্তনের প্রক্রিয়াই হচ্ছে মুদ্রা গুণক । অর্থাৎ শক্তিশালী মুদ্রার পরিবর্তন এবং অর্থের যোগানের পরিবর্তন এ দু’য়ের অনুপাতকে মুদ্রা গুণক বলা হয় ।

৮. মুদ্রানীতি কী ?

উত্তর : মুদ্রার যোগান নিয়ন্ত্রণের জন্য সরকার ও আর্থিক কর্তৃপক্ষ তথা কেন্দ্রীয় ব্যাংক যেসব নীতিমালা গ্রহণ করে তাকে মুদ্রানীতি বলা হয় ।

৯ . মুদ্রা ব্যবস্থাপনা কী ?

উত্তর : দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন , বাণিজ্য চক্র নিয়ন্ত্রণসহ সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখার জন্য সরকার ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক মুদ্রার যোগান ও চাহিদা নিয়ন্ত্রণের জন্য যেসব নীতি গ্রহণ এবং তা বাস্তবায়নের জন্য যে কার্যক্রম পরিচালনা করে তাকে মুদ্রা ব্যবস্থাপনা বলে ।

১০. CRR এর পূর্ণরূপ কী ?

উত্তর : CRR এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Cash Reserve Requirement .

১১. CRR এর অর্থ কী ?

উত্তর : CRR- এর অর্থ হচ্ছে নগদ জমা সংরক্ষণ আবশ্যকতা ( Cash Reserve Requirement )

১২. SLR এর পূর্ণ রূপ কী ?

উত্তর : SLR এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Statutory Liquidity Ratio .

১৩. SLR- এর অর্থ কী ?

উত্তর : SLR- এর অর্থ হচ্ছে বিধিবদ্ধ তারল্য সংরক্ষণ হার ( Statutory Liquidity Ratio )

১৪. কেন্দ্রিয় ব্যাংক ( বাংলাদেশ ব্যাংক ) CRR ও SLR হ্রাস – বৃদ্ধির মাধ্যমে কী নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ?

উত্তর : কেন্দ্রিয় ব্যাংক ( বাংলাদেশ ব্যাংক ) CRR ও SLR হ্রাস – বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশে মুদ্রার সরবরাহ / যোগান নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করে ।

১৫. কোন অবস্থায় বা কখন বাংলাদেশ ব্যাংক CRR ও SLR বৃদ্ধি করে ?

উত্তর : মুদ্রা সরবরাহ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে মূল্যস্ফীতির ঊর্ধ্বমুখী চাপ কমাতে বাংলাদেশ ব্যাংক CRR ও SLR বৃদ্ধি করে ।

১৬. সরকারি ঋণ কী ?

উত্তর : রাষ্ট্র পরিচালনার ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকার দেশের অভ্যন্তর ও দেশের বাইরে থেকে অর্থ সংগ্রহের জন্য যে ঋণ গ্রহণ করে তাকে সরকারি ঋণ বলা হয় । সরকার বাজেটের ঘাটতি মিটানোর জন্য ঋণ গ্রহণ করে থাকে ।সরকারি ঋণ সাধারণত এক অর্থবছরে হিসাব করা হয়ে থাকে ।

১৭. সরকারি ঋণের উৎস প্রধানত কয়টি ও কী কী ?

উত্তর : সরকারি ঋণের উৎসকে প্রধানতঃ দুটি ভাগে ভাগ করা হয় । যথা :

ক . অভ্যন্তরীণ উৎস বা দেশীয় উৎস এবং খ . বৈদেশিক উৎস ।

১৮. অভ্যন্তরীণ ঋণ কী ?

উত্তর : সরকার দেশের অভ্যন্তর থেকে বিভিন্ন ব্যক্তি , প্রতিষ্ঠান ও আর্থিক সংস্থা থেকে ঋণ গ্রহণ করলে তাকে অভ্যন্তরীণ ঋণ বলে ।

১৯. বাংলাদেশ সরকারের অভ্যন্তরীণ ঋণের উৎসসমূহ কী ?

উত্তর : বাংলাদেশে অভ্যন্তরীণ ঋণের উৎসসমূহ হচ্ছে-

i . ব্যক্তি বা জনগণ

ii . ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান

iii . বাণিজ্যিক ব্যাংক

iv . অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান

v . কেন্দ্রীয় ব্যাংক ইত্যাদি ।

২০. বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের উৎসসমূহ কী ?

উত্তর : বাংলাদেশ সরকারের বৈদেশিক ঋণের উৎসসমূহ হলো :

i . বিদেশি সরকার ;

ii . বিদেশি বেসরকারি সংস্থা ;

iii . আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান ;

iv . অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান ;

v . নাগরিক ইত্যাদি ।

২১. বাংলাদেশের আর্থিক বাজার কী ধরনের প্রতিষ্ঠান নিয়ে গঠিত ?

উত্তর : বাংলাদেশের আর্থিক বাজার মূলত ব্যাংক ও ব্যাংক বাহির্ভূত অন্যান্য আর্থিক প্রতিষ্ঠান এবং পুঁজিবাজার নিয়ে গঠিত ।

২১. বাংলাদেশের আর্থিক বাজারের সদস্য কারা ?

উত্তর : বাংলাদেশের আর্থিক বাজারের সদস্য হচ্ছে-

i . ৪ টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ,

ii . ৩০ টি বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক ,

iii . ৯ টি বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ,

iv . ৪ টি সরকারি মালিকানাধীন বিশেষায়িত ব্যাংক ,

v . ২৯ টি ব্যাংক বহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান ,

vi . ইনভেস্টমেন্ট কর্পোরেশন অব বাংলাদেশ ( আইসিবি ) ,

vii . হাউজ বিল্ডিং ফিন্যান্স কর্পোরেশন ( এইচ বি এফ সি ) ,

vili . ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ ( DSE ) ,

ix . চট্টগ্রাম স্টক এক্সটেঞ্জ ( CSE )

২২. মূলধন বাজার কী ?

উত্তর : যে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের লেনদেন হয় তাকে মূলধন বাজার বলে ।

২৩. বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে কয় ধরনের তফশিলি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত আছে ?

উত্তর : বাংলাদেশের ব্যাংকিং খাতে চার ধরনের তফশিলি ব্যাংক অন্তর্ভুক্ত রয়েছে । যথা :

i . রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংক ,

ii . বিশেষায়িত ব্যাংক ,

iii . স্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক এবং

iv . বিদেশি বাণিজ্যিক ব্যাংক ।

২৪ . বাংলাদেশে তফশিলভুক্ত নয় এমন ব্যাংকের সংখ্যা কয়টি এবং কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশে তফশিলভুক্ত নয় এমন ব্যাংকের সংখ্যা ৫ টি । যথা :

i . জাতীয় সমবায় ব্যাংক ১ টি ।

ii . আনসার ভিডিপি ব্যাংক ১ টি ।

iii . কর্মসংস্থান ব্যাংক ১ টি ।

iv . গ্রামীণ ব্যাংক ১ টি ।

v . প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক ১ টি ।

২৫. প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক কখন থেকে কার্যক্রম শুরু করেছে ?

উত্তর : প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংক এপ্রিল ২০১১ থেকে তার কার্যক্রম শুরু করেছে ।

২৬ . বাংলাদেশে কর্মরত তফসিলি ব্যাংকসমূহের মোট কতটি শাখা গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ?

উত্তর : বাংলাদেশে কর্মরত তফসিলি ব্যাংকসমূহের মোট ৪,৩৯৭ টি শাখা গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ।

২৭. বাংলাদেশে কোন ব্যাংকগুলোর গ্রামাঞ্চলে কোন শাখা নেই ?

উত্তর : বাংলাদেশে বিদেশি ব্যাংকগুলোর গ্রামাঞ্চলে কোন শাখা নেই ।

২৮. স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মোট শাখার কত শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ?

উত্তর : স্থানীয় বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মোট শাখার ৩৫.৯ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত । ( মোট ২৮১৬ টি শাখার মধ্যে গ্রামাঞ্চলে ১০১১ এবং শহরাঞ্চলে ১৮০৫ টি শাখা আছে ) ।

২৯. রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর কত শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ?

উত্তর : বাংলাদেশে রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মোট শাখার ৬৩.৪৮ শতাংশ গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ( মোট ৩,৪০৪ টি শাখার মধ্যে ১,২৪৩ টি শহরাঞ্চলে এবং ২,১৬১ টি গ্রামাঞ্চলে অবস্থিত ) ।

৩০. আর্থিক / অর্থ বাজার কি?

উত্তর : যে বাজারে স্বল্পমেয়াদি ঋণ এর লেনদেন হয় তাকে আর্থিক/ অর্থ বাজার বলে। স্বল্পমেয়াদী ঋণের চাহিদা ও যোগান নিয়ে অর্থ বাজার পরিচালিত হয়।

৩১. দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মোট পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের কত শতাংশ শেয়ারে বিনিয়োগ করতে পারবে ?

উত্তর : দেশের আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের মোট পরিশোধিত মূলধন ও রিজার্ভের ২৫ শতাংশ শেয়ারে বিনিয়োগ করতে পারবে ।

৩২. বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ সেন্ট্রাল ব্যাংক স্টেংদেনিং প্রজেক্ট কখন থেকে বাস্তবায়ন করছে ?

উত্তর : বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ সেন্ট্রাল ব্যাংক স্টেংদেনিং প্রজেক্ট ২০০৩ সালের শেষার্ধ থেকে বাস্তবায়ন করছে ।

৩৩. বাংলাদেশ ব্যাংক কার আর্থিক সহায়তায় “ সেন্ট্রাল ব্যাংক স্টেংদেনিং প্রজেক্ট ” বাস্তবায়ন করছে ?

উত্তর : আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ( আইডিএ ) -এর আর্থিক সহায়তায় বাংলাদেশ ব্যাংক ‘ সেন্ট্রাল ব্যাংক স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট ‘ বাস্তবায়ন করছে ।

৩৪. বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থা ও ব্যাংকিং খাতের ব্যবস্থাপনা ও তদারকি কর্তৃপক্ষ হিসেবে কোন ব্যাংক দায়িত্ব পালন করে ।

উত্তর : বাংলাদেশের মুদ্রা ব্যবস্থা ও ব্যাংকিং খাতের ব্যবস্থাপনা ও তদারকি কর্তৃপক্ষ হিসেবে ‘ কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক ” দায়িত্ব পালন করে ।

৩৫. সেন্ট্রাল ব্যাংক স্টেংদেনিং প্রজেক্ট এর মূল উদ্দেশ্য কী ?

উত্তর : সেন্ট্রাল ব্যাংক স্টেংদেনিং প্রজেক্ট ‘ এর মূল উদ্দেশ্য হলো দেশের মুদ্রা ব্যবস্থা ও ব্যাংকিং খাতের ব্যবস্থাপনা ও তদারকি কর্তৃপক্ষ হিসেবে কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংকের কার্যকর ভূমিকা পালন করা নিশ্চিত ।

৩৬. ‘ সেন্ট্রোল ব্যাংক স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট ’ – এর কয়েকটি উদ্দেশ্য লিখ ।

উত্তর : ‘ সেন্ট্রোল ব্যাংক স্ট্রেংদেনিং প্রজেক্ট ‘ – এর কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো :

i . আইনি কাঠামো শক্তিশালীকরণ ;

ii . পুনর্বিন্যাস ও আধুনিকায়ন ;

iii . সামর্থ্য বৃদ্ধি ।

৩৭. কোন ব্যাংক কোম্পানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপভুক্ত সংস্থাকে নির্দিষ্ট সময়ে তার মোট মূলধনের সর্বোচ্চ কত শতাংশ ঋণ দিতে পারবে ?

উত্তর : কোন ব্যাংক কোম্পানি ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপভুক্ত সংস্থাকে নির্দিষ্ট সময়ে তার মোট মূলধনের সর্বোচ্চ ১৫ শতাংশ ঋণ দিতে পারবে ।

৩৮. পুঁজি বাজার কী ?

উত্তর : যে বাজারে দীর্ঘমেয়াদি ঋণের লেনদেন হয় তাকেই পুঁজিবাজার বলা হয় ।

৩৯. শেয়ার কী ?

উত্তর : পুঁজি বাজারে শেয়ার বলতে কোন শিল্পপ্রতিষ্ঠান , আর্থিক প্রতিষ্ঠান বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মালিকানার অংশ ও লভ্যাংশের অংশীদারিত্বকে বুঝায় ।

৪০. বিভিন্ন প্রকারের শেয়ার কী কী ?

উত্তর : কোম্পানির শেয়ার বিভিন্ন প্রকারের হতে পারে । যথা :

i . প্রাথমিক শেয়ার ;

ii . সেকেন্ডারি শেয়ার ;

iii . রাইট শেয়ার ;

iv . বোনাস শেয়ার ;

v . প্রিমিয়াম শেয়ার ;

vi . অগ্রগণ্য শেয়ার এবং

vii . সাধারণ শেয়ার ।

৪১. ডিবেঞ্চার কী ?

উত্তর : লিখিত দলিলের মাধ্যমে কোন কোম্পানি নির্দিষ্ট সুদের হারের বিপরীতে জনসাধারণের নিকট থেকে দীর্ঘমেয়াদি ঋণ গ্রহণ করলে তাকে ডিবেঞ্চার বলা হয় । অর্থাৎ ডিবেঞ্চার হচ্ছে একপ্রকারের ঋণপত্র যার মাধ্যমে কোন কোম্পানি বাজার থেকে ঋণ সংগ্রহ করে থাকে ।

৪২. শেয়ার বাজার কী ?

উত্তর : যে বাজারে বা পুঁজি বাজারের যে অংশে শেয়ার পেপার বা শেয়ার সার্টিফিকেট ক্রয় – বিক্রয় করা হয় তাকেই শেয়ার বাজার বলা হয় ।

৪৩. শেয়ার বাজার কে নিয়ন্ত্রণ করে ?

উত্তর : সিকিউরিটিজ এন্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন ( SEC / এস ই সি ) শেয়ার বাজার নিয়ন্ত্রণ করে ।

৪৪. বাংলাদেশে কয়টি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে ?

উত্তর : বাংলাদেশে দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ আছে । ঢাকা ও চট্টগ্রামে ।

৪৫. ব্রোকার বা ডিলার কে ?

উত্তর : স্টক এক্সচেঞ্জে নিবন্ধিত সদস্যবৃন্দকে ব্রোকার বা ডিলার বলা হয় ।

৪৬. শেয়ার বাজারকে কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?

উত্তর : শেয়ার বাজারকে সাধারণত তিন ভাগে ভাগ করা হয় । যথা :

i . প্রাথমিক শেয়ার বাজার ;

ii . মাধ্যমিক শেয়ার বাজার ; এবং

iii . কার্বমার্কেট বা ফুটপাতের শেয়ার বাজার ।

৪৭. ডি . এস . ই – তে Over the counter ( OTC ) মার্কেট কবে থেকে চালু করা হয় ?

উত্তর : ডি . এস . ই – তে Over the counter ( OTC ) মার্কেট চালু করা হয় সেপ্টেম্বর ২০০৯ সাল থেকে ।

৪৮. বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নাম বাংলাদেশ ব্যাংক ।

৪৯. বাংলাদেশ ব্যাংক কত সালে গঠিত হয় ?

উত্তর : ১৯৭২ সালের জানুয়ারি মাসে রাষ্ট্রপতির এক অধ্যাদেশ বলে “ বাংলাদেশ ব্যাংক ” গঠিত হয় ।

৫০. বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক কয়টি ?

উত্তর : বাংলাদেশে রাষ্ট্রায়ত্ত বাণিজ্যিক ব্যাংক চারটি । যথা :

i . সোনালী ব্যাংক লিঃ ;

ii . জনতা ব্যাংক লিঃ ;

iii . অগ্রণী ব্যাংক লিঃ এবং

iv . রূপালী ব্যাংক লিঃ ।

৫১. BDBL -এর পূর্ণ রূপ কী ?

উত্তর : BDBL -এর পূর্ণ রূপ হলো Bangladesh Development Bank Limited .

৫২. বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিঃ ( BDBL ) কখন থেকে কার্যক্রম শুরু করে ?

উত্তর : ২০১০ সালের ১ জানুয়ারি থেকে বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক লিঃ ( BDBL ) তাঁর কার্যক্রম শুরু করে ।

৫৩. গ্রামীণ ব্যাংক কখন থেকে চালু হয় ?

উত্তর : গ্রামীণ ব্যাংক ১৯৮৩ সাল থেকে চালু হয় ।

তথ্যসূত্র : বাংলাদেশ অর্থনৈতিক সমীক্ষা- ২০১১ , বাংলাদেশ ব্যাংক , বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!