ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

মধ্যযুগ ছিল মূলত অরাজনৈতিক যুগ

অথবা , মধ্যযুগের রাষ্ট্রদর্শনের বৈশিষ্ট্যগুলো ব্যাখ্যা কর ।
অথবা , মধ্যযুগের রাষ্ট্রমতবাদের তাৎপর্যসমূহ মূল্যায়ন কর ।
উত্তর ৷ ভূমিকা : রাষ্ট্রদর্শনের ইতিহাসকে মোটামুটিভাবে তিনটি পর্যায়ে বিভক্ত করার রেওয়াজ সর্বজনস্বীকৃত । এগুলো হচ্ছে প্রাচীন যুগ , মধ্যযুগ ও আধুনিক যুগ । রাষ্ট্রচিন্তার ইতিহাসে মধ্যযুগ একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় । মধ্যযুগের ইতিহাস প্রায় হাজার বছরের ভাঙা – গড়ার ইতিহাস । রোমান যুগের পর তথাকথিত অন্ধকারাচ্ছন্ন যুগের শুরু হয় এবং প্রায় ভাঙা – গড়ার মধ্য দিয়ে ৪৭৬-১০০০ খ্রিস্টপূর্ব পর্যন্ত বিস্তৃত । এ অন্ধকার যুগ হেলেনিজম , রোমান , রাজনৈতিক সমাজ ও সংগঠন , খ্রিস্টীয় চার্চ প্রভৃতির সংমিশ্রণের দ্বারা প্রভাবিত হয় । এ সময় ধর্মীয় বিশ্বাসের সময় । এ সময় যুক্তিতর্কের চেয়ে ধর্মীয় গোঁড়ামির উপর বেশি প্রাধান্য দেয়া হয় ।

মধ্যযুগের বৈশিষ্ট্যসমূহ : রাজনৈতিকমুক্ত , অবৈজ্ঞানিক ও অসৃজনশীল মধ্যযুগের বেশকিছু বৈশিষ্ট্য চোখে পড়ে । এ বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো :

১. বিশ্বজনীনতা : মধ্যযুগের চিন্তাধারার অন্যতম উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্য হলো বিশ্বজনীনতা । সমগ্র বিশ্বজুড়ে যে এক সমাজ এ ধারণা সমগ্র মধ্যযুগব্যাপী প্রাণবন্ত ছিল ।

২. স্টোয়িকবাদের প্রভাব : মধ্যযুগের রাজনৈতিক চিন্তাধারায় স্টোয়িকবাদের প্রভাব লক্ষ্য করা যায় । স্টোয়িকবাদের ন্যায় মধ্যযুগের রাজনৈতিক দর্শনও প্রাকৃতিক আইন , ঈশ্বরের শাসন , সৃষ্টিকর্তার দৃষ্টিতে সকল মানুষ সমান ইত্যাদি ধারণায় আস্থাবান ছিল ।

৩. প্রশাসনিক দুর্বলতা : দেখা যায় সাম্রাজ্যে জার্মানদের প্রশাসনিক দুর্বলতার কারণেই সুষ্ঠু রাষ্ট্র চর্চার বিকাশ হয় নি । এখানে প্রশাসনে কোন সুষ্ঠু নিয়মনীতি ছিল না । ফলে প্রশাসন ব্যবস্থা বিকাশ করা অসম্ভব ছিল ।

৪. পোপের কর্তৃত্ব বৃদ্ধি : আধ্যাত্মিক ক্ষেত্র অতিক্রম করে চার্চের পোপেরা জাগতিক ব্যাপারে বিশেষত সম্রাটদের উপর কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠা করলে মুক্ত রাষ্ট্র চর্চা বন্ধ হয়ে যায় ।

৫. দুর্ধর্ষ দস্যুদের আক্রমণ : রোম জয়ের পর হতে একাদশ শতাব্দী পর্যন্ত লোসার্ডের ন্যায় দুর্ধর্ষ দস্যুদের আক্রমণে ইউরোপের প্রায় সর্বত্র আইনশৃঙ্খলার দারুণ অবনতি ঘটে যা রাজনীতিতে বিরাট বাধার সৃষ্টি হয় ।

৬. সামন্তবাদ : সামন্তবাদ ছিল মধ্যযুগের টিউটনদের সর্বশ্রেষ্ঠ অবদান । সামন্তবাদ ছিল মধ্যযুগের অন্যতম বৈশিষ্ট্য । অধ্যাপক সেবাইনের ভাষায় , “ নগররাষ্ট্র যেমন প্রাচীন যুগে কর্তৃত্ব করত তেমনি সামন্তবাদও মধ্যযুগে প্রভাব বিস্তার করত ।

৭. রাজনীতি বিষয়ক পুস্তকের স্বল্পতা : পুস্তকের বিরলতা রাজনীতিতে এক অন্যতম বাধা হিসেবে দেখা দেয় । যদিও কিছু লেখা প্রকাশিত হতো , তা প্রাচীন লেখার পুনরাবৃত্তি ।

৮. খ্রিস্টধর্মের প্রাধান্য : অধ্যাপক ডানিং বলেছেন , রাজনৈতিক দর্শনের ক্ষেত্রে মধ্যযুগের ইতিহাসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইউরোপে রোমান সাম্রাজ্যের বাইরেও খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা করা ও গির্জার অগ্রগতি সাধন করা ।

৯. মধ্যযুগের রাষ্ট্রতত্ত্ব : মধ্যযুগের রাষ্ট্রতত্ত্ব ছিল এক ঊষর মরুভূমি । সম্রাট ও পোপের কর্তৃত্ব দ্বন্দ্বের ধূলিঝড়ে অশান্ত । সে সময় রাষ্ট্রচিন্তা ছিল কিন্তু রাষ্ট্রতত্ত্ব ছিল না ।

১০. মুক্তচিন্তার অনুপস্থিতি : মধ্যযুগের রাষ্ট্রচিন্তায় মুক্তচিন্তা ছিল না । রাষ্ট্রনীতি ছিল অর্থনীতি , ন্যায়শাস্ত্র ও ধর্মনীতির শৃঙ্খলে আবদ্ধ । রাষ্ট্রনীতি ছিল ন্যায়শাস্ত্রের অনুগত আর ন্যায়শাস্ত্র ছিল ধর্মতন্ত্রের অনুগত ।

১১. স্থবিরতা : মধ্যযুগের রাজনৈতিক ক্ষেত্রে স্থবিরতা লক্ষ্য করা যায় । মূলত এ কারণেই মধ্যযুগকে অরাজনৈতিক বলে অভিহিত করা হয় ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে , সমগ্র মধ্যযুগ ছিল ধর্মীয় বিশ্বাসের যুগ । সেই সময় মানুষের সকল আচরণের মুখ্য নিয়ামক ছিল ধর্ম । যুক্তি থেকে ধর্মীয় বিশ্বাসই ছিল প্রবল । ধর্ম ও রাজনীতি ছিল অভিন্ন সূত্রে গাঁথা । তবে অধিকাংশের মতে এ যুগ অন্ধকার , অরাজনৈতিক ও ধর্মীয় গোড়ামির উপর ভিত্তি করে প্রতিষ্ঠিত ছিল । মূলত সমগ্র মধ্যযুগ ছিল ধর্মীয় বিশ্বাসের বেড়াজালে আবদ্ধ ।

প্রশ্নঃ মধ্যযুগ ছিল অরাজনৈতিক – এর পক্ষে যুক্তি দেখাও ।
অথবা , মধ্যযুগের প্রেক্ষাপট ছিল অরাজনৈতিক আলোচনা কর । অথবা , মধ্যযুগের রাজনৈতিক অবস্থা ব্যাখ্যা কর ।
উত্তর ৷ ভূমিকা : মধ্যযুগের গতিপ্রকৃতি বিশ্লেষণ করে অনেক রাষ্ট্র দার্শনিক এরূপ সিদ্ধান্তে এসেছেন যে , মধ্যযুগ ছিল অরাজনৈতিক । খ্রিস্টীয় ৪০০ সাল থেকে ১৪০০ সাল পর্যন্ত সময়কালকে অনেকে মধ্যযুগ বলে আখ্যায়িত করেন । এ যুগের বৈশিষ্ট্য হলো পোপ ও সম্রাটের মধ্যে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব , সামন্তবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের বিকাশ এবং রাজনৈতিক চিন্তা চেতনায় ধর্মীয় প্রভাব । স্বাধীনভাবে রাষ্ট্রচিন্তা এ যুগে বিকশিত হয় নি । মূলত ন্যায়শাস্ত্র , ধর্মতত্ত্ব ও অর্থশাস্ত্রের অংশ হিসেবে রাজনীতি আলোচিত হতো । এছাড়া এ যুগে বিশুদ্ধ রাষ্ট্রচিন্তা যেমন নেই তেমনি সর্বজনীন রাষ্ট্রতত্ত্ব গড়ে উঠে নি । এ কারণেই W. A. Dunning মন্তব্য করেছেন , ” The middle age was unpolitical . ” –

মধ্যযুগ অরাজনৈতিক- এর পক্ষে যুক্তি : স্বতন্ত্রভাবে রাজনৈতিক চেতনা ও রাষ্ট্রতত্ত্বের অনুপস্থিতি এবং ধর্মীয় প্রভাবের কারণেই মূলত মধ্যযুগ ছিল অরাজনৈতিক ও অবৈজ্ঞানিক । এ সময় রাষ্ট্রকে ঐশ্বরিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে ভাবা হতো । Hearnshaw এজন্য বলেছেন , ” The political theory of the middle ages may sometimes appeare like a desert , often disturbed by the sand storm raised by the conflicting genies of papacy and Empire . ” মধ্যযুগ অরাজনৈতিক থাকার বিভিন্ন কারণ নিম্নে আলোচনা করা হলো :

অনুশাহাত ও ধর্মীয় চেতনার প্রভাব প্রথমদিকে মধ্যযুগীয় চিন্তাধারা শুধু ধর্মীয় চিন্তাধারার ক্ষেত্রে সীমাবদ্ধ ছিল । পার্থিব জগৎ ও রাজনৈতিক বিষয়াদির ব্যাপারে এটি কখনো মনোনিবেশ করে নি । রাষ্ট্রতত্ত্ব সংক্রান্ত কোন বিষয় মধ্যযুগীয় চিন্তাধারার অন্তর্ভুক্ত ছিল না । এ যুগে রাজনীতিকে একটি পৃথক বিষয় হিসেবে মনে করা হয় নি । বস্তুত মধ্যযুগীয় রাজনৈতিক মতবাদ গির্জা , রোমান সাম্রাজ্য , সামন্তবাদ এবং জাতীয়তাবাদের পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলস্বরূপ । এজন্য অধ্যাপক ডানিং বলেছেন , “ মধ্যযুগ ছিল অরাজনৈতিক ।

২. টিউটন জাতির আক্রমণ মধ্যযুগে রোমান সভ্যতা বিশ্বদরবারে সম্মানের আসন অলংকৃত করতে সমর্থ হয়েছিল । তাদের সভ্যতা ও সংস্কৃতির উৎকর্ষতায় সমগ্র বিশ্ববাসী হয়েছিল অভিভূত ও বিমোহিত এবং রোমানদের দেখিয়েছিল অজস্র সম্মান । কিন্তু বর্বর জার্মান বা টিউটন জাতির আক্রমণে তাদের শৌর্যবীর্য সব নিক্ষেপিত হয় মহাকালের অতল গহ্বরে । ফলে ক্রমান্বয়ে অরাজনৈতিকতা বৃদ্ধি পায় এবং মুক্ত রাজনৈতিক দর্শন সময়ের স্রোতে বিলীন হয়ে যায় ।

৩. স্টোয়িকবাদের প্রভাব মধ্যযুগীয় রাজনৈতিক চিন্তাধারাতে স্টোয়িকবাদের যথেষ্ট প্রভাব বিদ্যমান ছিল । স্টোয়িকবাদের ন্যায় মধ্যযুগের রাজনৈতিক দর্শন ও প্রাকৃতিক আইন , ঐশ্বরিক শাসন , সৃষ্টিকর্তার দৃষ্টিতে সব মানুষ সমান প্রভৃতি ধারণায় আস্থাবান ছিল , যা অনেকটা অবৈজ্ঞানিক ও অরাজনৈতিক ধারণা । ৪. খ্রিস্টধর্মের প্রাধান্য মধ্যযুগে খ্রিস্টধর্মের এত বেশি প্রাধান্য ছিল যে , কোন মানুষ এর গণ্ডি বহির্ভূত কোন চিন্তার অবকাশ পায় নি । ফলে আবিষ্কার বা উদ্ভাবন বন্ধ হয়ে পড়েছিল । মানুষকে কেবল বাইবেল নির্দেশিত পথে চলতে বাধ্য করা হতো । অধ্যাপক ডানিং তাই বলেছেন , “ রাজনৈতিক দর্শনের ক্ষেত্রে মধ্যযুগের ইতিহাসের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে ইউরোপে রোমান সাম্রাজ্যের বাইরেও খ্রিস্টধর্ম প্রতিষ্ঠা করা এবং গির্জার অগ্রগতি সাধন করা । ” ফলে রাজনীতির ক্ষেত্রে অরাজকতা বা বন্ধ্যাত্বের সৃষ্টি হয় । ৫. গির্জার ক্ষমতা বৃদ্ধি : মধ্যযুগে গির্জার ক্ষমতা বৃদ্ধি পাওয়ায় পোপের ত্রুটিমুক্ত ও পক্ষপাতমুক্ত শাসনব্যবস্থা স্বেচ্ছাচারী শাসককে নিয়ন্ত্রণ করত এবং এক্ষেত্রে কোন বিরোধ ছিল না । ক্রমে গির্জার ক্ষমতার প্রতি জনগণের আসক্তি জন্মে । ফলে গির্জার সম্পদ ও ক্ষমতার কেন্দ্রীকরণ ঘটল । এভাবে গির্জার ক্ষমতা বৃদ্ধির সাথে সাথে ধর্মযাজকদের রাজনীতিতে বাধ্য করা হলো । গির্জার ক্ষমতা বৃদ্ধি মধ্যযুগে সুষ্ঠু রাজনীতি বিকাশে বাধা সৃষ্টি করে । ৬. গির্জা ও রাষ্ট্রের মতবিরোধ : গির্জা ও রাষ্ট্রের মতবিরোধই মধ্যযুগের রাষ্ট্রদর্শনে পরিব্যাপ্ত ছিল । একদিকে গির্জার পুরোহিত এবং অন্যদিকে রাষ্ট্রের সম্রাট ইহলৌকিক ও পারলৌকিক উভয় জীবনই নিয়ন্ত্রণ করতে সচেষ্ট হয়েছিল । ফলে উভয় কর্তৃপক্ষের মধ্যে পারস্পরিক কলহ ও দ্বন্দ্বের সৃষ্টি হয় । এ দ্বন্দ্বে গির্জাই জয়ী হয় এবং ক্রমে এর ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় । ফলে সে যুগে অরাজকতা সৃষ্টি হয় । ৭. পোপতন্ত্র : মধ্যযুগের প্রথম পর্বে পোপ তার প্রাধান্য প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে নতুন টেস্টামেন্ট অপেক্ষা পুরাতন টেস্টামেন্টকে অধিকতর উপযোগী বলে প্রচার করায় পুরোহিততন্ত্র বা যাজকতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত হয় । কেননা পুরাতন টেস্টামেন্টের শিক্ষা অনুযায়ী আইন হচ্ছে খোদার ইচ্ছার অভিব্যক্তি এবং রাজা ও রাজকর্মচারীদের ক্ষমতা সীমিত , পোপের ক্ষমতাই মুখ্য , যা অনেকটা অবৈজ্ঞানিক ও অরাজনৈতিক ব্যাপার বলে গণ্য করা হয় । ৮. রাজনীতি সম্পর্কিত রচনার স্বল্পতা : মধ্যযুগে রাজনীতি সম্পর্কিত মৌলিক কোন রচনা বা পুস্তক ছিল না । দু’একটি রচনা প্রকাশিত হলেও তাতে প্রাচীন যুগের রাষ্ট্রদর্শনের পুনরাবৃত্তি লক্ষণীয় । সেন্ট অগাস্টিন ও সেন্ট টমাস একুইনাসের রাষ্ট্রদর্শন উল্লেখযোগ্য হলেও তা ছিল ধর্মকেন্দ্রিক । ফলে মধ্যযুগ ছিল অরাজনৈতিক । ৯. দুই তরবারি তত্ত্ব : মধ্যযুগের রাষ্ট্রচিন্তার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য ছিল ‘ দুই তরবারি তত্ত্ব ‘ । অধ্যাপক ডানিং এর মতে , পার্থিব বিষয়ের শাসক ছিলেন রাজা এবং অপার্থিব বিষয়ের শাসক ছিলেন পোপ । এটাই হলো ‘ দুই তরবারি তত্ত্ব ‘ । এ তত্ত্বকে উভয়ের মধ্যকার মীমাংসার উপায় বলে মনে করতেন । কিন্তু বাস্তবে তা কার্যকরী ছিল না । তাই সমগ্র মধ্যযুগ জুড়ে পোপ ও রাজার সংঘর্ষের কারণে অরাজকতা ও অরাজনৈতিক অবস্থা বিরাজ করে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় যে , মধ্যযুগের রাষ্ট্রচিন্তার প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো রাজশক্তি ও গির্জার ক্ষমতা ও আধিপত্যের দ্বন্দ্ব । মধ্যযুগের আরেকটি লক্ষণীয় দিক ছিল শিক্ষা ও সংস্কৃতির ক্ষেত্রে ধর্মীয় চিন্তাচেতনার প্রভাব । সবকিছুই চিন্তা করা হতো ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকে । যুক্তিতর্কের পর্যবেক্ষণের কোন স্থান ছিল না ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!