ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

বাণিজ্য ভারসাম্য ও লেনদেন ভারসাম্যের মধ্যে পার্থক্য লিখ ।


প্রশ্নঃ বাণিজ্য ভারসাম্য ও লেনদেন ভারসাম্যের মধ্যে পার্থক্য লিখ ।

উত্তরা ভূমিকা : আন্তর্জাতিক বাজারে দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান দ্রব্যসামগ্রী আমদানি রপ্তানি হয়ে থাকে । বাণিজ্য নীতির মূল উদ্দেশ্য হলো রপ্তানিনির্ভর উন্নয়ন কৌশলের মাধ্যমে রপ্তানি বৃদ্ধি , রপ্তানি বহুমুখীকরণ , রপ্তানিমুখী শিল্পের প্রসারে – আমদানীকৃত উপাদান সহজলভ্য করাসহ বৈদেশিক বাণিজ্যে দেশের অংশীদারিত্ব বৃদ্ধির মাধ্যমে আমদানি রপ্তানির অনুকূল ভারসাম্য বজায় রাখা ।

বাণিজ্য ও লেনদেন ভারসাম্যের মধ্যে পার্থক্য : নিম্নে বাণিজ্য ভারসাম্য ও লেনদেন ভারসাম্যের মধ্যে পার্থক্যগুলো আলোচনা করা হলো ।

১. বাণিজ্য ভারসাম্য শুধু সক্রিয় প্রাপ্তি ও খরচের উপাদান বিবেচনা করা হয় । পক্ষান্তরে , লেনদেন ভারসাম্যে সক্রিয় ও নিষ্ক্রিয় উভয় উপাদানই বিবেচনা করা হয় ।

২. বাণিজ্য ভারসাম্য অনুকূল হলে লেনদেনের ভারসাম্য অনুকূল নাও হতে পারে । অপরদিকে , অদৃশ্যমান খাতে বাণিজ্যের ঘাটতি দৃশ্যমান বাণিজ্যের উদ্বৃত্ত অপেক্ষা বেশি হলে বাণিজ্যের ভারসাম্য অনুকূল হওয়া সত্ত্বেও লেনদেনের ভারসাম্য প্রতিকূল হতে পারে ।

৩. বাণিজ্যিকভাবে সাম্য হলো লেনদেন ভারসাম্যের একটি অংশ । অন্যদিকে , লেনদেন ভারসাম্যের আওতা অনেক প্রসারিত ।

৪. বাণিজ্য ভারসাম্যের মাধ্যমে কোন দেশের আংশিক বা খণ্ড হিসাব প্রকাশ পায় । পক্ষান্তরে , লেনদেন ভারসাম্যের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের পূর্ণাঙ্গ চিত্র সম্পর্কে অবগত হওয়া যায় ।

৫. বাণিজ্য ভারসাম্য হিসাবগত দিকে সমতা নাও হতে পারে । অপরদিকে , লেনদেন ভারসাম্য হিসাবগত অর্থে সর্বদাই সমতা প্রাপ্ত হয় ।

৬. বাণিজ্য ভারসাম্য হলো লেনদেন ভারসাম্যের দৃশ্যমান উপাদান যা কোন জাতির পণ্যদ্রব্যের আমদানি ও রপ্তানি মূল্যের পার্থক্যকে নির্দেশ করে । অন্যদিকে , লেনদেন ভারসাম্য হলো কোন নির্দিষ্ট সময় মেয়াদের মধ্যে একটি দেশের সাথে পৃথিবীর অন্যান্য দেশগুলোর দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান দ্রব্যসামগ্রীর যে আর্থিক লেনদেন সম্পাদিত হয় , তার লিপিবদ্ধ হিসাব ।

৭ . আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের অনুকূল ও প্রতিকূল অবস্থা বাণিজ্যের ভারসাম্য হতে অবগত হওয়া কঠিন । পক্ষান্তরে , লেনদেন ভারসাম্য হতে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সামগ্রিক অবস্থা সম্পর্কে স্পষ্ট ও সঠিকভাবে তথ্য পাওয়া যায় ।

৮. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নীতিনির্ধারণে বাণিজ্যের ভারসাম্যকে ‘ মানদণ্ড ‘ হিসেবে গ্রহণ করা হয় না । অন্যদিকে , লেনদেন ভারসাম্যের গতিপ্রকৃতিকে মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করা হয় ।

৯ . বাণিজ্য ভারসাম্য স্পষ্ট ধারণা দিতে অপারগ । অন্যদিকে , লেনদেন ভারসাম্য স্পষ্ট ধারণা দিতে সক্ষম ।

১০. এটি অনুকূল লেনদেন ভারসাম্যের নিশ্চয়তা বিধান করে না । অপরদিকে , লেনদেন ভারসাম্য অধিকাংশ ক্ষেত্রে অনুকূল বাণিজ্যিক ভারসাম্য প্রতিষ্ঠিত করতে সহায়তা করে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত পার্থক্য বিশ্লেষণ করে আমরা নিম্নোক্ত সিদ্ধান্তে আসতে পারি যে , বাজার অর্থনীতির আদর্শ ও উদ্দেশ্যের সাথে সংগতি রেখে পণ্য ও সেবার আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ভারসাম্য ও লেনদেন ভারসাম্য সম্পাদিত হয়ে থাকে ।

Post Settings



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!