ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যাবলি আলোচনা কর ।

[ad_1]

👉 বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যাবলি আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : স্টক এক্সচেঞ্জ হচ্ছে ঋণপত্রের একটি মধ্যবর্তী বাজার , যেখানে তালিকাভুক্ত বিভিন্ন কোম্পানির শেয়ার , ডিবেঞ্চার , বন্ড ইত্যাদির ক্রয়বিক্রয় হয় । বিনিয়োগকারিগণ স্টক এক্সচেঞ্জে একত্রিত হয় এবং শেয়ার ক্রয়বিক্রয় করে । বর্তমানে বাংলাদেশের দুটি স্টক এক্সচেঞ্জ কার্যরত রয়েছে । একটি হচ্ছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ যা স্বাধীনতার পূর্ববর্তী সময়েই প্রতিষ্ঠিত হয়েছে । অপরটি হচ্ছে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জ যা সম্প্রতি কালে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে ।

বাংলাদেশে স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যাবলি : শেয়ার ক্রয়বিক্রয়ের জন্য এবং অন্যান্য যেসব কাজ স্টক এক্সচেঞ্জ করে থাকে তা নিম্নে উল্লেখ করা হলো :

১. হস্তান্তরযোগ্য : স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ বিনিয়োগে আবদ্ধ মূলধনের হস্তান্তরযোগ্যতা এবং তারল্যের নিশ্চয়তা বিধান করে । কোন সিকিউরিটি যদি প্রয়োজনের সময় বিক্রয় করা না যায় তবে সেই সিকিউরিটি কেউ ক্রয় করবে না । এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ সিকিউরিটি বিক্রয়ের নিশ্চয়তা প্রদান করে । কারণ স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ ঋণপত্রাদির ও সিকিউরিটির লেনদেনের একটি অবিচ্ছিন্ন বাজার হিসেবে কাজ করছে । বাজারজাতকরণের এরূপ সুবিধা থাকায় ঋণপত্রের মালিকগণ সুবিধামতো সময়ে এবং উপযুক্ত মূল্যে তাদের ঋণপত্রাদি বিক্রয় করে নগদ অর্থে রূপান্তর করতে পারে । ফলে ঋণপত্রের তারল্য নিশ্চিত হয় ।

২. বিনিয়োগে সহায়তা প্রদান : স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ ব্যক্তিবর্গ , ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান , করপোরেশন ইত্যাদির সঞ্চয় বিভিন্ন করপোরেট ঋণপত্রে সহায়তা করে । স্টক এক্সচেঞ্জ না থাকলে এসব সঞ্চয় বাণিজ্যিক এবং অন্যান্য ব্যাংক কম সুদের হারে আমানতের আকারে সংরক্ষিত হতে পারতো । সুতরাং স্টক এক্সচেঞ্জ বিনিয়োগ স্থানান্তরের সুবিধা প্রদান করে বলে বিনিয়োগকারিগণ তাদের বর্তমান বিনিয়োগ বিক্রয় করে , অধিকতর লাভজনক কোম্পানিতে বিনিয়োগ করতে পারে ।

৩. শেয়ার বাজারদর : স্টক এক্সচেঞ্জের শেয়ার বাজারদর শিল্প স্থাপন সম্প্রসারণ ও পুঁজি বিনিয়োগের ব্যাপারে সহায়তা করে থাকে । স্টক এক্সচেঞ্জের বাজারদর বিশ্লেষণ করলে অনেক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বের হয়ে আসে । যেমন- কোন কোম্পানির শেয়ার দর ক্রমাগত যদি ঊর্ধ্বমুখী হতে থাকে , তবে বুঝা যাবে সেই কোম্পানিতে আরো পুঁজি বিনিয়োগের সুযোগ রয়েছে । এর ফলে আবার উদ্যোক্তারা বুঝতে পারে যে , অনুরূপ খাতে আরো নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠান স্থাপন করার সুযোগ রয়েছে ।

৪. অর্থসংস্থানের মাধ্যম : স্টক এক্সচেঞ্জগুলো সরাসরি ঋণদানে নিয়োজিত না থাকলেও প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে শিল্পখাতে অর্থসংস্থানের ব্যাপারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । এক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ প্রত্যক্ষভাবে নতুন শিল্পপ্রতিষ্ঠানের শেয়ার ক্রয় করে পুঁজি সংগ্রহ করতে পারে এবং পরোক্ষভাবে শেয়ার কেনাবেচার মাধ্যমে বিভিন্ন শিল্প অর্থায়নের কাজটি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করে থাকে । কারণ স্টক এক্সচেঞ্জে তালিকাভুক্ত কোম্পানির এ বিনিয়োগকারীর পক্ষেই কেবলমাত্র এভাবে তহবিল সংগ্রহ করা সম্ভব । বিগত এক দশকে বাংলাদেশের শিল্প কর্মকাণ্ডের যেটুকু সম্প্রসারণ হয়েছে তা স্টক এক্সচেঞ্জের ভূমিকা ছাড়া সম্ভব হতো না একথা বলা যায় ।

৫. মূল্য নির্ধারণ : কোন কোম্পানি যদি তার শেয়ার বাজার মূল্য নির্ধারণ করতে চায় , তাহলে কোম্পানিকে স্টক এক্সচেঞ্জের শরণাপন্ন হতে হয় । কোম্পানির শেয়ার বিক্রয়ের জন্য উপস্থাপন করা হোক বা না হোক , স্টক এক্সচেঞ্জ সক্রিয় হলে শেয়ারের বাজার নির্ধারণ করা সম্ভব । সুতরাং কোন কোম্পানির শেয়ার বাজার মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে স্টক এক্সচেঞ্জ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে ।

৬. নিয়মকানুনে সক্রিয় ভূমিকা : কোন কোম্পানি তার শেয়ার যদি জনগণের ক্রয়ের উদ্দেশ্যে বাজারে ছাড়তে চায় তবে তাকে স্টক এক্সচেঞ্জের শরণাপন্ন হতে হবে । স্টক এক্সচেঞ্জের সক্রিয় ভূমিকার কারণে বাজারে শেয়ার ছাড়া সহজ হয় । স্টক এক্সচেঞ্জ কিছু নিয়মের অধীনে পরিচালিত হয় বলে স্টক এক্সচেঞ্জে প্রকৃত ঋণপত্রের লেনদেন হয় এবং জাল ঋণপত্রের লেনদেন হতে পারে না ।

৭. বিনিয়োগযোগ্য তহবিল কটন : বাংলাদেশের বিভিন্ন শিল্প ও ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ বিনিময়যোগ্য তহবিল বণ্টনে সহায়তা করে । অর্থাৎ অধিক উৎপাদনশীল উৎসে সঞ্চয়ের প্রবাহ সৃষ্টিতে স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ সহায়তা করে থাকে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত কার্যাবলি বাংলাদেশের স্টক এক্সচেঞ্জসমূহ সম্পাদন করে থাকে । তবে এসব কার্যাবলি সুষ্ঠুভাবে সম্পাদন করতে হলে স্টক এক্সচেঞ্জসমূহকে সুসংগঠিত হতে হয় । বিনিয়োগের সকল বিষয়ে স্টক এক্সচেঞ্জকে তথ্যসমৃদ্ধ হতে হয় , যাতে করে তারা জনসাধারণকে প্রয়োজনীয় তথ্যাদি সরবরাহ করতে সমর্থ হয় । পরিশেষে বলা যায় , একটা দেশের স্টক এক্সচেঞ্জের কার্যক্রম বিশ্লেষণ করলে সেদেশের অর্থনৈতিক অবস্থা , শিল্পায়নের অবস্থা এবং পরিবেশ সম্পর্কে সম্যক ধারণা লাভ করা যায় ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!