ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশে দ্রুত শিল্পায়নের জন্য একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাত আবশ্যক ” তুমি কি এ উক্তির সাথে একমত ?

[ad_1]

✍️বাংলাদেশে দ্রুত শিল্পায়নের জন্য একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাত আবশ্যক ” তুমি কি এ উক্তির সাথে একমত ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : কোন দেশের শিল্পখাতের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত কার্যক্রমকে সরকারি নীতিমালা বলে । সরকারের শিল্পনীতিতে শিল্পখাতে সরকারি ও বেসরকারি মালিকানার ধরন ও সীমারেখা , শিল্পোন্নয়নের কৌশল , শিল্প সংরক্ষণ সংক্রান্ত নীতিমালা ইত্যাদি বিষয়ে সরকারের নীতি ও পরিকল্পনা অন্তর্ভুক্ত থাকে । তদুপরি দেশের দ্রুত শিল্পোন্নয়নের ক্ষেত্রে কি কি পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত শিল্পনীতিতে তারও দিকনির্দেশনা থাকে ।

বাংলাদেশের শিল্প বেসরকারিকরণ নীতির যৌক্তিকতা : বাংলাদেশের বেসরকারিকরণ নীতির পক্ষে প্রধান যুক্তিগুলো নিম্নে প্রদত্ত হলো :

১. রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের অব্যাহত লোকসান : রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পখাতের অব্যাহত লোকসান বিরাষ্ট্রীয়করণের পক্ষে প্রধান যুক্তি । ১৯৭২ সাল হতে ২০১০ সাল পর্যন্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলো মোট ৪৭,৭৫৬ কোটি টাকা লোকসান দিয়েছে এবং ক্রমগত লোকসান দেয়ার ফলে এদের অধিকাংশই বর্তমানে দেউলিয়া হয়ে পড়েছে । সম্প্রতি প্রতি বছর সরকারকে গড়ে প্রায় ২ হাজার ৭ কোটি টাকা লোকসানি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তুকি দিতে হয়েছে । অতএব রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর বিরাষ্ট্রীয়করণ ও বেসরকারি খাতের উদ্যোগকে শিল্পোন্নয়ন মনে করা হয় ।

২. ব্যাংকিং খাতের উপর প্রভাব : সরকারি খাতের লোকসান ব্যাংকিং খাতকে দুর্বল করে দেয় । সরকারি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানগুলোর অর্থের যোগান দেয়া হয় । এতে করে সরকারি ব্যাংকের উপর প্রচণ্ড চাপ পড়ে ।

৩. বেসরকারি খাতের উন্নয়ন : বাংলাদেশের মতো গণতান্ত্রিক দেশে বেসরকারি খাতের ভূমিকাকে কোনভাবে খাটো করে দেখা চলে না । তাই শিল্পের বিরাষ্ট্রীয়করণ বা সরকারের পুঁজি প্রত্যাহার নীতি দেশে একটি শক্তিশালী বেসরকারি খাতের বিকাশ সাধনায় সহায়ক হবে । এর ফলে বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ দেশে নতুন নতুন শিল্প স্থাপনে উৎসাহিত হবে ।

৪. উদ্যোক্তার ব্যক্তিগত দক্ষতা : ব্যক্তি উদ্যোক্তার যে উদ্যোগে নিপুণতা ও গতিশীলতা থাকে তা একজন সরকারি আমলার ক্ষেত্রে সাধারণত আশা করা যায় না । কারণ সরকারি লাভলোকসান তার ব্যক্তি দক্ষত কে প্রভাবিত করে না । তাই বেসরকারিকরণের দ্বারা দেশে শিল্পোন্নয়ন ত্বরান্বিত করা যায় ।

৫. পর্যাপ্ত পুঁজির সংস্থান : কোন দেশের দ্রুত শিল্পোন্নয়নের জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থের যোগান দেয়া প্রয়োজন । বাংলাদেশের মতো একটি স্বল্পোন্নত দেশে সরকারের পক্ষে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রয়োজনীয় পুঁজির সংস্থান করা খুবই দুঃসাধ্য । তাই বেসরকারিকরণের ফলে শিল্পক্ষেত্রে বিনিয়োগের প্রতি দেশি ও বিদেশি বেসরগরি পুঁজি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হবে । এর ফলে দেশে দ্রুত শিল্পায়ন হবে ।

৬. দক্ষতা বৃদ্ধি : রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পসমূহের অভিমত থেকে দেখা যায় যে , ত্রুটিপূর্ণ ব্যবস্থাপনা ও অদক্ষতাই এসব শিল্প প্রতিষ্ঠানের আর্থিক লোকসানের মূল কারণ । বেসরকারি উদ্যোক্তাগণ সাধারণত নিজেদের মুনাফ বৃদ্ধির তাগিদেই উৎপাদন দক্ষতা অর্জন ও বজায় রাখার চেষ্টা করে । তাই বলা যায় যে , বাংলাদেশে বিরাষ্ট্রীয়কৃত শিল্প মূহের দক্ষতা ও উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে ।

৭. প্রয়োজনাতিরিক্ত জনবল : বাংলাদেশের রাষ্ট্রায়ত্ত ও শিল্প প্রতিষ্ঠানের অদক্ষতার ও লোকসানের অন্যতম প্রধান কারণ মাত্রাতিরিক্ত জনবল । এতে অযথা উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায় । অন্যদিকে , বেসরকারি খাতে অনেক কম জনবল দিয়ে উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয় । তাই বলা যায় যে , সরকারি খাতের তুলনায় বেসরকারি খাত অধিকতর দক্ষ ।

৮. বিদেশি বিনিয়োগ উৎসাহ প্রদান : বাংলাদেশে দ্রুত শিল্পোন্নয়নের জন্য বিদেশি পুঁজির উৎসাহিত করা প্রয়োজন । বেসরকারিকরণ নীতির ফলে বাংলাদেশ বিদেশি পুঁজি বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে ।

১. দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়ন : স্বাধীনতার পরে দ্রুত অর্থনৈতিক উন্নয়নের উদ্দেশ্যেই শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে রাষ্ট্রায়ত্ত করা হয় । কিন্তু যে কোন কারণেই হোক আমাদের রাষ্ট্রয়ত্ত শিল্প সে উদ্দেশ্য পালনে ব্যর্থ হচ্ছে । রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের লোকসান করণে বরং আমাদের অর্থনৈতিক অগ্রগতি ব্যাহত হচ্ছে । ফলে এদেরকে বেসরকারি খাতে ছেড়ে দেয়াই অধিকতর যুক্তিযুক্ত ।

১০. সমাজ দর্শন : বাংলাদেশের কোন সময়ই সমাজতন্ত্রের পক্ষে ব্যাপক জনমত সৃষ্টি হয় নি বরং এদেশে নব্বই এর দশকের প্রথম দিকে সকল বড় রাজনৈতিক দল মুক্ত বাজার অর্থনীতির ম্যানিফেস্টো ঘোষণা করেছে । অতএব রাষ্ট্রায়ত্ত খাতের সংকোচন এবং বেসরকারিকরণ এদেশের সমাজ দর্শনের সাথে সংগতিপূর্ণ ।

১১. মুক্ত বাজার অর্থনীতি : বর্তমান যুগ হলো বিশ্বায়নের যুগ । বিশ্বায়নের ধারাবাহিকতার বিশ্ব মুক্ত বাজার অর্থনীতি এগিয়ে চলেছে । আমাদের দেশও তার ব্যতিক্রম নয় । তাই দেশের বেসরকারি খাতে উৎসাহ প্রদান লক্ষ্যে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প থেকে পুঁজি প্রত্যাহার করা বাঞ্ছনীয় । এতে বেসরকারি পুঁজি বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি হবে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা শেষে বলা যায় রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প প্রতিষ্ঠানের লোকসান প্রতিরোধে বেসরকারিকরণ প্রয়োজন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!