ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসমূহের মধ্যে সনাতনী দ্রব্যের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

[ad_1]

✍️ বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যসমূহের মধ্যে সনাতনী দ্রব্যের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তরঃ ভূমিকা : বাংলাদেশ কৃষিজাত দ্রব্য ও শিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি করে । দেশে উৎপাদিত দ্রব্যসমূহের মধ্যে পাট ও পাটজাত দ্রব্য , চা , চামড়া , হিমায়িত মাছ , তৈরি পোশাক নীট ওয়ার এবং কাগজ প্রধান । এছাড়া আরো অনেক পণ্য রপ্তানি করা হয় । বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলো দুই ভাগে ভাগ করা হয় ।

ক . ১৯৮০ সালের পূর্ব যেসব দ্রব্য রপ্তানি করা হতো তাকে সনাতন দ্রব্য বলে ।

খ . এর পরবর্তী সময়ে সংযোজিত নতুন পণ্যসমূহকে অসনাতনী পণ্য বা অপ্রচলিত দ্রব্য বলে ।

নিম্নে দু’ধরনের দ্রব্যের বিবরণ দেয়া হলো :

ক . সনাতনী দ্রব্যসমূহ :

১. পাট ও মেসতা : বাংলাদেশ পাট ও মেসতা রপ্তানিকারক দেশগুলোর মধ্যে অন্যতম । ব্রিটিশ শাসনামলে বাংলাদেশ সকল পাটই কাঁচা অবস্থায় বিক্রি করত । বর্তমানে পাট শিল্প গড়ে উঠার ফলে কাঁচা পাট রপ্তানি আয় হ্রাস পেয়েছে । দেশে প্রতিবছর ৫০-৮০ লক্ষ বেল পাট উৎপাদিত হয় । দেশীয় চাহিদা মাত্র ৩০ লক্ষ বেল বাকি পাট কাঁচা অবস্থায় রপ্তানি করতে হয় । বিশ্ব বাজারে পাটের চাহিদা রয়েছে ২৫ লক্ষ বেলের । তাই কোন বছরে যদি উৎপাদন ২৫ লক্ষ বেলের বেশি হয় তাহলে মূল্য বাড়া শুরু করে । ১৯৮৭-৮৮ সালে প্রতি বেল ১৩৩২ টাকা মূল্যে ১৩৪২ লক্ষ বেল পাট রপ্তানি করে ২১৪ কোটি টাকা আয় করে । ২০০৯-১০ সালে মোট রপ্তানি আয় ১৩৭২ কোটি টাকা । দেশীয় চাহিদা মিটিয়ে বাকি পাট রপ্তানি করা হয় ।

২. পাটজাত দ্রব্য : বাংলাদেশে রপ্তানি পণ্যের মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ছিল পাটজাত দ্রব্য । মোট রপ্তানি আয়ের ৫ ভাগ আসে পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি থেকে । বাংলাদেশ হেসিয়ান সেকিং , কাপের্ট ব্যাংকিং এবং ক্লোথ প্রভৃতি দ্রব্য রপ্তানি করা হয় । প্রতিবছর ৬ লক্ষ টনেরও বেশি পাটজাত দ্রব্য রপ্তানি করা হয় । ১৯৯০-৮৯ সালে মোট ৯৮৩ কোটি টাকা আয় করে । ২০০৯-১০ সালে মোট ৩৭৮০ কোটি টাকার দ্রব্য রপ্তানি করা হয় । উৎপাদন খরচ হ্রাস , দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দ্রব্যের গুণগত মান উন্নয়ন দ্বারা রপ্তানি বৃদ্ধির প্রচেষ্টা সরকার চালিয়ে যাচ্ছে ।

৩. চামড়া এবং চামড়াজাত দ্রব্য : বাংলাদেশ উন্নতমানের ছাগলের চামড়া উৎপাদন করে , যা অত্যধিক ফ্যাশনমূলক দ্রব্য তৈরিতে ব্যবহার করা হয় । একই ভাবে গরুর চামড়ারও পর্যাপ্ত চাহিদা বিশ্ব বাজারে রয়েছে । বাংলাদেশে প্রায় ১৭ কোটি বর্গফুট চামড়া , ১৯৮২-৮৩ সালে রপ্তানি করে ৭৩৭ কোটি টাকা আয় করে । আধা পাকা চামড়া বিদেশে রপ্তানি করা হয় । প্রতি বর্গফুটের মূল্য ছিল , ৭০-৮০ টাকা ২০০৯-১০ সালে চামড়া রপ্তানি করে দেশ প্রায় ১৬১০ কোটি টাকা আয় করে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত দ্রব্যগুলোই সনাতনী রপ্তানি বলে বিবেচিত যা বর্তমানে অনেক হ্রাস পেয়েছে ।

✍️ বাংলাদেশের অসনাতনী বা অপ্রচলিত দ্রব্যের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশের প্রচলিত দ্রব্যের মত অপ্রচলিত দ্রব্যের তাৎপর্য কম না । অপ্রচলিত অনেক দ্রব্যই রপ্তানি করে প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা হয় ।

বাংলাদেশের অসনাতনী / অপ্রচলিত দ্রব্যেসমূহ : নিম্নে অপ্রচলিত দ্রব্যের সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দেয়া হলো :

১. তৈরি পোশাক : অপ্রচলিত পণ্যের মধ্যে তৈরি পোশাক বর্তমান রপ্তানি বাণিজ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে । বিশ্বের পঞ্চম পোশাক রপ্তানিকারক দেশ বাংলাদেশ । বাংলাদেশে তৈরি পোশাকের চাহিদা বিশ্ব বাজারে ইউরোপ , আফ্রিকা , আমেরিকা ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে যথেষ্ট রয়েছে । ফলে পোশাক শিল্প দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে । ২২১৮ টি পোশাক শিল্পে প্যান্ট , শার্ট ও জ্যাকেট প্রভৃতি পণ্য রপ্তানি করা হয় । ২০০৯-১০ সালে মোট গার্মেন্টস্ রপ্তানি আয় হয় ৪২,২০০ কোটি টাকা । বাংলাদেশি পোশাক ক্রেতারা হলো USA ৬৩.১ % পশ্চিম জার্মানি ১০.১ % এবং ইতালি ২৫ % ।

২. শাকসবজি : সম্প্রতিকালে বাংলাদেশ শাকসবজি রপ্তানি করতে শুরু করেছে । মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহে ২৬ হাজার টন শাকসবজি রপ্তানি করে ১৯৯৫ সালে ১০ কোটি টাকা আয় করে । ১৯৯৪-৯৫ সালে ১৫ হাজার টন শাকসবজি রপ্তানি করে বাংলাদেশ ২৭ মি . ডলার আয় করবে বলে পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় । ২০০৭-০৮ সালে ৭০০ কোটি টাকার শাকসবজি রপ্তানি করে ।

৩. নীটওয়ার : বাংলাদেশ হেশিয়ারী বা নীটওয়ার শিল্পের রপ্তানি বাণিজ্য ১৯৯০ সালে প্রথম অংশ নেই । বর্তমানে এ শিল্প ২০০৯-১০ অর্থবছরে প্রায় ৪৫,৫৩০ কোটি টাকার নীটওয়ার রপ্তানি করে ।

৪. হস্তশিল্প দ্রব্য : বাংলাদেশ হস্তশিল্পজাত দ্রব্য রপ্তানি করে ২০০৭-০৮ সালে মোট ৫.৬ কোটি টাকা রপ্তানি আয় করে । বাংলাদেশি হস্তশিল্পজাত দ্রব্যের চাহিদা বিশ্ব বাজারে যথেষ্ট বেড়েছে , ভবিষ্যতে আরো বাড়বে ।

৫. নেপথা ও ফার্নেস তৈল : নেপথা ও ফার্নেস তৈল আমাদের একটি রপ্তানি দ্রব্য । ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড দেশে একমাত্র পেট্রাল শোধনাগার । এর বার্ষিক ৯ লক্ষ টন শোধন করার ক্ষমতা রয়েছে । ২০০৭-০৮ সালে ১০৫ কোটি টাকার নেপথা , বিটুমির ও ফার্নেস তৈল উৎপাদন করে ।

৬. জুতা : বাংলাদেশে বর্তমানে জুতা রপ্তানি করেছে । জুতা রপ্তানি আয় প্রতিবছর ২১৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ১৯৮০ কোটি টাকার জুতা রপ্তানি হচ্ছে ।

৭. অন্যান্য পণ্য : বাংলাদেশে অন্যান্য অনেকগুলো দ্রব্যই রপ্তানি করে , যা অতি অল্প রপ্তানি আয় প্রদান করে । এগুলো হলো অশোধিত সার , ঔষধ , চিটাগুড় , দিয়াশলায় , পার্টেক্স , রেয়ন , ছবি ও বিভিন্ন ধরনের যন্ত্রপাতি ।

উপসংহার : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে অপ্রচলিত দ্রব্যের অবদান অনস্বীকার্য ।

✍️ বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতির কারণসমূহ কী কী ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতির বহুবিধ কারণ রয়েছে । উক্ত কারণগুলো ব্যাখ্যা করলেই তা সহজেই বুঝা যাবে ।

বাংলাদেশে বাণিজ্য ঘাটতির কারণসমূহ : নিম্নে বাণিজ্য ঘাটতির কারণসমূহ বর্ণনা করা হলো :

১. বাণিজ্য শর্তে অবনতি : বাংলাদেশে বাণিজ্য শর্তে ক্রমাগত অবনতির কারণে প্রতিবছর বাণিজ্য ঘাটতি পরিলক্ষিত হচ্ছে । আমদানি দ্রব্যের দাম যে হারে বাড়ে রপ্তানি দ্রব্যের দামের সূচক তার চেয়ে কম হারে বাড়ার কারণেই বাণিজ্য ঘাটতি লক্ষ্য করা যায় ।

২. অতিমাত্রায় জ্বালানি নির্ভর : বাংলাদেশের বাণিজ্য ভারসাম্য উন্নতি সবচেয়ে বড় আমদানি নির্ভর করেছে বৈদেশিক তেলের বাজারের উপর । আমাদের সবচেয়ে বড় আমদানি দ্রব্য হলো জ্বালানি তেল । বিগত কয়েক বছরে তেলের দাম ক্রমাগত বাড়ার কারণে বাণিজ্য ঘাটতি প্রকট আকার ধারণ করেছে ।

৩. রাজনৈতিক অস্থিরতা : অতীতে বাংলাদেশে হরতাল , সমাবেশ , মিছিল , পিকেটিং এবং কর্মবিরতির কারণে প্রায়ই উৎপাদন ও বণ্টন কার্যক্রম বন্ধ থাকত । ফলে রপ্তানির পরিমাণ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে ।

৪. গুটি কয়েক রপ্তানি পণ্য : বাংলাদেশের রপ্তানিখাত খুবই নাজুক । গুটি কয়েক পণ্য যেমন গামেন্টেস , নীটওয়ার , চিংড়ি ও পাটজাত দ্রব্য আমাদের প্রধান রপ্তানি দ্রব্য । বেশি আয় আসে যেমন- সফটওয়ার , গাড়ি , যন্ত্রপাতি , জ্বালানি তৈল , প্রযুক্তি এসব আমাদের রপ্তানি তালিকায় নেই আছে আমদানি তালিকায় । তাই বাণিজ্য ঘাটতি প্রকট ।

৫. আমদানি বেশি : বাংলাদেশের বাণিজ্যখাতে আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি । খাদ্য ঘাটতি , জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি , উন্নয়নের প্রয়োজনে মূলধন ও কাঁচামাল আমদানির ফলে আমাদের আমদানির পরিমাণ অনেক বেশি । যা বাণিজ্য ঘাটতির অন্যতম কারণ ।

৬. প্রতিবেশী দেশের সাথে প্রতিকূলতা : বাংলাদেশের বাণিজ্য ঘাটতির একটি অন্যতম কারণ হলো ভারতের সাথে ভারসাম্য বাণিজ্য । ভারত , বাংলাদেশ ১০.১ অনুপাত বাণিজ্য করছে । এতে বাংলাদেশে ক্রমাগত নাজুক অবস্থায় চলে যাচ্ছে ।

৭. আমদানিনীতি : বাংলাদেশ ১৯৯০ সালে মুক্ত বাণিজ্যে পা দেয় । এরপর থেকে ক্রমাগত আমদানি বাণিজ্য উদারতা , শুল্ক মুক্তকরণ করেছে । ফলে বিদেশি পণ্য অবাধে আসছে এবং বাণিজ্য ঘাটতিও বাড়ছে ।

৮. দেশপ্রেমের অভাব : বাংলাদেশের মানুষ দেশীয় পণ্য ক্রয় করতে চায় না । বিদেশি পণ্য ক্রয় করতে চায় এমন মনমানসিকতা কাজ করে । বিদেশি পণ্যের প্রতি অতি ভক্তি আমাদের বাণিজ্য ঘাটতি সৃষ্টি করেছে ।

উপসংহার : বাণিজ্য ঘাটতির উপর্যুক্ত কারণগুলো দূর করতে পারলেই আমরা বাণিজ্যে উদ্বৃত্ত লাভ করতে পারবো ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!