ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পোন্নয়নের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর ।

[ad_1]

✍️বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পোন্নয়নের গুরুত্ব বা প্রয়োজনীয়তা আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : অর্থনৈতিক উন্নয়ন বলতে দীর্ঘদিন যাবৎ একটি দেশের জনগণের মাথাপিছু প্রকৃত আয়ের বৃদ্ধি ও তার উপযোগী অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন বুঝায় । অর্থনীতির এ কাঠামোগত পরিবর্তন বলতে সাধারণত কৃষির মতো প্রাথমিক উৎপাদন খাতের তুলনায় শিল্পখাতের প্রাধান্য বিস্তার এবং জি.ডি.পিতে ও কর্মসংস্থানে শিল্পখাতের অধিক অবদান বুঝায় । বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য এ দ্রুত শিল্পোন্নয়নই কার্যকরী উন্নয়ন কৌশল বলে স্বীকৃত হয়েছে ।

শিল্পোন্নয়নের গুরুত্ব : শিল্পোন্নয়নই অর্থনৈতিক উন্নয়নের পূর্বশর্ত । বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পোয়নের প্রয়োজনীয়তা ও গুরুত্বের প্রধান কারণগুলো নিয়ে বর্ণনা করা হলো :

১. ক্রমবর্ধমান শ্রমশক্তি কর্মসংস্থানের উপায় : বাংলাদেশের শ্রমশক্তির আকার প্রায় ৬ কোটি এবং প্রতি বছর তা প্রায় ৪.৫ % হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে । কৃষিখাতে বেশি প্রয়োজনাতিরিক্ত শ্রমশক্তি আছে এবং অনেকেই ছদ্মবেশী বেকার । এমতাবস্থায় দেশের বৃদ্ধিপ্রাপ্ত শ্রমশক্তির নিয়োগ কৃষিতে সম্ভবপর নয় । বরং কৃষিখাত থেকে অন্যত্র শ্রমশক্তি স্থানান্তর করা আবশ্যক । অতএব কৃষিখাতের বাইরে বিশেষত শিল্পখাতে কর্মসংস্থান সৃষ্টি করা একান্ত প্রয়োজনীয় ।

২. জাতীয় আয় বৃদ্ধির উৎস : যে কোন অর্থনীতিতে শিল্পখাত হয় সর্বাধিক গতিশীল । মূলধন গঠনের হার বৃদ্ধি পেলে শিল্পখাতের প্রবৃদ্ধির হার বৃদ্ধি পায় । কিন্তু কৃষিতে জমির সীমাবদ্ধতার কারণে প্রবৃদ্ধির হার বেশি বাড়ানো সম্ভব নয় । আমাদের কৃষিতে প্রযুক্তিক উৎকর্ষের সীমাবদ্ধতা অনুভূত হচ্ছে এবং শস্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার প্রায় ২ % এ নেমে এসেছে । শীঘ্রই বাংলাদেশের সীমিত পরিমাণ ভূমির সীমাবদ্ধতা কৃষিখাতের প্রবৃদ্ধিকে সীমিত করে দেবে । ফলে শিল্পোন্নয়নই হবে জাতীয় আয়ের প্রবৃদ্ধির প্রধান উপায় ।

৩. খাদ্য আমদানির জন্য শিল্পের উপর নির্ভরশীলতা : বাংলাদেশে বর্তমানে বছরে প্রায় ২০ লক্ষ মেঃ টন খাদ্যশস্য আমদানি করতে হয় । ভবিষ্যতে এ খাদ্য ঘাটতি আরো বেড়ে যাবে । দেশের খাদ্যের প্রয়োজন মিটানোর জন্য একমাত্র উপায় হবে শিল্পজাত দ্রব্যের রপ্তানির বিনিময়ে খাদ্য আমদানি করা ।

৪. আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে শিল্পজাত পণ্যের প্রাধান্য : বর্তমানে বিশ্বের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বিনিময়কৃত পণ্যের শিল্পজাত দ্রব্যই প্রধান । ১৯৯৫ সালে বিশ্ব বাজারে কেনাবেচা হয় ৪৮৮০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার মূল্যের পণ্য এবং তার ৭৫ % ছিল শিল্পজাত দ্রব্য । অতএব অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য প্রয়োজন শিল্পায়নের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজারে স্থান করে নেয়া ।

৫. শিল্পজাত দ্রব্যের চাহিদায় আয় স্থিতিস্থাপকতা : শিল্পজাত দ্রব্যের আয় স্থিতিস্থাপকতা ১ – এর চেয়ে বেশি । তাই বিশ্বে আয় বৃদ্ধির সাথে শিল্পজাত দ্রব্যের বাজার প্রসারিত হয় । পক্ষান্তরে , কৃষিজাত দ্রব্যের চাহিদায় আয় স্থিতিস্থাপকতা ১ এর চেয়ে কম । ফলে কৃষিজাত দ্রব্যের বাজার তেমন প্রসারিত হচ্ছে না । তাই বলা যায় অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য শিল্পোন্নয়নই প্রকৃষ্ট উপায় ।

৬. অন্যান্য খাতের সাথে শিল্পখাতের অন্বয়ী প্রভাব : কৃষিখাত বা সার্ভিসখাত বিশেষভাবে শিল্পখাতের উপর নির্ভরশীল । সার , যন্ত্রপাতি , গাড়ি ইত্যাদি শিল্পখাতের উপর নির্ভরশীল । অতএব অন্যান্য খাতের সাথে শিল্পখাতের অন্বয়ী সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ । এ কারণে সমগ্র অর্থনীতি উন্নয়নের জন্য প্রথমে শিল্পোন্নয়ন প্রয়োজন ।

৭. লেনদেন ঘাটতি সংশোধন : বাংলাদেশ স্থায়ী লেনদেন ঘাটতিতে ভোগছে । এমতাবস্থায় বাংলাদেশের রপ্তানি বৃদ্ধি ও আমদানি হ্রাস অত্যন্ত প্রয়োজন । কিন্তু আমরা আমদানি বিকল্পন কৌশল অথবা রপ্তানিতাড়িত কৌশল যে কোন কৌশলই অবলম্বন করি না কেন , দ্রুত শিল্পোন্নয়নই হবে লেনদেন ঘাটতি সংশোধনের একমাত্র উপায় ।

৮. অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন : বাংলাদেশের তথা যে কোন স্বল্পোন্নত দেশের উন্নয়নের জন্য অর্থনীতির কাঠামোগত পরিবর্তন প্রয়োজন । বাংলাদেশে ইতোমধ্যে জি.ডি.পিতে সার্ভিস খাতের অবদান প্রায় ৪৮ % এ বৃদ্ধি পেয়েছে । কিন্তু শিল্পখাতের অবদান এখনো প্রায় ১৬ % । তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য দ্রুত শিল্পোন্নয়ন অত্যাবশক ।

৯. শিল্পে প্রযুক্তিক উৎকর্ষের অধিক অবকাশ : শিল্পখাতে নিত্যনতুন দ্রব্যের উদ্ভাবন ও প্রযুক্তির উৎকর্ষ সাধনের অফুরন্ত অবকাশ যেমন আছে তেমন অন্য কোন খাত নেই । এ কারণেই অন্যান্য উন্নত দেশের উন্নয়নের ইতিহাস থেকে জানা যায় যে , অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে শিল্পায়নের কারণে । অতএব বাংলাদেশেরও শিল্পোন্নয়ন প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত করা একান্ত আবশ্যক ।

উপসংহার : উপরের বর্ণনা অনুযায়ী বাংলাদেশ অতি সীমিত ভূমি সম্পদের অধিকারী এবং বিশ্বের সর্বোচ্চ জনসংখ্যা ঘনত্বের দেশ । তাই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের একমাত্র উপায় দ্রুত শিল্পোন্নয়ন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!