ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ( BSEC ) এর ভূমিকা আলোচনা কর।

[ad_1]

✍️বাংলাদেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন ( BSEC ) এর ভূমিকা আলোচনা কর।

উত্তর : বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন : বিএসইসি এর নিয়ন্ত্রণাধীন ৯ টি শিল্প ইউনিট বর্তমান চালু আছে । এর মধ্যে ৭ টি প্রতিষ্ঠান মুনাফা অর্জনকারী এবং অবশিষ্ট ২ টি লোকসানি । প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে ৩ টি প্রতিষ্ঠান যথা এটলাস বাংলাদেশ লিঃ , ন্যাশনাল টিউবস লিঃ ও ইস্টার্ন কেবলস লিঃ এর ৪৯ শতাংশ শেয়ার ব্যক্তিমালিকানায় ছেড়ে দেয়া হয়েছে । বিএসইসির নিয়ন্ত্রণাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহ দেশের বিদ্যুতায়ন ও যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ অর্থনৈতিক উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে । বিএসইসির উৎপাদিত পণ্যসামগ্রীর মধ্যে মোটরসাইকেল , মিশুক , জিআই / এমএস / এসিআই পাইপ , বৈদ্যুতিক কেবলস , টিউব লাইট , সুপার এনামেলড কপার , ট্রান্সফরমার ও অন্যান্য বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম , বাস , ট্রাক ও জীপ ইত্যাদি উল্লেখযোগ্য ।

৯ টি প্রতিষ্ঠানে চলতি বছরে ৫০০.০৭ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী উৎপাদিত হয় । উল্লিখিত প্রতিষ্ঠানসমূহে ২০১১-১২ অর্থবছরের প্রাক্কলিত বাজেট অনুযায়ী ১০০৪.৬৯ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী উৎপাদন ও ১০৯৪.৩৮ কোটি টাকা মূল্যের পণ্যসামগ্রী বিক্রয় হবে বলে আশা করা যায় । ২০১০-১১ অর্থবছরের জুলাই ১০ জানুয়ারি ১১ সময়ে সার্বিক নীট মুনাফা লক্ষ্যমাত্রা ৩৩.১৬ কোটি টাকার বিপরীতে ৩০.৬০ কোটি টাকা অর্জিত হয় যা লক্ষ্যমাত্রার ৯২ শতাংশ । ২০০৯-১০ অর্থবছরে সংস্থার প্রকৃত মুনাফা ৭৯.০৩ কোটি টাকা অর্জিত হয়েছিল । চলতি বছরের জুলাই ১০ জানুয়ারি ১১ সময়ে সংস্থা কর্তৃক শুল্ক কর বাবদ সরকারি কোষাগারে ২৪৮.৩৯ কোটি টাকা জমা করা হয় । বিএসইসি – এর অন্যতম ২ টি বৃহৎ শিল্প প্রতিষ্ঠান হচ্ছে প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এবং চট্টগ্রাম ড্রাইডক ইঞ্জিনিয়ারিং লিঃ । প্রগতি ইন্ডাস্ট্রিজ প্রধানত বাস , জীব , ট্রাক ইত্যাদি গাড়ি সংযোজন করে বাজারজাত করে থাকে ।

এ প্রতিষ্ঠান হতে বর্তমানে মার্চ ২০১১ পর্যন্ত ৯২.৫৯ কোটি টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেয়া হয়েছে । তাছাড়া ২০১২ সালের মধ্যে সিডান কার সংযোজন এবং পরিবেশ বান্ধব থ্রি – হুইলার ভেজিক্যাল তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে । চট্টগ্রাম ও ড্রাইডক লিঃ বর্তমান অর্থবছরে জলযান মেরামত বাবদ মার্চ ২০১১ পর্যন্ত ২২.৮৫ কোটি টাকা আয় করছে । পাবলিক পার্টনারশীপ এর ভিত্তিতে সমুদ্রগামী জাহাজ নির্মাণের সুবিধাদি নির্মাণ প্রক্রিয়াধীন আছে । উপসংহার : অর্থনৈতিক উন্নয়নে বাংলাদেশ ইস্পাত ও প্রকৌশল কর্পোরেশন এর ভূমিকা খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ।

✍️রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন এর বর্ণনা কর ।

উত্তর : বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন : রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহের মধ্যে বাংলাদেশ রসায়ন শিল্প কর্পোরেশন সর্ববৃহৎ প্রতিষ্ঠান । এ প্রতিষ্ঠানের অধীনে বর্তমানে ১৩ টি শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালিত হচ্ছে । তন্মধ্যে ৬ টি ইউরিয়া সার কারখানা , ১ টি পেপার মিল , ১ টি সিমেন্ট কারখানা , ১ টি গ্লাসশীট কারখানা , ১ টি ইনস্যুলেটর এবং স্যানিটারীওয়্যার কারখানা এবং ১ টি হার্ডবোর্ড মিল রয়েছে । বিসিআইসির উৎপাদিত পণ্যের ৮০ শতাংশ বিভিন্ন রাসায়নিক সার যার মধ্যে ৭০ শতাংশ ইউরিয়া সার ।

২০১০-১১ অর্থবছরের মার্চ ২০১১ পর্যন্ত বিসিআইসির ১৩ টি কারখানায় ১৬৪১.৫১ কোটি টাকার উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রার বিপরীতে প্রকৃত উৎপাদন হয়েছে ১১৯৯.৮৬ কোটি টাকা যার লক্ষ্যমাত্রার ৭৩ শতাংশ । একই সময়ে সংস্থার কারখানাসমূহের বিক্রয়ের পরিমাণ ছিল ১২৭১.৯৪ কোটি টাকা যা লক্ষ্যমাত্রার ৭৭ শতাংশ । আলোচ্য সময়ে সংস্থার কারখানাসমূহ রাষ্ট্রীয় কোষাগারে রাজস্ব হিসেবে ৭৮.৫৯ কোটি টাকা জমা দিয়েছে । বিসিআইসির নিয়ন্ত্রণাধীন কারখানাসমূহে ২০১০-১১ অর্থবছরে মার্চ ২০১১ পর্যন্ত ৮ , ২২,২৬৮ মেঃ টন ইউরিয়া ৪২,৩২৪ মেঃ টন টিএসপি , ২৭,৪৩৯ মেঃ টন ডাই – এ্যামোনিয়াম ফসফেট , কাগজ ১৪,০৭১ মেঃ টন , সিমেন্ট ৯০,৭৯০ মেঃ টন ১৪.৫৫ লক্ষ বর্গ মিটার গ্লাস শীট উৎপাদিত হয়েছে ।

ফসফেটিক সারে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ও টিএসপি সারের উপর নির্ভরশীল কমানোর লক্ষ্য চিটাগাং ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিঃ প্রাঙ্গণে স্থাপিত ডাই – এ্যামোনিয়াম ফসফেট এবং ডাই এ্যামোনিয়াম ফসফেট শীর্ষক ইউনিট দুটির প্রতিটির দৈনিক ডিএজি উৎপাদন ক্ষমতা হচ্ছে ৮০০ মেঃ টন । দেশের ইউরিয়া সারের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ৫.৭৭ লক্ষ মেঃ টন উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন শাহজালাল ফার্টিলাইজার ফ্যাক্টরি স্থাপনের বিষয়ে বাংলাদেশ সরকার ও চীন সরকারের মধ্যে Frame works Agreement স্বাক্ষরিত হয়েছে । এ বাণিজ্যিক চুক্তি স্বাক্ষরের পর দু’দেশের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর হলে প্রকল্পের বাস্তবায়নের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে বলে আশা করা যায় ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে , বাংলাদেশ সরকারের মালিকানাধীন শিল্প প্রতিষ্ঠানের মধ্যে রসায়ন শিল্প কর্পোরেশনের গুরুত্ব অনস্বীকার্য ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!