ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

বহিঃখাত External Sector

[ad_1]

ক – বিভাগ অতি সংক্ষিপ্ত প্রশ্নোত্তর

👉 বৈদেশিক / আন্তর্জাতিক বাণিজ্য কী ?

উত্তর : দুই বা ততোধিক দেশের মধ্যে দ্রব্য ও সেবার আদান – প্রদান তথা বাণিজ্য হলে তাকে বৈদেশিক / আন্তর্জাতিক বাণিজ্য বলে ।

👉 বিশ্ব বাণিজ্য কী ?

উত্তর : বিশ্বের দেশগুলোর মধ্যে দ্রব্য ও সেবার পারস্পারিক লেনদেন তথা বাণিজ্যকে বিশ্ব বাণিজ্য বলা হয় ।

👉 রপ্তানি বাণিজ্য কী ?

উত্তর : দেশে উৎপাদিত পণ্য অপরাপর দেশে বিক্রয় করাই হচ্ছে রপ্তানি । আর এ রপ্তানি প্রক্রিয়ার সাথে জড়িত সকল কার্যক্রমকে বলা হয় রপ্তানি বাণিজ্য ।

👉 রপ্তানি বাণিজ্য কী ? বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?

উত্তর : বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোকে প্রধানত দু’ভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

i . প্রচলিত রপ্তানি পণ্য ;

ii . অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য ।

👉 রপ্তানি বাণিজ্য কী ? বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যগুলোকে প্রধানত কয় ভাগে ভাগ করা হয় ?প্রচলিত রপ্তানি পণ্য কী ?

উত্তর : যেসব পণ্য দীর্ঘদিন ধরেই একদেশ থেকে অন্যদেশ তথা বিদেশের বাজারে রপ্তানি হয় সেগুলোকেই প্রচলিত রপ্তানি পণ্য বলা হয় ।

👉 বাংলাদেশের প্রচলিত রপ্তানি পণ্যগুলো কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের প্রচলিত রপ্তানি পণ্যগুলো হলো : পাট ও পাটজাত পণ্য , চা , চামড়া ইত্যাদি ।

👉 অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য কী ?

উত্তর : যেসব পণ্য স্বল্পকাল আগে থেকে একদেশ হতে বিদেশে বা অন্যদেশে রপ্তানি হয় সেগুলোকে অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্য বলা হয় ।

👉 বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যগুলো কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের অপ্রচলিত রপ্তানি পণ্যগুলো হলো- তৈরি পোশাক , হস্তশিল্পজাত পণ্য , হিমায়িত খাদ্য , রাসায়নিক পণ্য , পান – সুপারি , সিরামিক পণ্য , ওষুধ , চামড়াজাত পণ্য ইত্যাদি ।

👉 আমদানি বাণিজ্য কী ?

উত্তর : একটি দেশ অপরাপর দেশ থেকে পণ্য ক্রয় করলে তাকে আমদানি বলে । আর এ পণ্য আমদানির সাথে সম্পর্কিত যাবতীয় কার্যক্রমের সমষ্টিকে আমদানি বাণিজ্য বলা হয় ।

👉 বাংলাদেশ বিদেশ থেকে কী ধরনের পণ্য আমদানি করে ?

উত্তর : বাংলাদেশ বিদেশ থেকে সাধারণত নিম্নলিখিত পণ্যসামগ্রী আমদানি করে । যথা :

( i ) নিত্যব্যবহার্য ও ভোগ্যপণ্য ( খাদ্যদ্রব্যসহ ) ,

( ii ) শিল্পজাত পণ্য ও কাঁচামাল ; এবং

( iii ) মূলধনী পণ্য ও অন্যান্য ( খেলনা , শিশুখাদ্য , শিল্পকর্ম , রং , গ্লাস ইত্যাদি ) ।

👉 লেনদেনের ভারসাম্য কী ?

উত্তর : একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত একবছরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লিও একটি দেশের সকল প্রকার দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান পণ্য ও সেবার আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের হিসাবকে লেনদেনের ভারসাম্য বলা হয় ।

👉 বাণিজ্যের ভারসাম্য কী ?

উত্তর : একটি নির্দিষ্ট সময়ে সাধারণত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে লিপ্ত একটি দেশের সকল প্রকার দৃশ্যমান পণ্যসামগ্রীর আমদানি ব্যয় ও রপ্তানি আয়ের হিসাবকে বাণিজ্যের ভারসাম্য বলা হয় ।

👉 ইপিজেড কী ?

উত্তর : দেশের অভ্যন্তরে কিছু বিশেষ সুবিধাপ্রাপ্ত ও সংরক্ষিত শিল্প এলাকায় শুধু রপ্তানিমুখী শিল্প – কারখানা স্থাপনের সুযোগ দেয়া হলে তাকে ইপিজেড ( EPZ ) বলে ।

👉 EPZ এর পূর্ণরূপ কী ?

উত্তর : EPZ এর পূণ্য রূপ হলো Export Processing Zone ( রপ্তানি প্রক্রিয়াকরণ অঞ্চল / এলাকা ) ।

👉 BEPZA এর পূর্ণ রূপ কী ?

উত্তর : BEPZA এর পূর্ণ রূপ হলো Bangladesh Export Processing Zone Authority .

👉 BEPZA কত সালে গঠিত হয় ?

উত্তর : ১৯৮০ সালে BEPZA গঠিত হয় ।

👉 বাংলাদেশের প্রথম EPZ কোথায় এবং কত সালে প্রতিষ্ঠিত হয় ?

উত্তর : ১৯৮৩ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের প্রথম EPZ প্রতিষ্ঠিত হয় ।

👉 বাংলাদেশে বর্তমানে EPZ এর সংখ্যা কত ?

উত্তর : বাংলাদেশে বর্তমানে ৮ টি EPZ রয়েছে ।

👉 বাংলাদেশে কত সালে ওয়েজ আর্নার্স স্কিম চালু করা হয় ?

উত্তর : বাংলাদেশে ১৯৭৪ সালে ওয়েজ আর্নার্স স্কিম চালু করা হয় ।

👉 ওয়েজ আর্নার্স স্কিম কী ?

উত্তর : যে কর্মসূচির আওতায় বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসীদের অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রায় সরাসরি কতিপয় নির্ধারিত পণ্য আমদানির সুযোগ দেয়া হয় তাকে ওয়েজ আর্নার্স স্কিম বলে ।

👉 জনশক্তি রপ্তানি কী ?

উত্তর : একটি দেশের দক্ষ , অদক্ষ শ্রমিক , কারিগর , বিশেষজ্ঞ প্রভৃতি জনশক্তি বিদেশে তথা অপরাপর দেশে প্রেরণ করাকে জনশক্তি রপ্তানি বলা হয় ।

👉 বাণিজ্য নীতি কী ?

উত্তর : আন্তর্জাতিক বাণিজ্য পরিচালনার জন্য যেসব নীতিমালার বা নিয়ম – কানুন গ্রহণ করা হয় তাকেই একটি দেশের বাণিজ্য নীতি বলে ।

👉 বাণিজ্য নীতিকে কয় ভাগে ভাগ করা যায় ?

উত্তর : একটি দেশের বাণিজ্য নীতিকে দু’ভাগে ভাগ করা যায় । যথা :

i . আমদানি নীতি এবং

ii . রপ্তানি নীতি ।

👉 আমদানি নীতি কী ?

উত্তর : একটি দেশ কি ধরনের পণ্য ও সেবা আমাদানি করবে , কিভাবে আমদানি করবে , শুল্ক হার কি হবে , কিভাবে দেনা পাওনা মিটানো হবে এবং কারা আমদানি করবে এ সংক্রান্ত যাবতীয় নীতিমালাকে আমদানি নীতি বলে ।

👉 রপ্তানি নীতি কী ?

উত্তর : কোন দেশ কি পণ্য রপ্তানি করবে , রপ্তানি শুল্ক কি রকম হবে , কিভাবে রপ্তানি করা হবে , কোথায় রপ্তানি করা হবে এবং কারা রপ্তানি করবে এ সংক্রান্ত যাবতীয় নীতিমালাকে রপ্তানি নীতি বলা হয় ।

👉 অবাধ বাণিজ্য কী ?

উত্তর : আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে কোন রকম সরকারি বিধিনিষেধ না থাকলে তাকে অবাধ বাণিজ্য বলে ।

👉 সংরক্ষিত বাণিজ্য কী ?

উত্তর : আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে আমদানি ও রপ্তানির উপর শুল্ক , কোটা ইত্যাদি আরোপসহ সরকারি বিধিনিষেধ আরোপিত হলে তাকে সংরক্ষিত বাণিজ্য বলা হয় ।

৪৯. বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্যগুলো কী কী ? উত্তর : বাংলাদেশ থেকে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানিকৃত প্রধান প্রধান পণ্য হচ্ছে— তৈরি পোশাক , নীটওয়ার , হিমায়িত চিংড়ি , ক্যাপ ও হোম টেক্সটাইল ইত্যাদি । M ৫০ . বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বৃহৎ বাজার কোন দেশ ? উত্তর : বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে দ্বিতীয় বৃহৎ বাজার হচ্ছে জার্মানি । বাংলাদেশের পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অবস্থান কততম ? উত্তর : বাংলাদেশ থেকে পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে যুক্তরাজ্যের অবস্থান তৃতীয়তম । ৫১ . বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বৃহৎ বাজার কোন দেশ ? উত্তর : বাংলাদেশি পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে সার্কভুক্ত দেশগুলোর মধ্যে বৃহৎ বাজার হচ্ছে ভারত ( সার্কভুক্ত দেশসমূহে রপ্তানির প্রায় ৭৮ শতাংশই ভারতে রপ্তানি করা হয় ) । বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের কত শতাংশ সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে আসে ? উত্তর : বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৩ শতাংশ সার্কভুক্ত দেশসমূহ থেকে আসে ।

৭৩. বর্তমানে সম্ভাবনাময়ী জাহাজ শিল্পকে কত শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে ? উত্তর : বর্তমানে সম্ভাবনাময়ী জাহাজ শিল্পকে ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে । 98 , দেশের বর্তমান আমদানি নীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য লিখ । উত্তর : দেশের বর্তমান আমদানি নীতির দুটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য হলো : i . শিল্পের উপাদান অধিকতর সহজলভ্য করা এবং প্রতিযোগিতা ও দক্ষতা বৃদ্ধি এবং ii . আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারকল্পে অবাধ প্রযুক্তি আমদানির সুবিধা প্রদান । MFN এর পূর্ণ রূপ কী ? 9.8 . উত্তর : MFN এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Most Favoured Nation ৭৬. বাংলাদেশ সরকার কোন অর্থবছর থেকে MFN ট্যারিক হার অনুসরণ করছে ? উত্তর : বাংলাদেশ সরকার ২০০০-০১ অর্থবছর থেকে MEN ট্যারিক হার অনুসরণ করছে । ৭৭. বর্তমানে দেশে MFN ট্যারিক হারের উপর কয় প্রকার রেয়াতী শুল্ক হার কার্যকর আছে ? উত্তর : বর্তমানে দেশে MEN ট্যারিক হারের উপর ৩ প্রকার রেয়াতি শুল্ক হার কার্যকর আছে । ৭৮. বর্তমানে MFN শুল্ক হারের পাশাপাশি শুল্ক রেয়াত সুবিধা প্রাপ্ত ৪ টি পণ্যের নাম লিখ । উত্তর : বর্তমানে MFN শুল্ক হারের পাশাপাশি শুষ্ক রেয়াত সুবিধা প্রাপ্ত অনেকগুলো পণ্যের মধ্যে চারটি গুরুত্বপূর্ণ পণ্য হলো : i . রপ্তানিকারক শিল্পপ্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানীকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ ; ii . ঔষুধ শিল্প কর্তৃক আমদানীকৃত কাঁচামাল ; iii . টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল এবং iv . কৃষিখাতে ব্যবহৃত উপকরণ । ৭ . 11 দেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছরে আমদানি শুল্কের অবারিত গড় কত ছিল ? উত্তর : দেশে ১৯৯১-৯২ অর্থবছরে আমদানি শুল্কের অবারিত গড় ছিল ৫৭.২ ৮০. দেশে ২০১০-১১ অর্থবছরে আমদানি শুল্কের অবারিত গড় কত ছিল ? উত্তর : দেশে ২০১০-১১ অর্থবছরে আমদানি শুল্কের অবারিত গড় ছিল ১৪.৮৫ শতাংশ । ৮১. বর্তমানে দেশে কত শতাংশ ট্যারিফ লাইনের উপরে মূল্যভিত্তিক শুল্ক আরোপ করা হয় ? উত্তর : বর্তমানে দেশে ৯৯.৫০ শতাংশ ট্যারিফ লাইনের উপরে মূল্যভিত্তিক শুল্ক আরোপ করা হয় । WTO এর পূর্ণ রূপ কী ? ৮২ . উত্তর : WTO এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে– World Trade Organization ( যার অর্থ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ) । ৮৩ , বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার কেমন সদস্য ? উত্তর : বাংলাদেশ বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা সদস্য । ৮৪ . DAC- এর পূর্ণ রূপ কী ? উত্তর : DAC -এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Disproportionately Affected Countries . ৮৫ . EIF এর পূর্ণ রূপ কী ? উত্তর : EIF এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Enhanced Integrated Framework . ৮৬ . DTIS – এর পূর্ণ রূপ কী ? উত্তর : DTIS –এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে Diagnosfic Trade Integration Study . ৮৭. বাংলাদেশ এ পর্যন্ত করটি আঞ্চলিক বাণিজ্য এলাকা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ? উত্তর : বাংলাদেশ এ পর্যন্ত পাঁচটি আঞ্চলিক বাণিজ্য এলাকা চুক্তি স্বাক্ষর করেছে । PTA – এর পূর্ণ রূপ কী ? ৮৮ . উত্তর : PTA এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Preferential Tariff Advantage . FTA – এর পূর্ণ রূপ কী ? ৮৯ . উত্তর : FTA – এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Free Trade Area . ১০ . APTA ( আপটা ) – এর পূর্ণরূপ কী ? উত্তর : APTA ( আপটা ) -এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Asia Pacific Trade Agreement .

৯১ . TPS এর পূর্ণ রূপ কী ? উত্তর : TPS- এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- Trade Preferential System . TPS গঠনের উদ্দেশ্য কী ? ৯২ . উত্তর : TPS গঠনের উদ্দেশ্য হলো : OIC ভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য সম্প্রসারণ । PRETAS কী ? উত্তর : PRETAS হচ্ছে- Protocol on the Preferential Tariff Scheme for the TPS OIC . এ পর্যন্ত কতটি সদস্য দেশ ( OIC ভুক্ত ) PRETAS এ স্বাক্ষর করেছে ? উত্তর : এ পর্যন্ত ১১ টি সদস্য দেশ ( OIC ভুক্ত ) PRETAS এ স্বাক্ষর করেছে । ৪ . ৯৫ . ডি -৮ কী ? উত্তর : OIC ভুক্ত আটটি উন্নয়নশীল দেশের জোট হচ্ছে ডি -৮ । অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য চুক্তির অধীনে এ জোট গঠিত ১৬. ডি -৮ ভূক্ত আটটি দেশের নাম লিখ । উত্তর : ডি -৮ ভুক্ত আটটি দেশের নাম হলো : i . বাংলাদেশ , ii . মিসর , iii : ইন্দোনেশিয়া , iv . ইরান , v . মালয়েশিয়া , vi নাইজেরিয়া , vii . পাকিস্তান এবং viii . তুরস্ক । ৯৭. SAFTA -এর পূর্ণ রূপ কী ? i উত্তর : SAFTA – এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- South Asian Free Trade Area . ৯৮. প্রথম অবস্থায় সাফটা’র সদস্য সংখ্যা কত ছিল ? উত্তর : প্রথম অবস্থায় সাফটা’র সদস্য সংখ্যা ছিল সাতটি দেশ । এ সাতটি দেশ হলো : বাংলাদেশ , ভারত , পাকিস্তান , নেপাল , ভূটান , শ্রীলঙ্কা এবং মালদ্বীপ । ৯৯. বর্তমানে সাফটা’র সদস্য সংখ্যা কত ? উত্তর : বর্তমানে সাফটা’র সদস্য সংখ্যা আটটি । ২০০৮ সালে আফগানিস্তানকে সাফটা চুক্তিতে অন্তর্ভুক্ত করা হয় । 100. BIMSTEC এর পূর্ণ রূপ কী ? উত্তর : BIMSTEC এর পূর্ণ রূপ হচ্ছে- The Bay of Bengal Initiative for Multi – Sectoral Technical and Economic Cooperation . 101. BIMSTEC এর সদস্য সংখ্যা কত এবং কোন কোন দেশ এর সদস্য ? উত্তর : BIMSTEC এর সদস্য সংখ্যা ৭ টি এবং সদস্য দেশগুলো হলো : ভারত , শ্রীলঙ্কা , থাইল্যান্ড , বাংলাদেশ , মায়ানমার , ভূটান ও নেপাল । ১০২. কোন বিধিমালার আওতায় দেশে সেইফগার্ড শুল্ক বিধিমালা , ২০১০ প্রণীত হয়েছে ? উত্তর : শুল্ক আইন , ১৯৬৯ এর আওতায় দেশে সেইফগার্ড শুল্ক বিধিমালা ২০১০ প্রণীত হয়েছে । ১০৩. বাংলাদেশে সেইফগার্ড কর্তৃপক্ষ হিসেবে কে দায়িত্ব পালন করেন ? উত্তর : বাংলাদেশ ট্যারিফ কমিশনের চেয়ারম্যান বাংলাদেশের সেইফগার্ড কর্তৃপক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন । ১০৪. শুল্ক কী ? উত্তর : দেশের সীমান্ত অতিক্রম করে যেসব দ্রব্যের আদান – প্রদান বা চলাচল ঘটে তাদের উপর সরকারি আইন দ্বারা ধার্য করকে শুল্ক বলা হয় । ১০৫ রপ্তানি শুল্ক কী ? উত্তর : রপ্তানি দ্রব্যের উপর আরোপিত বা ধার্যকৃত কর বা শুল্ককে রপ্তানি শুল্ক বলে । ১০৬. আমদানি শুল্ক কী ? উত্তর : আমদানি দ্রব্যের উপর আরোপিত বা ধার্যকৃত শুল্ক বা করকে আমদানি শুল্ক বলা হয় । ১০৭. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ( WTO ) কী ? উত্তর : বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য পরিচালনার উদ্দেশ্যে যে সংগঠন আইন – কানুন প্রবর্তন , বাস্তবায়ন ও পরিচালনা করে থাকে তাকেই বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ( WTO ) বলে ।

১০৮. বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা কত সালে প্রতিষ্ঠা পায় ? উত্তর : বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থা ১৯৯৫ সালে প্রতিষ্ঠা পায় । ১০৯. বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার কী ? উত্তর : যে হারে বিভিন্ন দেশের মুদ্রার পরিবর্তন বা বিনিময় হয় তাকে বৈদেশিক মুদ্রা বিনিময় হার বলে ।

[ তথ্যসূত্র : বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমীক্ষা -২০১১ ]

The post বহিঃখাত External Sector appeared first on All Education Books.

[ad_2]



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!