ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের আমদানিনীতির গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যসমূহ কী কী ? বর্তমানে ট্যারিফ হ্রাসকরণে বর্তমান সরকারের গৃহীত কার্যক্রম কী কী ?

[ad_1]

✍️বর্তমান বাংলাদেশ সরকারের আমদানিনীতির গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যসমূহ কী কী ? বর্তমানে ট্যারিফ হ্রাসকরণে বর্তমান সরকারের গৃহীত কার্যক্রম কী কী ?

উত্তর : বর্তমান আমদানিনীতির গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্যসমূহ হলো :

১. WTO ও এর আওতায় বিশ্বায়ন ও মুক্ত বাজার অর্থনীতির ক্রমবিকাশের ধারায় যে পরিবর্তন সূচিত হয়েছে তার আলোকে আমদানিনীতিকে আরো সহজ করা ।

২. পণ্যের আমদানির উপর ক্রমান্বয়ে বিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে শিল্পের উপাদান অধিকতর সহজলভ্য করা এবং প্রতিযোগিতা দক্ষতা বৃদ্ধি ।

৩. আধুনিক প্রযুক্তির ব্যাপক প্রসারকল্পে অবাধ প্রযুক্তি আমদানির সুবিধা প্রদান ।

৪. রপ্তানি সহায়ক শিল্প প্রতিষ্ঠানসমূহকে সহজভিত্তিক আমদানি সুবিধা প্রদান করে দেশীয় রপ্তানিকে মজবুত করা ।

৫. গুণগত মান ও স্বাস্থ্যসম্মত পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা ।

৬. জনস্বার্থে নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্য সরবরাহ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে জরুরি ভিত্তিতে আপদকালীন পণ্য আমদানি সম্পূর্ণ । গড় কয়েক বছর যাবৎ সরকারের আমদানিনীতির সুষম বাস্তবায়নের সুযোগ সৃষ্টি নিমিত্তে বিশৃঙ্খলা ও বিক্ষিপ্ত ট্যারিফ ধাপ বহুল পরিমাণে হ্রাস পেয়েছে এবং বর্তমানে সমগ্র ট্যারিফ কাঠামো একটি সুসমন্বিত রূপ লাভ করেছে । শুল্ক আইনের সিডিউলে বর্ণিত এম . এফ . এন হারের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় গেজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পৃথকভাবে শুল্ক আইনের ২০ ধারা অনুসারে প্রয়োগকৃত এম . এফ . এন হারের উপর শুল্ক সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে । বর্তমানে এম . এফ . এন ট্যারিফ হারের উপর ৩ প্রকার রেয়াতি শুল্ক হার কার্যকর রয়েছে । যথা :

১. বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক / আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় আমদানি ।

২. রপ্তানিমুখী শিল্পসমূহ নিবন্ধনসমূহ শিল্পের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি ।

৩. নির্দিষ্ট কাজের জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান , যেমন- গবাদিপশু ও হাঁসমুরগি , ঔষধ , চামড়া ও যন্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কাঁচামাল আমদানি । বর্তমানে এম . এফ . এন শুল্ক হারের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পণ্যসমূহের ক্ষেত্রে শুল্ক রেয়াত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে ।

ক . রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানীকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ ।

খ . নিবন্ধিত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানীকৃত মূলধনী যন্ত্রপাতি ও যন্ত্রাংশ ।

গ . ঔষধ শিল্প কর্তৃক আমদানীকৃত কাঁচামাল ।

ঘ . টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল ।

ঙ . কৃষিখাতে ব্যহৃত উপকরণ ।

চ . কম্পিউটার এবং কম্পিউটারের আনুষ্ঠানিক যন্ত্রপাতি ।

ছ . চিকিৎসা যন্ত্রপাতি ও চিকিৎসা উপকরণ ।

জ . হাঁসমুরগি খামার কর্তৃক আমদানীকৃত যন্ত্রাংশ ও উপকরণ ।

ঝ . কৃষিকাজে ব্যবহার্য কীটনাশক প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ব্যবহৃত কাঁচামাল ।

✍️বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়নে বর্তমান সরকারের গৃহীত পদক্ষেপসমূহ বর্ণনা কর ।

উত্তরঃ ভূমিকা : রপ্তানি উন্নয়নে বর্তমান সরকার খুবই গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন । উক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন হলে আমাদের রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে । বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ : বাংলাদেশের রপ্তানি উন্নয়নে সরকারি পদক্ষেপসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো : বাংলাদেশের অর্থনীতিতে , বিশেষ করে রপ্তানিতে , বিশ্বব্যাপী চলমান আর্থিক সঙ্কটের প্রভাব পর্যালোচনা এবং সম্ভাব্য নেতিবাচক প্রভাব মোকাবিলার এবং সামগ্রিক ক্ষেত্রে রপ্তানি বৃদ্ধির জন্য সরকার ২০০৮-০৯ অর্থবছরে প্রথম প্রণোদনা প্যাকেজ ও ২০০৯-১০ অর্থবছরে দ্বিতীয় প্রণোদনা প্যাকেজ ঘোষণা করে । এসব প্যাকেজের আওতাধীন কোন কোন সুবিধার মেয়াদ ২০০৮-০৯ অর্থবছরে শেষ হয়েছে এবং কোন কোন সুবিধা এখনো বিদ্যমান । এর সহযোগিতা প্রদান করা হচ্ছে ।

রপ্তানি উন্নয়নের লক্ষ্যে গৃহীত উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপসমূহ নিম্নরূপ :

১. দেশের রপ্তানি বাণিজ্যে সহায়তা প্রদানের লক্ষ্যে রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল ( ইডিএফ ) এর আকার ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার থেকে ৪০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার – এ উন্নীত করা হয়েছে ।

২. নতুন পণ্য ( যে কোন বাজারে বিটিএমএ মিল উৎপাদিত প্রত্যক্ষ সুতা ) রপ্তানি ও নতুন বাজার ( আমেরিকা , কানাডা ও ইইউ ব্যতীত অন্য যে কোন বাজারে যে কোন পণ্য ) প্রতিষ্ঠার জন্য রপ্তানি আয়ের ( এফওবি ) উপর বর্ধিত ভর্তুকি হিসেবে প্রথম বছরে ৫ শতাংশ এবং দ্বিতীয় বছরে ৪ শতাংশ এবং তৃতীয় বছরে ২ শতাংশ হারে ৩ বছর পর্যন্ত বর্ধিত প্রণোদনা প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে । বিটিএমএ এর জন্য এ সুবিধাটি যে কোন বাজারে প্রত্যক্ষ সুতা রপ্তানি ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে ।

৩. বিভিন্ন ব্যাংকের প্রচলিত সার্ভিস চার্জ ও ফি এর ক্ষেত্রে বিদ্যমান বড় ধরনের পার্থক্য নিরসনকল্পে বাংলাদেশ ব্যাংক এ সকল চার্জ ও ফিস এর হার যৌক্তিকীকরণের জন্য ইতোমধ্যে এ সংক্রান্ত সার্কুলার জারি করেছে ।

৪. রপ্তানি উন্নয়ন তহবিল হতে একক ঋণগ্রহীতার ঋণের পরিমাণ ১.৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার নির্ধারণ করা হয়েছে । এক্ষেত্রে সুদের হার HBOR + 2.5 % এ নির্ধারণ করা হয়েছে ।

৫. জাহাজ নির্মাণ শিল্প একটি সম্ভাবনার রপ্তানি খাত । রপ্তানি পণ্য বহুমুখীকরণকে উৎসাহিত করার নিমিত্তে সম্ভাবনার এ শিল্পকে ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে ।

৬. Crust Healther শিল্পে ৫ শতাংশ হারে নগদ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে । সরকার কর্তৃক ক্ষুদ্র ও মাঝারি তৈরি পোশাক / বজ্রসামগ্রী ( এসএমই ) রপ্তানিকারকের কতিপয় শর্তাধীনে প্রদত্ত বিশেষ সুবিধার আওতায় অর্থবছরের জন্য বাছাইকৃত পণ্যের ক্ষেত্রে স্থানীয় মূল্য সংযোগ ( এফওবি মূল্যের ২৫ শতাংশ হারে ) এর ২ শতাংশ হারে ( ২০১০-২০১১ বিশেষ সুবিধা প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে ।

৭. পণ্য উৎপাদন প্রক্রিয়াজাতকরণের ক্ষেত্রে শুল্ক বন্ড / ডিউটি ড্র – ব্যাক সুবিধা গৃহীত হলে ভর্তুকি সুবিধা না প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হচ্ছে ।

৮. সরকারি ও বেসরকারি খাতের পাটকলসমূহে উৎপাদিত পাটজাত পণ্য রপ্তানির ক্ষেত্রে কতিপয় শর্ত সাপেক্ষে রপ্তানি বিল নেগোশিয়েশন / কানেকশনের পাশাপাশি টিটির মাধ্যমে প্রাপ্ত অগ্রিম মূল্যের বিপরীতে ভতুর্কি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে ।

৯. আইটি / সফটওয়্যার ফার্মের অনুকূলে কতিপয় ফিস পরিশোধের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের পূর্বানুমোদন ছাড়াই ১০,০০০ মার্কিন ডলার পর্যন্ত প্রত্যাবাসনের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়িত হলে বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্য সম্প্রসারিত হবে । সুতরাং সরকারের উক্ত পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়ন হওয়া একান্ত জরুরি ।

✍️ অবাধ বাণিজ্যের পক্ষে যুক্তি দাও ।

উত্তর ভূমিকা : অবাধ বাণিজ্য শর্ত সাপেক্ষে বাংলাদেশের জন্য প্রযোজ্য । তাছাড়া অবধি বাণিজ্য আমাদের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য প্রযোজ্য নয় ।

অবাধ বাণিজ্যের পক্ষে যুক্তি : কোন দেশের বৈদেশিক বাণিজ্যের উপর কোনপ্রকার সরকারি বিধিনিষেধ ও নিয়ন্ত্রণ আরোপ করা না হলে তাকে বলা হয় অবাধ বাণিজ্য । এ অবাধ বাণিজ্যের কারণে দেশে নানাপ্রকারের সুবিধা সৃষ্টি হতে পারে । নিম্নে অবাধ বাণিজ্যের পক্ষের যুক্তিগুলো তুলে ধরা হলো :

১. বৃহদায়ন উৎপাদন : অবাধ বাণিজ্য বা আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের কারণে পণ্যের বাজার সম্প্রসারিত হবে । এতে বৃহদায়তন উৎপাদন সম্ভব হয় । আর বৃহদায়তন উৎপাদন কার্যক্রম পরিচালিত হলে শিল্পের ভিতর ও বাইরে থেকে বেশকিছু সুবিধা ভোগ করা যায় ।

২. অর্থনৈতিক উন্নয়ন : অবাধ বাণিজ্যের মাধ্যমে শিল্পে ব্যবহৃত যন্ত্রপাতি , কাঁচামাল ইত্যাদি কম দামে সহজে সংগ্রহ করা যায় । এতে দেশের অভ্যন্তরে শিল্পজাত দ্রব্যের উৎপাদন ব্যয় হ্রাস পায় যা একটি দেশের জন্য অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করে ।

৩. সন্তার আমদানি : মুক্ত বাণিজ্য বিভিন্ন দেশের ভোক্তাদের সস্তায় আমদানি দ্রব্য ভোগের সুযোগ করে দিয়ে তাদের ভোগ উদ্বৃত্ত সৃষ্টি করতে পারে । মুক্ত বাণিজ্যের প্রবক্তারা মনে করেন দ্রব্য ও সেবার মূল্য হ্রাস শুধু চাহিদা বৃদ্ধি করে না , উৎপাদন বিশেষায়ন উপকরণের সুষ্ঠু ব্যবহার ও নিয়োগ বৃদ্ধি করে ।

৪. প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি : মুক্ত বা অবাধ বাণিজ্য দেশের ভিতরে কোন একচেটিয়া শক্তির দ্বারা ভোক্তাদের শোষণ থেকে মুক্তি দিয়ে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি করে । মুক্ত বাণিজ্যের অধীনে সবাই ইচ্ছামতো আমদানি রপ্তানির সুযোগ পায় বলে কোন একচেটিয়া শক্তি এককভাবে সুযোগ সুবিধা পেতে পারে না । এভাবে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি পায় ।

৫. সামাজিক উৎপাদন সর্বোচ্চ : অবাধ বাণিজ্য একটি সমাজের উৎপাদন সর্বোচ্চকরণে সহায়তা করে । মুক্ত বাণিজ্যের ফলে প্রতিটি দেশ শ্রম বিভাজনের ক্ষেত্রে পূর্ণ বিশেষায়ন করতে পারে । ফলে সীমিত সম্পদের সুষ্ঠু ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন সর্বোচ্চ স্তরে পৌঁছতে পারে ।

৬. বাণিজ্য অসমতা দূর : মুক্ত বাণিজ্যে বিভিন্ন দেশের ভোক্তাদের সস্তায় আমদানি দ্রব্য ভোগের মাধ্যমে বাণিজ্যের অসমতা দূর করতে পারে । আর যেসব পণ্য উৎপাদন করতে আপেক্ষিকভাবে সুবিধা কম সে সব পণ্য উৎপাদন না করে অন্য দেশ থেকে আমদানি করতে পারে ।

৭. মূল্য স্তরের সমতা : অবাধ বাণিজ্যের মাধ্যমে বিভিন্ন দেশের দ্রব্যমূল্যের মধ্যে সমতা অর্জিত হয় । উপাদানগুলোর মধ্যে অবাধ চলনশীলতার অভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের দ্রব্যসামগ্রীর মূল্যের মাধ্যমে বৈষম্য সৃষ্টি হয় তা অবাধ বাণিজ্যের দ্বারা সমতায় আসতে পারে । কেননা এক্ষেত্রে বিভিন্ন দেশের মধ্যে উপাদানগুলো অবাধে চলাচল করতে পারে ।

৮. অন্যান্য যুক্তি : উল্লিখিত যুক্তিগুলো ছাড়াও অবাধ বাণিজ্যের পক্ষে আরো কিছু যুক্তি রয়েছে । নিম্নে তা উল্লেখ করা হলো :

ক . মুক্ত বাণিজ্যের মাধ্যমে উন্নয়নশীল দেশ উন্নত দেশ থেকে সহজে উন্নত উৎপাদন কৌশল আমদানি করতে পারে ।

খ . মুক্ত বাণিজ্যের দ্বারা বাণিজ্যে লিপ্ত দেশের মধ্যে বন্ধুত্ব ও সহযোগিতা বৃদ্ধি পায় ।

গ . আন্তর্জাতিক শান্তি ও সহযোগিতা বাড়ে এবং বিশ্বশান্তি অর্জিত হয় ।

ঘ . মুক্ত বাণিজ্যের অধীনে এক দেশ থেকে অন্য দেশে মূলধনের প্রবাহ চলতে পারে ।

উপসংহার : উপরের কারণগুলোর জন্য অবাধ বাণিজ্য আমাদের দেশের জন্য সুবিধাজনক ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!