ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের ভূমিকা আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বাংলাদেশের মোট জাতীয় উৎপাদনের ভূমিকা আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : এক রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ রাষ্ট্রের জন্ম হয়েছে । পাকিস্তানি শোষণের হাত থেকে মুক্ত হয়ে স্বাধীন ও শোষণমুক্ত সমাজ গঠনের উদ্দেশ্যে এদেশের কৃষক – শ্রমিক তথা সমস্ত মেহনতি মানুষ স্বাধীনতা সংগ্রামে অংশগ্রহণ করেছিল । এদেশের মানুষের আশা – আকাঙ্ক্ষার প্রতি লক্ষ্য রেখে স্বাধীনতার পর সরকার দেশে সমাজতান্ত্রিক ধাঁচে সমাজ গঠনের কথা ঘোষণা করে । সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা আজ আমাদের জাতীয় লক্ষ্য ।

সুতরাং আমাদেরকে শুধু জাতীয় আয় বৃদ্ধি করলেই চলবে না , সম্পদের সুষ্ঠু ও সুষম বণ্টনের মাধ্যমে যাতে আমরা সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার স্থির লক্ষ্যে পৌঁছতে পারি তার নিশ্চয়তা বিধান করতে হবে । সাধারণত মোট জাতীয় উৎপাদনকেই অর্থনৈতিক উন্নয়নের সূচক বলে গণ্য করা যায় । অধিকাংশ অর্থনীতিবিদগণই মনে করেন যে , মোট জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেই দারিদ্র্য দূর হবে । এ কারণে ধনতান্ত্রিক দেশগুলোতে বণ্টনের দিকটিকে সম্পূর্ণ উপেক্ষা করে কেবলমাত্র উৎপাদন বৃদ্ধির উপরই গুরুত্বারোপ করা যায় । কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কেবল উৎপাদন বৃদ্ধির দ্বারা দেশব্যাপী দারিদ্র্যের বোঝা লাঘব করা যায় না ।

অধ্যাপক ডাডলে সীয়ার্সের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষা থেকে দেখা যায় যে , অনুন্নত দেশগুলোতে বিগত ১০ বছরে বার্ষিক ৫ শতাংশ হারে জাতীয় উৎপাদন বৃদ্ধি পেলেও দেশের দরিদ্র সমস্যার সমাধানে ব্যর্থ হয়েছে । আমাদের দেশও বিগত কয়েক বছরে জাতীয় আয় বৃদ্ধি পেলেও দেশের দরিদ্র জনসাধারণের মাথাপিছু আয় বাড়ে নি । আমাদের দেশের মোট জনসংখ্যার ৫০ শতাংশের অধিক এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে রয়েছে । অনুন্নত দেশের উপর্যুক্ত অভিজ্ঞতার উপর ভিত্তি করে সুইডিস অর্থনীতিবিদ সিরডাল এবং পাকিস্তানি অর্থনীতিবিদ মাহবুবুল হক এ সিদ্ধান্তে উপনীত হয়েছেন যে , অনুন্নত দেশে জাতীয় আয় বৃদ্ধি পেলেই দারিদ্র্য দূর হবে না । হকের মতে , জাতীয় আয় বৃদ্ধির সাথে সাথে এর সুষ্ঠু বণ্টনের উপরও গুরুত্বারোপ করতে হবে ।

অনুন্নত দেশ অধিক উৎপাদন ও উন্নত বণ্টন উভয়ই সমান প্রয়োজন । বাংলাদেশ সরকার দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ । সুতরাং সম্পদের সুষ্ঠু ও সুষম বণ্টনের মাধ্যমে দেশে সামাজিক ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করতে হলে আমাদের উন্নয়ন পরিকল্পনাগুলোর প্রণেতাদেরকে নিম্নলিখিত বিষয়গুলোর প্রতি লক্ষ্য রাখতে হবে ।

১. উন্নয়ন পরিকল্পনায় অধিক উৎপাদক ও উন্নততর বণ্টন উভয়ের প্রতিই সমান গুরুত্বারোপ করতে হবে ।

২. উৎপাদন পরিকল্পনার তুলনায় ভোগ পরিকল্পনাও কম গুরুত্বপূর্ণ নয় । বস্তুত আমাদের ভবিষ্যৎ উন্নয়ন কর্মসূচিসমূহে উন্নয়ন পরিকল্পনা ও ভোগ পরিকল্পনার মধ্যে সমন্বয়সাধন করতে হবে ।

৩. ভোগ পরিকল্পনা টাকার মাধ্যমে না করে দ্রব্যের মাধ্যমে করতে হবে ।

৪. উন্নয়ন পরিকল্পনার কর্মসংস্থান বৃদ্ধির উপর সর্বাধিক গুরুত্বারোপ করতে হবে ।

৫. যারা এখনো দারিদ্র্যসীমার নিচে আছে , তাদেরকে রাষ্ট্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে সাহায্যদান করে সর্বনিম্ন কাম্য পর্যায়ে উন্নীত করতে হবে ।

৬. অধিক পরিমাণ সমাজকল্যাণমূলক কার্যাদির দ্বারা দেশের পশ্চাৎপদ অঞ্চলগুলোর উন্নতি করতে হবে ।

উপসংহার : সামাজিক ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা করে আমাদের মোট জাতীয় আয় বৃদ্ধি করা সম্ভব ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!