ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কী বৈদেশিক ঋণ ছাড়াও চলতে পারে ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশ কী বৈদেশিক ঋণ ছাড়াও চলতে পারে ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশে বৈদেশিক ঋণের প্রয়োজনীয়তা বহুবিধ কারণে অনুভব করা হয় । যা নিয়ে সংক্ষেপে আলোচনা করা হলো :

১. সঞ্চয় বিনিয়োগ ব্যবধান : বাংলাদেশ সঞ্চয় বিনিয়োগ ব্যবধান পূরণের জন্য বৈদেশিক ঋণ ছাড়া চলা সম্ভব নয় । কারণ ২০০৭ সালে জাতীয় আয়ের শতকরা হারে বিনিয়োগ হার ২৪.৩ ভাগ এবং সঞ্চয় ছিল ২০.৫ ভাগ । যে কারণে সঞ্চয় বিনিয়োগের ব্যবধান সৃষ্টি হয় ৩.৮ ভাগ । এ ঘাটতি পূরণের জন্য বৈদেশিক সাহায্য একান্ত আবশ্যক ।

২. Trade Gap পুরণের জন্য : বাংলাদেশে আমদানি রপ্তানি ব্যবধান অনেক বড় । যেমন- ২০০৬-০৭ সালে রপ্তানি আয় ছিল প্রায় ৫৫০৯ বিলিয়ন টাকা এবং আমদানি ব্যয় ছিল ৬৯৫.৮ বিলিয়ন টাকা । এ বিরাট অঙ্কের ঘাটতি , পূরণের কোন বিকল্প নেই বলেই বৈদেশিক ঋণ ছাড়া আবশ্যক ।

৩. উন্নয়ন পরিকল্পনার ব্যয় ভার মিটানো : বাংলাদেশ প্রথম পঞ্চবার্ষিকী পরিকল্পনায় ৬০ ভাগ সম্পদ দেশীয় উৎস থেকে আহরণের ইচ্ছা থাকলেও সরকার মাত্র ২২ ভাগ সম্পদ সংগ্রহ করতে পেরেছে । ২০০৭ সালে এসেও মোট বাজেটের ২০ % এবং উন্নয়ন বাজেটের ৪০ % বৈদেশিক সাহায্য দ্বারা মিটানো হয় । যা খুব হতাশাব্যঞ্জক যে জন্য বৈদেশিক ঋণ ছাড়া বাংলাদেশের পক্ষে চলা কঠিন ।

৪. লেনদেন উদ্বৃত্ত প্রতিকূলতা দূরীকরণে : বাংলাদেশে লেনদেন উদ্বৃত্তে বিরাট অঙ্কের ঘাটতি বিদ্যমান । যেমন ২০০৬-০৭ সালে ঘাটতি ছিল ২,০৯৮ মিলিয়ন ডলার । রপ্তানি থেকে আয় আসে ৭,৯৭৭ মিলিয়ন ডলার । আমদানি ১০,০৭৫ মিলিয়ন ডলার এবং ঋণ পরিশোধ করা হয় ৮৫০ মিলিয়ন ডলার । এরূপ ঘাটতি পূরণের জন্য বৈদেশিক ঋণ ছাড়া আবশ্যক ।

উপসংহার : বাস্তবে বাংলাদেশকে এখনো বৈদেশিক ঋণ ছাড়া চলা সম্ভব নয় ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!