ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে শ্রমিক সংগঠনের বর্তমান অবস্থা আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে শ্রমিক সংগঠনের বর্তমান অবস্থা আলোচনা কর ।

উত্তর- ভূমিকা : বিশ্বের অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশে এখনো শক্তিশালী , আধুনিক ও সুসংগঠিত শ্রমিক সংগঠন গড়ে উঠে নি । এর কারণ বাংলাদেশ শিল্প ক্ষেত্রে তেমন অগ্রগতি অর্জন করতে পারে নি । তাছাড়া দেশের শ্রম শক্তির এক বৃহৎ অংশ সংগঠিত শ্রম বাজার ও নিয়ন্ত্রিত মজুরি ব্যবস্থার বাইরে থেকে যায় । অধিক সংখ্যক শ্রমিক সংগঠন থাকলেও তাদের সাংগঠনিক কাঠামো দুর্বল ।

শ্রমিক সংগঠনের বর্তমান অবস্থা : নিম্নে শ্রমিক সংগঠনের দুর্বলতার কারণগুলো বর্ণনা করা হলো :

১. দারিদ্র্য : শ্রমিকরা তাদের দরিদ্রতার কারণে নিয়মিত চাঁদা পরিশোধ করতে পারে না ফলে সংগঠন আর্থিক সমস্যার সম্মুখীন হয় ।

২. শিক্ষার অভাব : বাংলাদেশের অধিকাংশ শ্রমিক অশিক্ষিত ফলে তাদের মধ্যে সচেতনতার অভাব দেখা দেয় এবং তারা সক্রিয়ভাবে কাজে অংশগ্রহণ করে না ।

৩. নেতৃত্বের অভাব : বর্তমানে শ্রমিক সংগঠনগুলোতে ফটকাবাজ , রাজনৈতিক টাউট বা সন্ত্রাসী কর্তৃক নেতৃত্ব লুণ্ঠন হওয়ায় শ্রমিকদের স্বার্থরক্ষাকারী কোন সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয় না বা বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেয়া হয় না ।

৪. অস্থায়ী পেশা : বাংলাদেশের কোন শ্রমিক কোন পেশায় দীর্ঘদিন নিয়োজিত থাকে না । ফলে সংগঠনের কর্মকাণ্ডে সমস্যার সৃষ্টি হয় ।

৫. সাংগঠনিক ত্রুটি : বাংলাদেশের অধিকাংশ শ্রমিক সংগঠনের নেতৃত্বে প্রকৃত শ্রমিকের পরিবর্তে বহিরাগত অশ্রমিক নেতারা নিয়োজিত থাকে । ফলে শ্রমিকদের সমস্যা সমাধানে তারা তেমন ভূমিকা রাখতে পারে না ।

৬. দলীয় কোন্দল : বাংলাদেশের শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে নানারকম দলীয় মতভেদ থাকায় নিজেদের মধ্যে প্রায় সংঘর্ষে লিপ্ত হয় । যার ফলে শ্রমিক আন্দোলন সফল হয় না ।

৭. একাধিক ও আঞ্চলিক সংগঠন : বাংলাদেশে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে একাধিক ও আঞ্চলিক সংগঠন বিদ্যমান । ফলে তাদের প্রায় মতানৈক্য দেখা দেয় । এ কারণে সংগঠনগুলো তাদের দাবি আদায়ে ব্যর্থ হয় ।

৮. মালিকের অসহযোগিতা : শ্রমিকদের দুর্বলতা ও অনৈক্যের সুযোগ নিয়ে মালিক পক্ষ শ্রমিকদের ন্যায্য মজুরি ও অন্যান্য সুবিধাদি হতে বঞ্চিত করে ।

৯. রাজনৈতিক হয়রানি : বাংলাদেশের শ্রমিক সংগঠনগুলো কোন না কোন রাজনৈতিক দলের অঙ্গ সংগঠন । তাই যখন যে দল ক্ষমতায় থাকে তখন অন্য দলের সমর্থিত শ্রমিক নেতা কর্মীরা সরকারের রোষানলে পড়ে নানা রূপ কষ্ট ভোগ করে ।

১০. সরকারের মনোভাব: সরকারের মনোভাব শ্রমিক সংঘের কার্যক্রম বিশেষভাবে প্রভাবিত করে । ক্ষমতাসীন সরকার অনেক সময় বিশেষ শ্রমিক সংগঠনের প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে । ফলে অন্যান্য শ্রমিক সংগঠন সরকার কর্তৃক প্রদত্ত সুবিধা লাভে বঞ্চিত হয় ।

১১. একতার অভাব : এদেশের বিভিন্ন শ্রমিক সংগঠনের মধ্যে একতার অভাব লক্ষ্য করা যায় । তাই শ্রমিক আন্দোলন প্রায় ব্যর্থ হয় ।

১২. সততা : বাংলাদেশের শ্রমিক সংগঠনের নেতাদের মধ্যে সততার অভাব লক্ষ্য করা যায় । তারা অনেক সময় নিজেদের স্বার্থ নিয়েই অধিক ব্যস্ত থাকে । যে কারণে তীব্র শ্রমিক আন্দোলনও ব্যর্থ হয়ে যায় ।

১৩. শ্রম নীতি : বাংলাদেশে আজ পর্যন্ত শ্রমিকদের স্বার্থে তেমন কোন নীতি প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করা হয় নি । ফলে শ্রমিক সংগঠনগুলো দুর্বল হয়ে যাচ্ছে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশে শ্রমিক সংঘের সুষ্ঠু বিকাশ ঘটে নি । শ্রমিক সংঘগুলো নামে মাত্র তাদের অস্তিত্ব বজায় রাখলেও শ্রমিকদের বিভিন্নমুখী দাবিদাওয়ায় আদায়ের মাধ্যমে প্রকৃত কল্যাণসাধনে এদের সাফল্য খুবই সীমিত ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!