ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিনিয়োগের নির্ধারকসমূহ কী কী ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিনিয়োগের নির্ধারকসমূহ কী কী ?

উত্তর ভূমিকা : বাংলাদেশের বিনিয়োগ কতিপয় বিষয় দ্বারা নির্ধারিত হয় । উক্ত নির্ধারকগুলো বিনিয়োগ নির্ধারণে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে । K বাংলাদেশে বিনিয়োগের নির্ধারকসমূহ : নিম্নে বাংলাদেশের বিনিয়োগের নির্ধারকসমূহ আলোচনা করা হলো :

১. মূলধনের প্রাচুর্যতা : দেশে মূলধনের পরিমাণ পর্যাপ্ত হলে মূলধন সহজেই পাওয়া যায় । ফলে মূলধনের যোগান দাম কমে এবং উৎপাদন খরচও কমে । মুনাফার পরিমাণ বাড়ে । এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে উৎসাহিত হয় ।

২. উদ্যোক্তা শ্ৰেণী : উদ্যোক্তা দক্ষ হলে ব্যবস্থাপনা খরচ কম হয় । ফলে গড় উৎপাদন খরচ কমে এবং বিনিয়োগ বাড়ে ।

৩. প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ : পর্যাপ্ত প্রাকৃতিক ও খনিজ সম্পদ থাকলে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পাবে । অপরপক্ষে , যন্ত্রপাতি , কলকারখানা ও পর্যাপ্ত মূলধন থাকলেও যদি খনিজ সম্পদ তথা গ্যাস ও তেল কম থাকে তাহলে বিনিয়োগ কম হবে ।

৪. মানব সম্পদ : মানব সম্পদ যদি দক্ষ হয় তাহলে দেশের মূলধন ও প্রাকৃতিক সম্পদকে দক্ষতার সাথে উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে সাহায্য করে । ফলে বিনিয়োগ বাড়ে । মানব সম্পদ অদক্ষ হলে বিনিয়োগ কমে ।

৫. আয় স্তর : আয় স্তর বেশি হলে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বেশি হয় । ফলে বিক্রয়ের পরিমাণ বাড়ে এবং মুনাফা বৃদ্ধি পায় । বৃদ্ধিপ্রাপ্ত মুনাফার প্রত্যাশায় বিনিয়োগ বাড়বে । আয় স্তর কম হলে বিনিয়োগ কমবে ।

৬. ভোগ প্রবণতা : ভোগ প্রবণতা বেশি হলে ভোগ্যপণ্যের চাহিদা বাড়ে , ফলে বিক্রয়ের পরিমাণও বাড়ে । যার ফলে বুনাকা বাড়বে এবং বিনিয়োগও বাড়বে ।

৭. আর্থসামাজিক অবকাঠামো : আর্থসামাজিক অবকাঠামো তথা যোগাযোগ ব্যবস্থা , পরিবহন ব্যবস্থা , শিক্ষা , ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থাসহ গ্যাস ও বিদ্যুৎ সরবরাহ পর্যাপ্ত থাকলে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল হয় । ফলে ব্যবসায়ীদের মুনাফার প্রত্যাশা বাড়ে এবং বিনিয়োগও বাড়ে ।

৮. বৈদেশিক সম্পর্ক ও বহির্বাণিজ্য : বৈদেশিক সম্পর্ক ভালো থাকলে বহির্বাণিজ্য সম্প্রসারিত হয় । ফলে রপ্তানির ক্ষেত্র প্রসারিত হয় । ব্যবসায়িক মুনাফার প্রত্যাশা বাড়ে এবং বিনিয়োগও বাড়ে ।

৯ , রাজস্বনীতি : করনীতি এবং ব্যয়নীতি বিনিয়োগকে প্রভাবিত করে । ভর্তুকি বাড়লে এবং কর হার হ্রাস করলে ব্যবসায়ে মুনাফা বাড়ে ফলে বিনিয়োগ বাড়ে । পক্ষান্তরে ভর্তুকি কমালে এবং কর হার বাড়ালে মুনাফা কমে যায় ফলে বিনিয়োগ ও কমে ।

১০. আর্থিক ও ঋণনীতি : কোন দেশের আর্থিক ও ঋণনীতি বিনিয়োগকে দারুণভাবে প্রভাবিত করে । সম্প্রসারণমূলক ঋণনীতি এবং সহজ ঋণ পরিশোধ নীতি বিনিয়োগকে প্রভাবিত করে । পক্ষান্তরে , সংকোচনমূলক ঋণনীতি এবং কঠিন ঋণ পরিশোধ নীতি বিনিয়োগকে হ্রাস করে ।

১১ , উন্নত প্রযুক্তি : উন্নত প্রযুক্তি উৎপাদন ক্ষমতাকে বৃদ্ধি করে এবং উৎপাদন খরচ কমায় । ফলে মুনাফা বাড়ে এবং 2012 বিনিয়োগও বাড়ে ।

১২. আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা : দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তা দারুণভাবে বিনিয়োগকে প্রভাবিত করে । অন্যান্য উপাদান অনুকূলে থাকলেও যদি আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অনুকূলে না থাকে তাহলে বিনিয়োগকারীরা নিরূৎসাহিত হয় । পক্ষান্তরে , সমাজে জানমালের নিরাপত্তা থাকলে বিনিয়োগ বাড়বে ।

১৩. বিশ্বশান্তি : বর্তমানে বিশ্বকে একটি Global village বা একটি গ্রামের সাথে তুলনা করা হয় । বিশ্বময় শান্তি বিরাজ করলে ব্যবসায় বাণিজ্য ভালোভাবে চলে এবং মুনাফাও বাড়ে ফলে বিনিয়োগও বাড়ে । বিশ্বে অশান্তি থাকলে বিনিয়োগ কমে ।

উপসংহার : বিনিয়োগ নির্ধারণের ক্ষেত্রে উক্ত নির্ধারকের অন্য কোন বিকল্প নেই । সুতরাং বিনিয়োগ নির্ধারণের জন্য উক্ত নির্ধারকগুলো খুবই তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা পালন করে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!