ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায় আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায় আলোচনা কর ।

উত্তর। ভূমিকা : বাংলাদেশে বিনিয়োগের পরিমাণ খুবই কম । ২০১০-১১ অর্থবছরে সরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ৫.২৮ % এবং বেসরকারি বিনিয়োগ জিডিপির ১৯.৪৬ % । এত স্বল্প বিনিয়োগ দিয়ে কোন দেশের উন্নয়ন সম্ভব নয় । তাই বাংলাদেশের বিনিয়োগ বৃদ্ধির উপায়গুলো নিয়ে বর্ণনা করা হলো :

১. দারিদ্র্যের দুষ্টচক্র থেকে উদ্ধার : বাংলাদেশের অর্থনীতি দারিদ্র্যের দুষ্টচক্রে আবদ্ধ । তাই উক্ত চক্র থেকে বের হতে হবে । এজন্য উৎপাদন বাড়াতে হবে । উৎপাদন বাড়লে মাথাপিছু আয় বৃদ্ধি পাবে ফলে চাহিদা ও সঞ্চয় বাড়বে । সঞ্চয় বাড়লে বিনিয়োগও বাড়বে ।

২. মূলধনের পর্যাপ্ততা : দেশে মূলধন পর্যাপ্ত হলে সহজেই মূলধন পাওয়া যায় । মূলধনের সহজলভ্যতা এর যোগান দামকে কমাবে । ফলে উৎপাদন খরচও কমবে । মুনাফার পরিমাণও বাড়বে । এর ফলে বিনিয়োগকারীরা বিনিয়োগে উৎসাহিত হবে ।

৩. মানব সম্পদের উন্নয়ন : অর্থনৈতিক উন্নয়নে মানব সম্পদকে বর্তমানে গুরুত্বপূর্ণ উপাদান হিসেবে বিবেচনা করা হয় । শিক্ষা , স্বাস্থ্য ও নারী উন্নয়নসহ বিভিন্ন খাতে উন্নয়নের মাধ্যমে মানব সম্পদ উন্নয়ন করা সম্ভব । দক্ষ মানব সম্পদ দেশের মূলধন ও প্রাকৃতিক সম্পদকে দক্ষতার সাথে উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবহার করতে পারে । এতে বিনিয়োগও বাড়বে ।

৪. উদ্যোক্তা শ্ৰেণী : লাভ – লোকসানের ঝুঁকি ছাড়া ব্যবসায় বাণিজ্য সম্ভব নয় । উদ্যোক্তারাই এ ঝুঁকি গ্রহণ করে থাকে । উদ্যোক্তা দক্ষ হলে উৎপাদন ক্ষেত্রে ব্যবস্থাপনা ব্যয় কম হয় । ফলে উৎপাদনের গড় খরচও কম হয় । ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হয় ।

৫. সঞ্চয় বৃদ্ধি : জাতীয় আয়ে আমাদের সঞ্চয়ের অবদান খুবই কম । ২০০৯-১০ অর্থবছরে সরকারি খাতে সঞ্চয়ের পরিমাণ ছিল জিডিপির মাত্র ১.৩৫ % । অথচ একটি দেশকে উন্নতির পথে নিতে হলে সঞ্চয়ের হার ১৫ % থেকে ২০ % হতে হবে । সুতরাং সঞ্চয় বাড়াতে হবে । সঞ্চয় বাড়লে বিনিয়োগও বাড়বে ।

৬. আর্থসামাজিক অবকাঠামো : দেশের আর্থসামাজিক অবকাঠামো তথা যোগাযোগ ব্যবস্থা , পরিবহন ব্যবস্থা , শিক্ষা , স্বাস্থ্য , ব্যাংক বীমা ব্যবস্থাসহ গ্যাস ও বিদ্যুতের সরবরাহে উন্নতি ঘটিয়ে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে গতিশীল করতে হবে । ফলে ব্যবসায়ীর প্রত্যাশা বাড়বে এবং তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে ।

৭. মূলধন ও মুদ্রা বাজারের উন্নয়ন : বাংলাদেশের বিনিয়োগকে বাড়াতে হলে মূলধন ও মুদ্রা বাজারের উন্নয়ন ঘটাতে হবে । বিশেষ করে শেয়ার বাজারকে ঢেলে সাজাতে হবে যাতে করে শেয়ার হোল্ডাররা লাভবান হয় ও বিনিয়োগে আগ্রহী হয় । মুদ্রা বাজারের অসংগতি দূর করে একটি গৃহীত আর্থিক নীতি প্রণয়ন করতে হবে যার ফলে ব্যবসায়ীরা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে ।

৮. ভোগ প্রবণতা বৃদ্ধি : জনগণের ভোগ প্রবণতা বৃদ্ধি করতে হবে । ভোগ বাড়লে বিক্রয়ের পরিমাণও বাড়বে । ফলে বাজার সম্প্রসারিত হবে এবং উৎপাদনও বাড়বে । এর ফলে বিনিয়োগকারীরা উৎপাদনের জন্য বেশি বিনিয়োগ করবে ।

৯. ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থার উন্নয়ন : দেশের ব্যাংক ও বীমা ব্যবস্থা উন্নত হলে ব্যবসায় বাণিজ্যে মূলধনের পরিমাণ বাড়বে ও ঝুঁকি কমবে । ফলে বিনিয়োগকারীরা সহজেই বিনিয়োগে আগ্রহী হবে ।

১০. উন্নত প্রযুক্তি : উৎপাদন ক্ষেত্রে উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে । উন্নত প্রযুক্তি ব্যবহারের ফলে উৎপাদনের মাত্রা বাড়বে এবং উৎপাদন খরচ কমবে । ফলে অধিক মুনাফার লোভে বিনিয়োগকারীরা এগিয়ে আসবে ।

১১. রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা : দেশের রাজনৈতিক অবস্থা দেশের ব্যবসায় বাণিজ্যের গতিপ্রকৃতিকে বিশেষভাবে প্রভাবিত করে । বিগত বছরগুলোতে রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতার কারণে বৈদেশিক বিনিয়োগ খুব বেশি হয় নি । রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকলে বিনিয়োগ কার্যক্রম বাড়বে এবং বিদেশি প্রত্যক্ষ বিনিয়োগও বাড়বে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করলে আমাদের দেশে বিনিয়োগ বাড়বে ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!