ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের সমস্যাবলি আলোচনা কর ।

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের সমস্যাবলি আলোচনা কর ।

উত্তর ভূমিকা : অন্যান্য উন্নয়নশীল দেশের মতো বাংলাদেশেও জাতীয় আয় পরিমাপ করার ক্ষেত্রে কতগুলো অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় । বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপের প্রধান অসুবিধাগুলো নিম্নরূপ :

১. নির্ভরযোগ্য তথ্যের অভাব : বাংলাদেশে জাতীয় পরিমাপের জন্য প্রয়োজনীয় সঠিক ও নির্ভরযোগ্য তথ্যের একান্ত অভাব রয়েছে । পরিসংখ্যানের স্বল্পতা ও তাদের উপর নির্ভর করার অসুবিধা বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপ করার পথে অন্তরায় ।

২. জনসাধারণ : বাংলাদেশে জনসাধারণের মধ্যে নিরক্ষরের সংখ্যা বেশি হওয়ায় জাতীয় আয়ের সঠিক হিসাব পাওয়া যায় না । সরকার এসব তথ্যসংগ্রহ কালে জনসাধারণের নিকট থেকে খুব কমই সহযোগিতা লাভ করে ।

৩. পাল্বভোগ : বাংলাদেশে উৎপন্ন দ্রব্যের অধিকাংশই উৎপাদনকারী নিজেরাই ভোগ করে । এর ফলে ঐসব ন্যসামন্ত্রীর মূল্য অর্থের মাধ্যমে প্রকাশিত হয় না বলে হিসাব সংকলন আরো কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে ।

৪. পেশাগত বিশেষীকরণের অভাব : বাংলাদেশে পেশাগত বিশেষীকরণের একান্ত অভাব রয়েছে । আমাদের দেশে উৎপাদন ধারা প্রধানত পারিবারিক পর্যায়ে পরিচালিত হয় এবং একই পরিবার বিভিন্ন দ্রব্য উৎপাদন করে । ফলে সঠিক হিসাব রাখা সম্ভবপর হয় না ।

৫. অনুন্নত বাজার ব্যবস্থা : আমাদের দেশে বাজার ব্যবস্থা অত্যন্ত অনুন্নত । ফলে এদেশে ক্ষিপণ করা খুবই শঙ্ক । তদুপরি , বাংলাদেশে দাম স্তম স্থিতিশীল নয় । কাজেই বাজার দামের আর পরিমাপ করা হলে সঠিক চিত্র পাওয়া যায় না ।

৬. উৎপাদনের সঠিক হিসাদের অভাব : বাংলাদেশের জনগণ অধিকাংশ অশিক্ষিত হলে তারা উৎপাদনের কোন হিসাব রাখে না । এ কারণে আমাদের দেশে ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের উৎপাদনের প্রকৃত হিসাব পাওয়া খুবই দুরহ ব্যাপার ।

৭. সমাজ সচেনতার অভাব : দেশে এখনো অনেক্ষ আছে যারা সমাজ সচেতন নয় । ফলে অনেক স সেয়ার উদ্দেশ্যে তারা প্রকৃত জার গোপন রাখে ।

৮. সুসংগঠিত গদন ব্যবস্থার অভাব : বাংলাদেশের বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই কৃষিজ ও শিল্পজাত উৎপাদন বিক্ষিপ্তভাবে পরিচালিত হয় এবং সেগুলো সংঘবদ্ধ না হওয়ায় জাতীয় আয় নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে ।

৯. বিনিময় প্রথা : বাংলাদেশে গ্রামাঞ্চলে এখনো বিনিময় প্রথা প্রচলিত দেখা যায় । আমাদের গ্রামাঞ্চলে মহিলাদের অনেকেই এখনো ফেরিওয়ালাদের নিকট থেকে ধান ও চালের বিনিময়ে বিভিন্ন দ্রব্যসামগ্রী ক্রয় করে । এসব ক্ষেত্রে দ্রব্যসামগ্রীর মূল্য নিরূপণ করা কঠিন হয়ে পড়ে ।

১০. মূলধনের অবচয় পরিমাপ : উন্নত ও অনুন্নত সব দেশেই মূলধনের অবক্ষয় নির্ণয় কঠিন । তবে উন্নত দেশের বিভিন্ন উৎপাদক প্রতিষ্ঠান তাদের মোট আয়ের একটি অংশ মূলধন অবক্ষয়জনিত কর্তন হিসেবে সংরক্ষিত রাখে । তবে বাংলাদেশে এটির এখনো তেমন প্রচলন হয় নি । ফলে আমাদের দেশে মূলধনের অবক্ষয়ের সঠিক হিসাব নির্ণয় করা কার্যত অসম্ভব ।

উপসংহার : বাংলাদেশে জাতীয় আয় পরিমাপে উক্ত সমস্যা দূর করলে অর্থনৈতিক উন্নয়ন আরো ত্বরান্বিত হবে ।

[ad_2]



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!