ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাজস্বনীতিতে কী কী পরিবর্তন সুপারিশ করা যায় ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ বাংলাদেশের রাজস্বনীতিতে কী কী পরিবর্তন সুপারিশ করা যায় ?

উত্তর ৷ ভূমিকা : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ । অতএব অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রক্রিয়াকে ত্বরান্বিত করা এবং সুষম আয়বণ্টনের মাধ্যমে জনসাধারণের জীবনযাত্রার মানোন্নয়ন করা এদেশের রাজস্বনীতির প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত ।

বাংলাদেশের রাজস্বনীতিতে পরিবর্তনের সুপারিশ : এদেশের নিম্ন জীবনযাত্রার মানের কারণ , মন্দায় আক্রান্ত উন্নত দেশের মতো , চাহিদার ঘাটতি নয় । এদেশের অর্থনৈতিক সমস্যার সমাধান নিহিত আছে যোগানের দিকে । অতএব এদেশের রাজস্বনীতি এমনভাবে প্রণীত হওয়া আবশ্যক যেন তা সঞ্চয় , বিনিয়োগ , মানব সম্পদ উন্নয়ন ও সুষম আয়বণ্টনে সহায়ক হয় । অর্থাৎ বাংলাদেশের মতো একটি মুক্ত বাজার অর্থনীতিতে রাজস্বনীতির প্রধান উদ্দেশ্য হবে সরকারি খাতের মাধ্যমে দ্রুত উন্নয়নের পরিবেশ সৃষ্টি করা । এ উদ্দেশ্য পূরণের জন্য বাংলাদেশের রাজস্বনীতিতে নিম্নে বর্ণিত পরিবর্তনসমূহ সুপারিশ করা যায় ।

ক . সরকারের ব্যয় নীতি সম্পর্কিত সুপারিশ : সরকারের রাজস্বনীতির অধীনে ব্যয়নীতি একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার । বাংলাদেশে সরকারের ব্যয়নীতিতে নিম্নোক্ত পরিবর্তন সুপারিশ করা যায় ।

১. আর্থসামাজিক অবকাঠামো নির্মাণের উদ্দেশ্যে সরকারের উন্নয়ন বাজেটের মাধ্যমে ব্যয় বৃদ্ধি করা প্রয়োজন ।

২. প্রতিরক্ষা খাতের ব্যয় হ্রাসের জন্য যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা একান্ত আবশ্যক ।

৩. রুগ্ন রাষ্ট্রীয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে সরকারের ভর্তুকি প্রদান বন্ধ করার উদ্দেশ্যে বেসরকারীকরণ ত্বরান্বিত করা একান্ত আবশ্যক ।

খ . সরকারি ঋণ সম্পর্কিত সুপারিশ : উন্নয়নের জন্য সরকারি ঋণ , বিশেষত বৈদিশিক ঋণের প্রয়োজন আছে । কিন্তু উচ্চ সুদ ও প্রতিকূল শর্ত সম্বলিত ঋণ গ্রহণ করা উচিত নয় । অবশ্যই বৈদেশিক ঋণ এত বেশি গ্রহণ করা উচিত নয় যেন ডেট সার্ভিসিং দেশের অর্থনীতির জন্য বোঝা হয়ে যায় । বেসরকারি ঋণ বেশি পরিমাণে গ্রহণ করা সমীচীন নয় । কারণ সরকার উচ্চ হারে সুদ দিয়ে ঋণ গ্রহণ করলে বেসরকারি খাতে তহবিলের অভাব ঘটে । ফলে পুঁজি বাজারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখা দেয় । গ . সরকারের কর নীতিতে কাম্য পরিবর্তন : সরকারের রাজস্বনীতির অধীনে কর নীতি অতি গুরুত্বপূর্ণ । এই কর নীতি অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও সামাজিক ন্যায়বিচারের লক্ষ্যে প্রণীত হওয়া বাঞ্ছনীয় । অতএব বাংলাদেশ সরকারের কর নীতির মধ্যে নিম্নোক্ত পরিবর্তন সুপারিশ করা যায় ।

১. ভূমি রাজস্ব , মোটর যানবাহন কর , স্ট্যাম্প শুল্ক , রেজিস্ট্রেশন ইত্যাদি প্রত্যক্ষ করের মাধ্যমে রাজস্ব বৃদ্ধির কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রয়োজন ।

২. প্রত্যক্ষ কর , বিশেষত আয়করের ভিত্তি সম্প্রসারণ এবং কর ফাঁকির সুযোগ বন্ধ করে কর রাজস্ব বৃদ্ধি করার কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করা আবশ্যক ।

৩. সংরক্ষণমূলক সকল আমদানি শুল্ক ক্রমে হ্রাস করা আবশ্যক যেন উদারীকৃত বাজার পরিস্থিতিতে দেশের আপেক্ষিক সুবিধার ভিত্তিতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি পায় ।

৪. বিলাস দ্রব্যের উপর অধিক হারে মূসক আরোপ করা প্রয়োজন যেন কর কাঠামো প্রগতিশীল হয় ।

৫. কর ফাঁকি বন্ধ করার উদ্দেশ্যে কর অফিসে কম্পিউটারের সাহায্যে বিস্তারিত তথ্য সংরক্ষণ করা অত্যাবশ্যক । একই সাথে কর্মকর্তাদের দুর্নীতি দমনের কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন ।

৬. আয়করের করমুক্ত আয় সীমা নামিয়ে এনে প্রগতিশীল হারে করারোপ করা প্রয়োজন ।

উপসংহার : উপরের বর্ণনা অনুযায়ী বাংলাদেশ সরকারের রাজস্বনীতি ঢেলে সাজানোর লক্ষ্যে একটি ব্যাপক সংস্কার কর্মসূচি হাতে নেয়া দরকার । এজন্য সরকারের বলিষ্ঠ পদক্ষেপ প্রয়োজন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!