ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

প্রশ্নঃ ঋণ সেবাজনিত সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যেতে পারে ?

[ad_1]

প্রশ্নঃ ঋণ সেবাজনিত সমস্যার সমাধান কীভাবে করা যেতে পারে ?

উত্তর ভূমিকা : ঋণ সেবাজনিত সমস্যা বাংলাদেশে বর্তমান । উক্ত সমস্যা সমাধানের বিভিন্ন পথ অবলম্বন করা যেতে পারে ।

১. বাজেট উদ্বৃত্ত : সরকারের ব্যয় অপেক্ষা আয় অধিক হলে বাজেটে উদ্বৃত্ত থাকে । যদি বাজেটে এরূপ উদ্বৃত্ত থাকে তবে তার দ্বারা আংশিকভাবে সরকারি ঋণ ও ঋণের সুদ পরিশোধ করা যায় । বাংলাদেশে কর জি.ডি.পি অনুপাত এখনো কম । বিভিন্ন প্রকার করের আওতা ও করের হার বৃদ্ধি করে সরকারের কর রাজস্বের পরিমাণ বৃদ্ধি করা সম্ভব ।

২. নিমজ্জমান তহবিল : ঋণ পরিশোধের উদ্দেশ্যে সরকার প্রতি বছর কিছু টাকা একটি তহবিলে রাখে এবং বেশ কিছু টাকা এ তহবিলে জমা পড়লে তার দ্বারা ঋণ পরিশোধ করা হয় ।

৩. ঋণের রূপান্তর : অধিক সুদ বহনকারী ঋণকে কম সুদ বহনকারী ঋণে রূপান্তরিত করাকে ঋণের রূপান্তরকরণ বলে । বাজারে পূর্বের চেয়ে সুদের হার কমে গেলে সরকার কম সুদে ঋণ গ্রহণ করে পুরাতন অধিক সুদ বহনকারী ঋণ পরিশোধ করলে ঋণের ভার কিছুটা লাঘব হয় ।

৪. মূলধনের উপর কর : সকল প্রকার মূলধনের উপর বর্ধিত হারে কর আরোপ করে প্রচুর অর্থসংগ্রহ করা যায় এবং তার দ্বারা ঋণ পরিশোধ করা চলে । তবে মূলধন করের অসুবিধা এই যে এতে সঞ্চয় ব্যাহত হয় এবং বেসরকারি বিনিয়োগের পরিমাণ হ্রাস পায় ।

উপসংহার : উপযুক্ত ব্যবস্থা অবলম্বন করে আমরা ঋণ সেবাজনিত সমস্যার সমাধান করতে পারি ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে ঋণ সেবা কী ?

উত্তর-ভূমিকা : প্রকৃতপক্ষে ঋণ সেবা হলো বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করাকেই বুঝায় । বাংলাদেশের জন্য ঋণ সেবা একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় । X বাংলাদেশ সরকারের রাজেট ঘাটতির সিংহভাগ বৈদেশিক ঋণের দ্বারা মিটানো হয় । এসব বৈদেশিক ঋণের সুদ ও আসল পরিশোধ বাবদ সরকারকে প্রতি বছর বিপুল পরিমাণে বৈদেশিক মুদ্রা খরচ করতে হয় । ঋণ সেবা বলতে বৈদেশিক ঋণের আসল ও সুদ পরিশোধ করাকে বুঝায় ।

বাংলাদেশে ক্রমপুঞ্জিত বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে । ফলে ঋণ সেবাজনিত খরচের পরিমাণও বাড়ছে এবং রপ্তানির মাধ্যমে অর্জিত বৈদেশিক মুদ্রার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ এ খাতে খরচ করতে হচ্ছে । বিপুল পরিমাণ ঋণ সেবা বর্তমানে বাংলাদেশের জন্য বিরাট বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে ।

উপসংহার : উপর্যুক্ত সারণি থেকে ঋণ সেবার পরিমাণ বুঝা যায় যে , বিভিন্ন মেয়াদে তার হ্রাস বৃদ্ধি ঘটছে ।

প্রশ্নঃ বাংলাদেশে আর্থিকনীতির উদ্দেশ্যসমূহ কী কী ?

উত্তর- আর্থিক নীতির উদ্দেশ্যসমূহ নিম্নে আলোচনা করা হলো :

১. মূল্যস্তরের স্থিতিশীলতা বজায় রাখা ।

৩. অর্থের নিরপেক্ষতা বজায় রাখা ।

৫. বাণিজ্য চক্র নিয়ন্ত্রণ ।

২. বৈদেশিক বিনিময় হারের স্থিরতা বজায় রাখা ।

৪. বিনিয়োগ বৃদ্ধি ।

৬. নিয়োগ বৃদ্ধি তথা পূর্ণ নিয়োগ এবং

৭. অর্থনৈতিক উন্নয়ন ।

বাংলাদেশের আর্থিক নীতির উদ্দেশ্য কিরূপ হওয়া উচিত : বাংলাদেশ একটি উন্নয়নশীল দেশ । অভ্যন্তরীণ দ্রব্যমূল্য , অস্থিতিশীলতা , একটি যুগোপযোগী বৈদেশিক বিনিময় হার নীতিব অভাব বাংলাদেশের অন্যতম সমস্যা । অর্থনৈতিক উন্নয়নের জন্য আর্থিক স্থিতিশীলতা প্রয়োজন । তাই সে লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য বাংলাদেশের আর্থিক নীতির উদ্দেশ্যগুলো নিম্নরূপ হওয়া উচিত ।

ক . স্থিতিশীল মূল্যস্তর ও সঞ্চয় বৃদ্ধি ।

খ . অর্থের যোগান ও চাহিদার মধ্যে সামঞ্জস্য বিধান ।

গ . বৈদেশিক বিনিময় হারের স্থিতিশীলতা এবং

ঘ . নিয়োগ ও উন্নয়ন ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!