ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

প্রাণহীন এ দেশেতে গানহীন যেথা চারিধার অবজ্ঞার তাপে শুষ্ক নিরানন্দ সেই মরুভূমি রসে পূর্ণ করি দাও তুমি।” –কবি কোন প্রসঙ্গে কেন এমন বলেছেন?

উত্তর : আলোচ্য অংশটুকু বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘জন্মদিনে’ কাব্যগ্রন্থের অন্তর্গত ‘ঐকতান’ শীর্ষক কবিতা থেকে নেয়া হয়েছে। ভবিষ্যতের কবির কাছে পূর্ণতার মিনতি বিশ শতকের সাহিত্যে বস্তুনিষ্ঠ সাহিত্য সৃষ্টি যান্ত্রিকতার প্রভাব ফলে সাহিত্য হয়। জানিয়ে চরণ তিনটি রচিত হয়েছে। সাহিত্য নাগরিক সাহিত্যের প্রাণ। বিশুদ্ধ সাহিত্য রচনা করতে গিয়ে শ্রেণির রুচি ও জীবনবোধের পরিচায়ক। কিন্তু এদেশের সাহিত্য দারিদ্র্যক্লিষ্ট পড়ে। আধুনিক হয় মধ্যবিত্ত মানুষের জন্য না হয়ে মধ্যবিত্ত শ্রেণির প্রতিভূ হয়ে পড়েছে। এতে মাটি ও মানুষের মধ্যে দূরত্ব তৈরি হয়। নগর সভ্যতার ফলে পল্লীসাহিত্য, কবিগান ও ভাটিয়ালি বিলুপ্তির পথে। একদা এগুলো গ্রামবাংলার সাধারণ মানুষদের নিরানন্দ জীবনকে আনন্দ দান করতো। এসব পল্লী উপকরণ দিনদিন বিলীন হয়ে যাচ্ছে। এ কারণে গ্রামীণ সাধারণ জীবনের সাথে বর্তমান সাহিত্যধারার ফাঁক থেকে যাচ্ছে। রবীন্দ্রনাথ জীবন সায়াহ্নে এসে এ সত্যটুকু উপলব্ধি করতে পেরেছেন। তিনি নিজে সেটা পারেননি। তাই নবীন কবিদের দ্বারা সেই প্রত্যাশা পূরণে তিনি উন্মুখ। তাঁরা মাটি ও মানুষের কাছাকাছি থেকে সাহিত্য রচনা করবেন। ফলে লৌকিক সাহিত্য বৃহত্তর জনগোষ্ঠীর জীবনে আবারো আনন্দের ধারা বইয়ে দেবে। বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর সাহিত্যে লৌকিক সাহিত্যের ব্যঞ্জনা সৃষ্টি করতে পারেননি বলে ভবিষ্যতের কবিদের কাছে তা প্রত্যাশা করেছেন।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!