ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

পৌরসভার বিবর্তন ও বিকাশ উল্লেখ কর।

অথবা ,স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে পৌরসভার ক্রমবিকাশ তুলে ধর।
অথবা, পৌরসভার ক্রমবিবর্তন ও বিকাশ সম্পর্কে যা জান লিখ।
অথবা, পৌরসভার ক্রমবির্তন উল্লেখ কর।

অথবা, পৌরসভার ক্রমবিবর্তন ও বিকাশ বর্ণনা কর।
অথবা, পৌরসভার ক্রমবিকাশের বর্ণনা দাও।
ভূমিকা :
বাংলাদেশের স্থানীয় শাসনব্যবস্থা গ্রামভিত্তিক এবং শহর ভিত্তিক হয়ে থাকে। গ্রামভিত্তিক যেমন- ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ তেমনি শহর এলাকাভিত্তিক স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা মূলত পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনের উপর ভিত্তি করেই গড়ে ওঠে। পৌরসভার বিবর্তন ও বিকাশ : শহর এলাকার স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান হিসেবে পৌরসভার ইতিহাসও অনেক পুরাতন। স্থানীয় স্বায়ত্তশাসিত সংস্থা হিসেবে পৌরসভার ক্রমবিবর্তন ও বিকাশ নিয়ে তুলে ধরা হলো :
১. ব্রিটিশ আমল : ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি এদেশে পৌরসভা গঠনের জন্য প্রথম উদ্যোগ গ্রহণ করে। ১৮৬৪ সালে পৌরসভার আইন পাস হওয়ার পরই ঢাকা, চট্টগ্রাম, কুমিল্লাসহ বড় কয়েকটি শহরে পৌরসভা গঠিত হয়। ১৮৮৪ সালে এবং ১৯৩২ সালে “পৌরসভা আইন” প্রণয়ন করা হয়। এসব আইনে পৌরসভার হাতে অনেক ক্ষমতা দেয়া হয় কিন্তু পৌরসভার সদস্যরা সবাই নির্বাচিত ছিলেন না।

২. পাকিস্তান আমল : ১৯৫৭ সালে পাকিস্তান আমলে পৌসভার আইন সংস্কার করা হয় এবং পৌরসভার সকল সদস্যদের জনগণের প্রত্যক্ষ ভোটে নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হয়। ১৯৫৯ সালে পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ফিল্ড মার্শাল আইয়ুব খান মৌলিক গণতন্ত্র চালু করেন। এই ব্যবস্থায় দু ধরনের পৌর প্রশাসনের কথা বলা হয়। ১৫,০০০ এর কম লোকসংখ্যা নিয়ে গঠিত হতো টাউন কমিটি এবং ১৫ হাজারের বেশি লোকসংখ্যা নিয়ে গঠিত হতো ‘মিউনিসিপ্যাল কমিটি’ 1
৩. বাংলাদেশ আমল : ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা লাভের পর ১৯৭২ সালের অস্থায়ী সংবিধান অনুযায়ী ১৯৭৩ সালে পৌসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। এতে কোন পরিবর্তন সাধন করা হয়নি। ১৯৭৭ সালে ‘পৌরসভা অর্ডিন্যান্স জারি করে বাংলাদেশের সামরিক সরকার পৌরসভা সংগঠনের মাধ্যমে পৌর সংক্রান্ত কার্যতৎপরতা বৃদ্ধির প্রয়াস পান। এ অর্ডিন্যাস অনুযায়ী ১৯৭৭ সালের আগস্ট মাসে দেশের ৭৯টি পৌরসভার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। পৌরসভায় একজন মেয়র, প্রয়োজনীয় সংখ্যক কাউন্সিলর ও তিনজন মহিলা কাউন্সিলর রয়েছে। বর্তমানে ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ, চট্টগ্রাম, রাজশাহীসহ মোট ১১টি মহানগরে ১১টি সিটি কর্পোরেশন বিদ্যমান। কর্পোরেশনের প্রধানকে মেয়র পদমর্যাদায় ভূষিত করা হয় এবং প্রতিমন্ত্রী ও উপমন্ত্রীর পদমর্যাদা ভোগ করে থাকেন। বর্তমানে ঢাকা সিটির দুই মেয়রকে মন্ত্রীর পদমর্যাদা দেয়া হয়েছে।
উপসংহার: পরিশেষে বলা যায় যে, শহর ও মহানগরের পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশন দীর্ঘ পরিক্রমা অতিক্রম করেছে। বর্তমানে এসব হচ্ছে স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!