ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

নগরসভা কী ?

অথবা , নগরসভা বলতে কী বুঝ ? অথবা , নগরসভা কাকে বলে ? অথবা , নগরসভা সম্পর্কে আলোচনা কর ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : প্রাচীন গ্রিসের রাজনৈতিক ব্যবস্থা ছিল নগরকেন্দ্রিক । এক একটি নগর নিয়ে এক একটি রাষ্ট্র গঠিত হতো । নগররাষ্ট্রের সমাজব্যবস্থায় নগরসভা একটা গুরুত্বপূর্ণ উপাদান । এথেন্সের নাগরিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নগরসভা অন্যতম ।

নগরসভা : এথেন্সের রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে নগরসভা বা এক্লেসিয়া সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য ও সর্বোচ্চ রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠান । নগররাষ্ট্রের সমুদয় পুরুষ নাগরিকদের সমন্বয়ে এ নগরসভা গঠিত । এ সভা একপ্রকার শহরসভা যাতে ২০ বছর বয়স্ক প্রতিটি পুরুষ নাগরিক অংশগ্রহণ করতে পারতো । কোন মহিলা এর সভ্য হতে পারতো না । সচরাচর এতে উপস্থিতির সংখ্যা ছিল মাত্র কয়েক হাজার এবং ছয় হাজার সভ্য মিলিতভাবে কোরাম গঠন করতে পারতো । নিয়মিতভাবে বছরে দশ বার এর অধিবেশন বসতো এবং কাউন্সিলের আহ্বানে একটি জরুরি অধিবেশনও বসতে পারতো এ সভার ডিক্রি আইনে পরিণত হতো । আইন প্রণয়নের ক্ষেত্রে এটাই ছিল সর্বেসর্বা । এদিক দিয়ে আধুনিক আইনসভার সাথে সাদৃশ্য পরিলক্ষিত হয় ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় , নগরসভার কার্যকালের মেয়াদ ছিল নিতান্ত স্বল্প । এতে পুনর্নির্বাচনের ব্যবস্থাও ছিল । এর মাধ্যমে মোটামুটিভাবে সকলেই রাষ্ট্রীয় কার্যে অংশগ্রহণের সুযোগ লাভ করতো ।

প্রশ্ন : এথেন্স ও স্পার্টার সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে আলোচনা কর অথবা , এথেল ও স্পার্টার সমাজব্যবস্থা বর্ণনা কর । অথবা , এথেন্স ও স্পার্টার সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে ধারণা দাও ।

উত্তর ৷ ভূমিকা : প্রাচীন গ্রিসের সমাজব্যবস্থায় এথেন্স ও স্পার্টা বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ । এ নগররাষ্ট্রগুলোর সমাজব্যবস্থা , শাসনব্যবস্থা ও রাজনৈতিক প্রতিষ্ঠানসমূহ গ্রিক সমাজ , সভ্যতা এবং শাসন পদ্ধতি ইতিহাস সম্পর্কে জানতে সাহায্য করে । মূলত এ দুটি নগররাষ্ট্র ছিল প্রাচীন গ্রিক নগররাষ্ট্রসমূহের মধ্যে সবচেয়ে উন্নত , সুন্দর ও প্রতিনিধিত্ব মূলক । এথেন্স ও স্পার্টার সমাজব্যবস্থা : এথেন্স ও স্পার্টার সমাজব্যবস্থা সম্পর্কে নিম্নে আলোচনা করা হলো :

এথেন্সের সমাজব্যবস্থা : এথেন্সের সমাজব্যবস্থায় সমগ্র জনগোষ্ঠী তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল । এ শ্রেণীগুলো হলো :

১. নাগরিক ( Citizen ) , ২. বিদেশি ( Foreigner ও ৩. দাস ( Slave ) নিম্নে এ সম্পর্কে আলোচনা করা হলো :

১. নাগরিক : এথেন্সের জনসমাজের সর্বোচ্চ স্তরে ছিল নাগরিকরণ । নগরের সদস্য হওয়ায় নগরের রাজনীতিতে তারা সক্রিয়ভাবে অশংগ্রহণ করতে পারত । কারণ তাদের পিতামাতা যে নগরের নাগরিক সন্তানগণও সে নগরের নাগরিক বলে গণ্য হতো নাগরিকতার অর্থই হলো নগরের সদস্যপদ লাভ । নগরের সদস্যপদ লাডের ন্যূনতম কাজ হলো নগরসভায় উপস্থিত থাকা । এরা রাজনৈতিক , সামাজিক ও অর্থনৈতিক সকল অধিকার ভোগ করতো ।

২. বিদেশিগণ : প্রাচীন গ্রিসের সমাজব্যবস্থায় দ্বিতীয় স্তরে রয়েছে বিদেশিগণ । এরা দাসদের উপরের স্তরে ছিল । এথেন্সের মতো বাণিজ্য প্রধান নগরে তাদের সংখ্যা ছিল অত্যন্ত বেশি । এরা কেবল অর্থনৈতিক অধিকার ভোগ করতো ।

৩. দাস : সমাজের সর্বনিম্ন স্তরে ছিল দাসগণ । এ দাসদের সংখ্যা ছিল গ্রিসে সর্বজনীন প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছিল । দাসগণ সমাজের কোনপ্রকার সামাজিক , রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক এক – তৃতীয়াংশ । দাসপ্রথা প্রাচীন অধিকার ভোগ করতে পারতো না ।

স্পার্টার সমাজব্যবস্থা : স্পার্টার সমাজব্যবস্থায় জনগোষ্ঠী মোট তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত । এ শ্রেণীগুলো হলো : ১. ডোরিয়ান ( Dorian ) , ২. পেরিঅয়কয় ( Perioikoi ) ও ৩. হেলস ( Helots ) ।
১. ডোরিয়ান : ভোরিয়ান বংশোদ্ভূত লোকেরা ছিলেন স্পার্টার সর্বোত্তম শ্রেণীর লোক । তারা সম্পত্তি রাখতে পারলেও কোন ব্যবসায় বাণিজ্যে লিপ্ত হতে পারতেন না । প্রকৃতপক্ষে তারাই ছিল স্পার্টার যথার্থ নাগরিক । শৈশবের থেকে তাদের শিক্ষাজীবন শুরু হতো এবং পরিণত বয়স পর্যন্ত চলতো । এরাই স্পার্টার রাজনীতি নিয়ন্ত্রণ করতো । ২. পেরিঅয়কম : এরা ছিল সমাজের দ্বিতীয় বা মধ্যবিত্ত শ্রেণী । এরা মূলত শিশ্ম ও ব্যবসায় – বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করতো । এদের সামাজিক ও অর্থনৈতিক অধিকার ছিল তবে কোনরূপ রাজনৈতিক অধিকার ছিল না ।

৩. হেলটস্ ( Helots ) : স্পার্টার সর্বনিম্ন শ্রেণীর লোকদেরকে হেলটস বলা হতো । তারা ছিল মূলত দাস শ্রেণীভুক্ত । কায়িক পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রভু শ্রেণীর সেবা করাই ছিল তাদের জীবনের মূল উদ্দেশ্য । রাজনৈতিক জীবনে তাদের কোন অধিকার ছিল না এমনকি সামাজিক জীবনেও তারা ছিল পশ্চাৎপদ ।

উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে , প্রাচীন গ্রিসের এথেন্স ও স্পার্টাতে জনগণ তিনটি শ্রেণীতে বিভক্ত ছিল । এদের মধ্যে মর্যাদা ও অধিকারের ক্ষেত্রে পার্থক্য ছিল । আজকের ন্যায় সর্বজনীন অধিকার সে যুগে ছিল না ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!