ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079

Earn bitcoin
Get 100$ bitcoin

জরিপ পদ্ধতির সুবিধাগুলো তুলে ধর।

অথবা, জরিপ পদ্ধতির সুবিধাসমূহ ব্যাখ্যা কর।
অথবা, জরিপ পদ্ধতির সুবিধাগুলো উল্লেখ কর।
অথবা, জরিপ পদ্ধতির সুবিধাগুলো বর্ণনা কর।
অথবা, জরিপ পদ্ধতির সুবিধাসমূহ কী কী?
অথবা, জরিপ পদ্ধতির সবল দিক গুলো উল্লেখ কর।
উত্তরায় ভূমিকা :
জরিপ পদ্ধতি কোন সমস্যার বর্ণনা এবং কিভাবে এ সমস্যাকে সমীক্ষা করা যেতে পারে তার উপায় বা পছা নির্ধারণ করে। এ পদ্ধতির বেশকিছু সুবিধা রয়েছে। যে কারণে উন্নত এবং অনুন্নত উভয় দেশেই এটি বেশ জনপ্রিয় পদ্ধতি ।
জরিপ পদ্ধতির সুবিধা : নিম্নে এ পদ্ধতির সুবিধাসমূহ বিধৃত করা হলো :
১. সমস্যা নিরূপণ : জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে যে গবেষণা পরিচালনা করা হয় তাতে করে সহজেই কোন সমাজের বিদ্যমান সমস্যাকে চিহ্নিত করা যায়। যেমন- বাংলাদেশে ‘যৌতুক প্রথা’ একটি মারাত্মক সামাজিক সমস্যা। জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে এর ভয়াবহতা, এর ধরন, কারা এর শিকার হচ্ছে, যৌতুকের কারণে নারীনির্যাতন বেড়ে যাচ্ছে ইত্যাদি
সম্পর্কে অবহিত হওয়া যায়।
২. নমনীয়তা : তথ্যসংগ্রহের ক্ষেত্রে জরিপ একটি নমনীয় পদ্ধতি। কেননা এর বিভিন্ন কৌশল রয়েছে; যেমন- পর্যবেক্ষণ, প্রশ্নমালা, সাক্ষাৎকার ইত্যাদি। গবেষণার উদ্দেশ্য অনুযায়ী যে কোন এক বা একাধিক কৌশল প্রয়োগ করে সঠিক তথ্য সংগ্রহ করা সম্ভবপর হয়।
৩. কম খরচ : সামাজিক গবেষণার কাজে জরিপ পদ্ধতি অবলম্বন করলে খুব কম খরচে এবং স্বল্প সময় ও পরিশ্রমে অধিক তথ্যসংগ্রহ করা সম্ভব হয়। বিশেষ করে ডাকযোগে প্রেরিত প্রশ্নমালার ক্ষেত্রে ব্যয় খুবই কম হয়।
৪. নির্ভুল সাধারণীকরণ : সমগ্রক জরিপে বিরাট সংখ্যক জনসংখ্যা থেকে তথ্যসংগ্রহ করা হয়। আবার সমগ্রকের প্রতিনিধিত্বশীল অংশ তথা নমুনা জরিপের মাধ্যমে তথ্যসংগ্রহ করা হয়। ফলে এ থেকে যে সিদ্ধান্ত গৃহীত হয় বা সাধারণীকরণ করা হয় তা অত্যন্ত নির্ভুল হয়।
৫. পরিকল্পনা প্রণয়ন : কোন দেশের আর্থসামাজিক ও রাজনৈতিক কর্মসূচি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে গৃহীত পরিকল্পনা প্রণয়নে জরিপ পদ্ধতি অত্যন্ত কার্যকরী। অর্থাৎ জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে সঠিক ও কল্যাণকর পরিকল্পনা প্রণয়ন সহজতর হয়।
৬. পূর্বানুমান গঠন : পূর্বানুমান গঠনের ক্ষেত্রে জরিপ পদ্ধতি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। গবেষণার পূর্বে গবেষণার ফলাফল সম্পর্কে যে পূর্বানুমান গঠন করা হয়, জরিপ পদ্ধতির মাধ্যমে সংগৃহীত উপাত্তের ভিত্তিতে তা যাচাই করা হয়। অর্থাৎ পূর্বানুমান গঠন ও যাচাইয়ে জরিপ পদ্ধতির গুরুত্ব অপরিসীম।
উপসংহার : পরিশেষে বলা যায় যে, সর্বাধিক জনপ্রিয় ও প্রচলিত তথ্যসংগ্রহ পদ্ধতি হিসেবে স্বীকৃত । বর্তমানে এমন কোন দেশ নেই যেখানে সামাজিক জরিপ পরিচালিত হচ্ছে না। সামাজিক সমস্যার বিভিন্ন দিক, অবস্থা, প্রভাব ও তার প্রতিকার নির্মাণের প্রথম পদক্ষেপ হলো সামাজিক জরিপ।

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:+8801979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!