ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

ক্ষেন্তির পরিচয় দাও।

উত্তর : বিভূতিভূষণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘পুই মাচা’ গল্পে ক্ষেন্তি দরিদ্র ব্রাহ্মণ সহায়হরি চাটুয্যের প্রথমা কন্যা। চার বোনের মধ্যে ক্ষেন্তি সকলের বড়। তার বয়স চৌদ্দ-পনেরো বছরের মতো। তৎকালীন হিন্দু সমাজের প্রচলিত প্রথা অনুসারে ক্ষেন্তির বিয়ের বয়স পার হতে চলেছে। সে অরক্ষণীয়া। তাকে বিয়ে দিতে না পারলে তার পিতামাতাকে একঘরে হতে হবে। অথচ ক্ষেন্তির শিশুসুলভ আচরণ এখনো বর্তমান। বোনদের সাথে নিয়ে পাড়ায় পাড়ায় ঘুরে বেড়ানো তার অভ্যাস। ক্ষেন্তি খেতে খুব ভালোবাসত এবং বরাবরই বেশি পরিমাণে খেত। খাওয়ার ব্যাপারে তার কোন লাজ-লজ্জার বালাই ছিল না। ক্ষেন্তি ছিল লক্ষ্মীমন্ত মেয়ে। অন্যায় পেয়ে মা তাকে বকাবকি করলে সে টু শব্দটিও করতো না। জন্মই ছিল ক্ষেন্তির যেন আজন্ম পাপ। সে ছিল এক হতভাগিনী ব্রাহ্মণকন্যা। প্রথম যখন তার বিয়ে ঠিক হয়েছিল তখন আশীর্বাদ হয়ে যাওয়া সত্ত্বেও সে বিয়ে ভেঙে গিয়েছিল। একারণে পাড়ার মানুষ তাকে উন্মুক্ত করা মেয়ে বলে অভিহিত করতো। অনন্যোপায় হয়ে সহায়হরি চল্লিশোর্ধ্ব পাত্রের সাথে ক্ষেন্তির বিয়ে দিয়েছিলেন। পণের টাকা বাকি থাকার কারণে ক্ষেন্তিকে আর বাপের বাড়িতে আসতে দেওয়া হয়নি। অবশেষে বছর ঘুরতে না ভুরতেই বসন্ত রোগে আক্রান্ত হয়ে হতভাগিনী ক্ষেন্তি বিনা চিকিৎসায় মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ল। অনেক আশা করে বাড়িতে মাচা বেঁধে ক্ষেন্তি যে পুঁইচারা লাগিয়েছিল তা আর সে খেয়ে যেতে পারেনি। তার মৃত্যুর পর পুঁইমাচাটা ভরে উঠেছিল।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!