ডিগ্রী ৩য় বর্ষ ২০২২ ইংরেজি রকেট স্পেশাল সাজেশন ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯
ডিগ্রী তৃতীয় বর্ষ এবং অনার্স প্রথম বর্ষ এর রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে যোগাযোগ করুন সাজেশন মূল্য প্রতি বিষয় ২৫০টাকা। Whatsapp +8801979786079
Earn bitcoinGet 100$ bitcoin

ও.আই.সি মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে কতটুকু সফল হচ্ছে বলে তুমি মনে কর ?

[ad_1]

✍️ ও.আই.সি মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে কতটুকু সফল হচ্ছে বলে তুমি মনে কর ?

উত্তর। ভূমিকা : বিশ্বের মুসলিম সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক মুক্তির জন্য ও.আই.সি গঠিত হলেও বিগত ৪০ বছরে ও.আই.সির কার্যক্রমে এর সার্বিক প্রতিফল পাওয়া যায় ।

সফলতা : ও.আই.সি যেসব ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করেছে তা হলো :

১. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে অর্থনৈতিক , প্রযুক্তিগত , বাণিজ্যিক এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ।

২. সদস্য দেশগুলোর মধ্যে রাজনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি ।

৩. মুসলিম বিশ্বের একক স্বার্থ নির্ধারণ ও

৪. মুসলিম বিশ্বে মানবিক ও ধর্মীয় সহযোগিতা । যেসব ক্ষেত্রে সফলতা লাভ করে নি তা হলো :

১. মুসলিম বিশ্বে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ।

২. মুসলিম দেশগুলোর মধ্যে বিভেদ দূরীকরণ ।

৩. ফিলিস্তিন ও ইরাকের জনগণের মুক্তি ও

৪. পাশ্চাত্য শক্তির বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়া ইত্যাদি ।

উপসংহার : মুসলিম বিশ্বের স্বার্থ সংরক্ষণে OIC পুরাপুরি সফল না হলেও একেবারে ব্যর্থ হয়েছে বলা যায় না ।

✍️ WTO চুক্তি কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশ কী কী বাধার সম্মুখীন ?

উত্তর : WTO চুক্তি কার্যকরের ফলে বাংলাদেশ নিম্নোক্ত সমস্যার সম্মুখীন :

১. তৈরি পোশাক শিল্প কোটামুক্ত বিশ্বে প্রতিযোগিতার সম্মুখীন ।

২. অবাধ বাজারের ফলে সস্তায় সব পণ্য আমদানির ফলে দেশের শিল্প কারখানা হুমকির সম্মুখীন ।

৩. প্যাটেন্ট আইনের প্রয়োগে অনেক পণ্য উৎপাদন বন্ধ ।

৪. আমদানি শুল্কের উচ্চ হার বাধ্যবাধকতায় শুল্ক আয় হ্রাস ।

৫. আমদানি বৃদ্ধির কারণে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের পরিমাণ যথেষ্ট কম ।

✍️ ২০০৫ সালে WTO চুক্তিটি কার্যকর হওয়ায় বাংলাদেশের শিল্প কী হুমকির সম্মুখীন ?

উত্তর : ১ জানুয়ারি , ২০০৫ থেকে WTO চুক্তি কার্যকর হয়েছে এবং বাজার উন্মুক্ত হওয়ার সাথে সাথেই বিশ্বব্যাপী বাণিজ্য প্রতিযোগিতার সম্মুখীন হয়েছে । আমাদের পোশাক শিল্প ও বাণিজ্য উদারীকরণ হওয়ার সাথে সাথে কোটার সুবিধা বঞ্চিত হয়েছে । এছাড়া চুক্তির শর্ত মোতাবেক ব্যাকওয়ার্ড লিংকেজ এর পর্যাপ্ত সুবিধাবঞ্চিত বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় এ খাতটির অনেক শিল্পই হুমকির সম্মুখীন হয়েছে । তবে আমাদের সবচেয়ে বড় সম্পদ সস্তা শ্রমের উপর ভিত্তি করে আরো পশ্চাৎমুখী শিল্প গড়ে তোলার মাধ্যমে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন ।

✍️ বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের সমস্যাসমূহ কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের রপ্তানি বাণিজ্যের প্রধান সমস্যা হচ্ছে সীমিত রপ্তানি পণ্য এবং বাজার । বাংলাদেশের প্রধান রপ্তানি পণ্য তৈরি পোশাক এর সিংহভাগই রপ্তানি করা হয় ইউরোপ ও যুক্তরাষ্ট্রে । বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক মন্দা , আমদানিকারক দেশসমূহ কর্তৃক আরোপিত অযাচিত শর্তারোপ ও পোশাক রপ্তানিতে কিছু কিছু দেশ বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে উঠায় তৈরি পোশাক রপ্তানি হ্রাস পাচ্ছে । বিদেশের বাজারে বাংলাদেশি রপ্তানি পণ্যের প্রবেশ বিভিন্ন অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয় , যেমন- গণ ট্যারিফ , প্যারা ট্যারিফ প্রতিবন্ধকতা , স্ট্রিনজিট কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড রিকোয়ারম্যান্ট , স্ট্রিনজিট রুলস অব অরিজিন এবং কঠোর শ্রম ও পরিবেশ মানদণ্ড । যুক্তরাষ্ট্রের বাজারে বাংলাদেশি পণ্য প্রবেশ । কোটা , শ্রম মানদণ্ড , হিমায়িত খাদ্যের জন্য এইচএসিসিপি এর মতো কোয়ালিটি রিকোয়ারম্যান্ট তৈরি পোশাকের ক্ষেত্রে ইকো লিবেলিং এর মতো সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় । ইউরোপীয় ইউনিয়নের বাজারে রুলস অব অরিজিন । কোয়ালিটি স্ট্যান্ডার্ড রিকোয়ারম্যান্ট হলো লেবেলিং এর মতো সমস্যায় পড়তে হয় জাপান , কানাডা , অস্ট্রেলিয়ার বাজারেও বাংলাদেশের পণ্য প্রবেশে অনুরূপ সমস্যায় পড়তে হয় ।

✍️ সাফটা চালুর পরে বাংলাদেশে কী কী প্রভাব পড়েছে ?

উত্তর : সাফটা চালুর পরে বাংলাদেশ সার্ক অঞ্চলের নিম্নলিখিত প্রভাবসমূহ বর্তমান ।

১. ভারতের সাথে বাণিজ্যিক লেনদেনের ভারসাম্যের অসমতা হ্রাস ।

২. ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্য সেভেন সিস্টারের সাথে বাণিজ্য বৃদ্ধি ।

৩. পাকিস্তানের সাথে রপ্তানি বৃদ্ধি ও বাজার সম্প্রসারণ ।

৪. অপ্রচলিত পণ্যের রপ্তানি বৃদ্ধি ।

৫. ক্ষুদ্র , মাঝারি ও কৃষিভিত্তিক পণ্যের রপ্তানি বাজার প্রসার ।

✍️ বাংলাদেশে অবাধ বাণিজ্যের সুফল পেতে তোমার সুপারিশ কী ?

উত্তর ভুমিকা : অবাধ বাণিজ্যের ফলে বাংলাদেশে , কৃষি , মৎস্য , সার ও ওষুধ শিল্পসহ বেশকিছু শিল্পের আঞ্চলিক প্রসারিত বাজার প্রাপ্তির একটা ব্যাপক সম্ভাবনা সৃষ্টি হতে পারে । তবে বাণিজ্য চুক্তিতে লাভবান হতে হলে বিশেষজ্ঞ অভিমতের মাধ্যমে বিচারবিশ্লেষণ করে বাংলাদেশের স্বার্থরক্ষা হয় এমন চুক্তিই করতে হবে । পাশাপাশি রাজনীতি নিরপেক্ষ অর্থনৈতিকও কূটনীতির পরিধিকেও বাড়াতে হবে ।

অবাধ বাণিজ্যের সুফল : অবাধ বাণিজ্য চুক্তির সুফল ভোগ করতে হলে বাংলাদেশের জন্য কতকগুলো পদক্ষেপ ও উদ্যোগ গ্রহণ করা অত্যন্ত জরুরি । এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যগুলো হলো :

১. শুল্ক ও শুল্ক বহির্ভূত বাধাগুলো দূর করতে হলে তা সহজ করতে হবে ।

২. সবল অর্থনীতির পাশাপাশি নিজ অর্থনীতিকে সমান্তরাল ও প্রতিযোগিতা পর্যায়ে আনার সার্বিক সুযোগ পেতে হবে । এজন্য লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড বানাতে হবে ।

৩. যোগাযোগ ও পরিবহনের নতুন নতুন সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে ।

৪. দেশের ভিতরে প্রতিযোগিতামূলক উৎপাদণের সফল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে । বিনিয়োগ বান্ধব পরিবেশ সংরক্ষণ করতে হবে । তবে সবার আগে দরকার জোটভুক্ত দেশগুলোর ভিতরে একের প্রতি অপরের আস্থা ।

উপসংহার : বাংলাদেশের অবাধ বাণিজ্যের সুফল পেতে হলে উপযুক্ত সুপারিশগুলো খুবই যুক্তিযুক্ত বলে আমি মনে করি ।

✍️ বৈদেশিক লেনদেন ভারসাম্যের একটি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা দাও ।

উত্তর : কোন একটি নির্দিষ্ট সময়ে ( সাধারণত এক বছর ) একটি দেশের দৃশ্যমান ও অদৃশ্যমান আমদানি ও রপ্তানি এবং অন্যান্য সকল প্রকার অর্থনৈতিক লেনদেন সম্বলিত মোট দেনা ও পাওনার একত্রিত হিসাবকে সে দেশের লেনদেনের ভারসাম্য বলা হয় । চলতি অর্থবছরের জুলাই – ফেব্রুয়ারি ২০১১ সময়ে দেশের বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪,৮৫৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার । এ সময়ে পণ্য রপ্তানি ও আমদানি প্রবৃদ্ধি হলেও আমদানির ভিত্তি বড় হওয়ায় বাণিজ্য ঘাটতি বৃদ্ধি পেয়েছে । আলোচ্য সময়ে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্তের পরিমাণ দাঁড়ায় ৬০২ মিলিয়ন মার্কিন ডলার , যেখানে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ে এ হিসেবে উদ্বৃত্তের পরিমাণ ছিল ২.৫৫৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উল্লিখিত সময়ে চলতি হস্তান্তর প্রবাহ ১.০২ শতাংশ বৃদ্ধি পেলেও সেবা , বাণিজ্য ও আয় হিসাবখাতে ঘাটতি যথাক্রমে ৪২.৯২ শতাংশ ও ১৬.৩২ শতাংশ বৃদ্ধি পায় । ফলে চলতি হিসাবে উদ্বৃত্ত উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পায় । আলোচ্য সময়ে সার্বিক লেনদেন ভারসাম্য ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়ায় ৪৯০ মিলিয়ন ডলার যেখানে পূর্ববর্তী অর্থবছরের একই সময়ে সার্বিক লেনদেন ভারসাম্য ২৩৯১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার উদ্বৃত্ত পরিলক্ষিত হয়েছিল ।

✍️ এম . এফ . এন শুল্ক হারের বর্ণনা দাও ।

উত্তর : শুল্ক আইনের সিডিউলে বর্ণিত এম . এফ . এন . শুল্ক হারের পাশাপাশি বিভিন্ন সময় বাজেট নোটিফিকেশনের মাধ্যমে পৃথকভাবে শুল্ক আইনের ২০ ধারা অনুসারে প্রয়োগকৃত এম . এফ . এন হারের উপর শুল্ক সুবিধা প্রদান করা হয়ে থাকে । বর্তমানে এম . এফ . এন . ট্যারিক হারের উপর ৩ প্রকার রেয়াতি শুল্ক হার কার্যকর রয়েছে । যথা : ১. বিভিন্ন দ্বিপাক্ষিক / আঞ্চলিক বাণিজ্য চুক্তির আওতায় আমদানি , ২. রপ্তানিমুখী শিল্পসহ নিবন্ধনকৃত শিল্পের জন্য মূলধনী যন্ত্রপাতি আমদানি এবং নির্দিষ্ট কাজের জন্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান ; যেমন- গবাদি পশু ও হাঁসমুরগি ওষুধ , চামড়া ও বস্ত্রশিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক কাঁচামাল আমদানি বর্তমানে এম . এফ . এন শুল্ক হারের পাশাপাশি নিম্নলিখিত পণ্যসমূহের ক্ষেত্রে শুল্ক রেয়াত সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে :

ক . রপ্তানিকারক শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানীকৃত মূলধনি যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ ।

খ . নিবন্ধিত শিল্প প্রতিষ্ঠান কর্তৃক আমদানীকৃত মূলধনি যন্ত্রপাতি এবং যন্ত্রাংশ ।

গ . ঔষধ শিল্প কর্তৃক আমদানীকৃত কাঁচামাল ।

ঘ . টেক্সটাইল শিল্পে ব্যবহৃত কাঁচামাল ।

ঙ . কৃষিখাতে ব্যবহৃত উপকরণ ।

চ . কম্পিউটার এবং কম্পিউটারের আনুষঙ্গিক যন্ত্রপাতি ।

✍️ বাংলাদেশে সরকারের বৈদেশিক বাণিজ্য বৃদ্ধিতে ট্যারিফ হ্রাসকরণের চিত্র তুলে ধর ।

উত্তর : দেশীয় শিল্পে দক্ষতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এবং বিশ্বব্যাপী আমদানি শুল্ক হ্রাসের প্রক্রিয়ার সাথে সামজস্য রেখে বাংলাদেশের আমদানি শুল্ক হার হ্রাস করার যে প্রক্রিয়া ১৯৯১-৯২ অর্থবছরের শুরু করা হয়েছিল তা ২০১০-১১ সালে অব্যাহত রাখা হয়েছে । আমদানি শুল্কের অবারিত গড় ১৯৯১ – ৯২ অর্থবছরে ৫৭.২২ শতাংশ হতে ২০১০-১ অর্থবছরে ১৪.৮৫ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে । বর্তমান ৯৯.৫০ শতাংশ ট্যারিক লাইনের উপরে মূল্যভিত্তিক শুল্ক আরোপ করা হয় । ২৪ টি ট্যারিক লাইনের বিপরীতে কিছুসংখ্যক পণ্য যেমন- চিনি , সিমেন্ট , ক্লিংকার , বিটুমিন , সোনা , স্টিল প্রডাক্ট এক পরাতন জাহাজের উপরে বিভিন্ন হারে স্পেসিফিক শুল্ক বলবৎ রয়েছে ।

✍️ OIC দেশসমূহের মধ্যে TPS বাংলাদেশে বাণিজ্য সম্প্রসারণে TPS – OIC কার্যক্রম আলোচনা কর ।

উত্তর : Trade Preferential System among OIC Countries ( TPS – OIC ) ও . আই . সিভুক্ত দেশসমূহের মধ্যে অগ্রাধিকারভিত্তিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের লক্ষ্যে গঠিত PTS – OIC ইতোমধ্যে প্রথম দফা বাণিজ্য আলোচনা সম্পন্ন করেছে । প্রথম দফা আলোচনায় সদস্যসমূহ , ” Protocol on the preferential Tariff Scheme for the TPS – OIC ( PRETAS ) চূড়ান্ত করেছে । এ পর্যন্ত বাংলাদেশ ১১ টি দেশ Protocol এ স্বাক্ষর রয়েছে । Prolocol অনুযায়ী শুল্ক হ্রাস বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া নিম্নরূপ : চুক্তিভুক্ত প্রতিটি দেশ মোট ট্যারিফ লাইনের ৭ শতাংশ পণ্য শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়ার আওতায় আনবে । তবে কোন দেশের মোট ট্যারিফ লাইনের ৯০ শতাংশ অথবা তদূর্ধ্ব পণ্যের বেস রেট যদি ০ শতাংশ এবং ১০ শতাংশ এর মধ্যে থাকে তাহলে তারা মোট ট্যারিফ লাইনের ১ শতাংশ পণ্য শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়ার আওতায় আসবে ।

সদস্যের দেশসমূহের মিড়বরূপ প্রক্রিয়ায় শুল্ক কমিয়ে আনা হ্রাস করা হবে :

১. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ২৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে সে সব পণ্যের শুল্ক হার ২৫ শতাংশ ।

২. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ১৫ শতাংশের ঊর্ধ্বে থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত সে সব পণ্যের শুল্ক ১৫ শতাংশ ।

৩. যেসব পণ্যের শুল্ক হার ১০ শতাংশ এর ঊর্ধ্বে থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত সে সব শুল্ক হার ১০ শতাংশ ।

৪. স্বল্প উন্নত দেশসমূহ ৬ বছরের মধ্যে এবং অস্বল্পোন্নত দেশসমূহ চার বছরের মধ্যে এ শুল্ক হ্রাস প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে । ৫. এখানে স্বেচ্ছায় ফার্স্ট ট্রাক প্রক্রিয়ার শুল্ক কমানোর ব্যবস্থাও রয়েছে ।

৬. শুল্ক হ্রাসের আওতাভুক্ত পণ্যের ক্ষেত্রে কোন নতুন শিল্প আরোপ শুল্ক বৃদ্ধি করা যাবে না ।

৭. প্যারা ট্যারিফ ও নন ট্যারিফ বাধ্যসমূহ দূরীকরণ ব্যবস্থা আছে ।

উপসংহার : উল্লেখ্য ১ জানুয়ারি , ২০০৯ থেকে শুষ্ক হ্রাস কর্মসূচি শুরু হওয়ার কথা থাকলেও আলোচনা সমাপ্ত ন হওয়ার কারণে এ যাবৎ তা কার্যকর হয় নি ।

✍️ বাংলাদেশের লেনদেন ভারসাম্য প্রতিকূলতা দূরীকরণের উপায়গুলো কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের লেনদেন ভারসাম্য প্রতিকূলতা দূরীকরণের উপায় :

১. বেসরকারি খাতে বিনিয়োগ বৃদ্ধি ।

৩. উৎপাদন ব্যয় হ্রাস ।

২. জনশক্তি রপ্তানি ।

৪. খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন ।

৬. রপ্তানি শুল্ক হ্রাস ।

৫. শিল্প ও বাণিজ্য মেলায় অংশগ্রহণ ।

৭. ক্ষুদ্র ও কুটিরশিল্পের মানোন্নয়ন ।

৯. মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ ।

১১. বাণিজ্য চুক্তি সম্পাদন ।

৮. সুদের হারের পরিমিত হ্রাস ।

১০. রপ্তানির পরিমাণ বৃদ্ধি ।

১২. চোরাচালান প্রতিরোধ ।

১৩. বিলাসজাত দ্রব্যের আমদানি নিষিদ্ধ ।

১৪. দ্রব্যের উৎপাদন বৃদ্ধি ।

✍️ বাংলাদেশের লেনদেন ভারসাম্যের প্রতিকূলকার কারণসমূহ কী কী ?

উত্তর : বাংলাদেশের লেনদেনে ভারসাম্যের প্রতিকূলতার কারণ :

১. যুদ্ধ বিধ্বস্ত অর্থনীতির পুনর্গঠন ।

২. মূলধনী দ্রব্য আমদানি ।

৩. প্রাকৃতিক দুর্যোগ ।

৪. নতুন দ্রব্যের চাহিদা ।

৫. বাণিজ্য শর্তের প্রতিকূলতা ।

৬. অদৃশ্য খাতে অধিক ব্যয় ।

৭. বৈদেশিক দেনা পরিশোধ ।

৮. রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা ।

৯. শর্তযুক্ত ঋণ ব্যবস্থা ।

১০. খাদ্য ঘাটতি ।

১১. মুদ্রাস্ফীতিজনিত কারণ ।

১২. রপ্তানি পণ্যের নিম্নমূল্য ।

১৩. আমদানিজনিত মূল্য বৃদ্ধি ।

১৪. দেশীয় সংরক্ষণ নীতি ।

[ad_2]

পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন:01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published.

error: Content is protected !!