ডিগ্রি প্রথম এবং অনার্স দ্বিতীয় বর্ষ ২০২৩ এর সকল বিষয়ের রকেট স্পেশাল ফাইনাল সাজেশন প্রস্তুত রয়েছে মূল্য মাত্র ২৫০টাকা প্রতি বিষয় এবং ৭ বিষয়ের নিলে ১৫০০টাকা। সাজেশন পেতে দ্রুত যোগাযোগ ০১৯৭৯৭৮৬০৭৯

 ডিগ্রী সকল বই

এথনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের সুবিধাগুলো লিখ।

অথবা, এখনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের সকল দিকগুলো উল্লেখ কর।
অথবা এখনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের সুবিধাসমূহ তুলে ধর।
অথবা, এথনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের সবল দিকসমূহ লিখ।
উত্তর : ভূমিকা :
বর্তমানে উন্নত এবং উন্নয়নশীল বিশ্বের জটিল সমাজ জীবনের বিভিন্ন দল, উপদল, সংস্কৃতি, উপসংস্কৃতি, বিভিন্ন অপরাধমূলক কার্যক্রম এবং অপরাধীদের আচরণ সম্পর্কে জানার জন্য এখনোগ্রাফিক অনুসন্ধান অভ্যস্ত সফলভাবে প্রয়োগ হচ্ছে। এ অনুসন্ধানের ক্ষেত্রে একজন গবেষক তাঁর ইচ্ছানুযায়ী গবেষণার বিষয় বা ক্ষেত্র নির্বাচন করতে পারেন এবং সঠিক উপাত্ত সংগ্রহ করতে পারেন। এ অনুসন্ধানের বেশ কিছু সুবিধা রয়েছে।
এখনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের সুবিধা : নিম্নে এ সুবিধাগুলো আলোচনা করা হলো :
প্রথমত, এ গবেষণার বড় সুবিধা হলো গবেষককে গবেষণা এলাকায় অবস্থান করতে হয় এবং সরজমিনে ঘটনা তদারকি করে প্রকৃত চিত্র তুলে ধরা যায় ।
দ্বিতীয়ত, এ পদ্ধতিতে গবেষককে কোন এলাকায় অনেকদিন অবস্থান করতে হয় বলে সেখানকার লোকদের সাথে একটা বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক (Rapport) গড়ে তুলতে হয় এবং এ সম্পর্কের ভিত্তিতে উত্তর দাতাদের কাছ থেকে সঠিক তথ্য বের করে নিয়ে আসতে পারেন।
তৃতীয়ত, এ পদ্ধতিতে গবেষককে পর্যবেক্ষক হিসেবে ঘটনার সময় উপস্থিত থাকতে হয় যা সঠিক ফলাফলের জন্য খুবই কার্যকর।
চতুর্থত, এ পদ্ধতির মাধ্যমে কোন দল বা জনগোষ্ঠীরা সমাজকাঠামো, তাদের আচার-আচরণ, মূল্যবোধ, রীতিনীতি, বিশ্বাস ইত্যাদি সম্পর্কে সুস্পষ্টভাবে অবগত হওয়া যায় ।
পঞ্চমত, এ পদ্ধতিতে গবেষক নিরপেক্ষভাবে ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেন বিধায় প্রাপ্ত তথ্যের সঠিকতা ও যথার্থতা বৃদ্ধির সুযোগ বিদ্যমান থাকে।
ষষ্ঠত, এ পদ্ধতিতে গবেষককে বিষয়বস্তুর আঙ্গিকে গবেষণা এলাকায় উপাত্ত সংগ্রহ করেন বিধায় তার নিরপেক্ষতা বজায় রাখার যথেষ্ট সুযোগ রয়েছে।
সপ্তমত, এ পদ্ধতিতে গবেষককে গবেষণাধীন এলাকায় দীর্ঘকাল অবস্থান করতে হয় বলে কোন তথ্যই বাদ পড়ার সম্ভাবনা থাকে না।
অষ্টমত, এ পদ্ধতি ব্যবহারের ক্ষেত্র মৌলিক ও নিরপেক্ষ । কেননা এতে কাঠামোগত প্রশ্নমালার নিয়ন্ত্রণ পক্ষপাতিত্ব ও সাক্ষাৎকার বিষয়ক জটিল পরিবেশের ঝামেলা পোহাতে হয় না।
নবমত, এখনোগ্রাফিক অনুসন্ধানের মাধ্যমে উত্তরদাতার ‘বলা বা না বলা’ উভয় ধরনের ভাবানুভূতির প্রকাশকে পর্যবেক্ষণ ও অনুসন্ধান করা যায় ।
উপসংহার : উপর্যুক্ত আলোচনা থেকে বলা যায়, গবেষক নির্দিষ্ট এলাকায় অবস্থান করে সরজমিন ঘটনা তদারকি করেন এবং প্রকৃত চিত্র তুলে ধরেন।



পরবর্তী পরীক্ষার রকেট স্পেশাল সাজেশন পেতে হোয়াটস্যাপ করুন: 01979786079

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!